ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এক তরুণীকে প্রাইভেটকারে তুলে ধর্ষণ চেষ্টায় অভিযুক্ত মাহমুদুল হক রনির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে মহানগর হাকিম আহসান হাবীবের আদালত তিন দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপ-পরিদর্শক মিনহাজ উদ্দীন।

দুপুর পৌনে ২টায় আদালতে হাজির করে রনির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিনহাজ।

এর আগে এ ঘটনায় অভিযুক্ত রনির বিরুদ্ধে জবানবন্দি দিয়েছেন ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী। ঢাকা মহানগর হাকিম গোলাম নবীর আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তিনি জবানবন্দি দেন।

শেরেবাংলা নগর থানার নারী ও শিশু নিবন্ধন কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক দিপু হোসেন জানান, ওই ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শী মামলার সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিচ্ছেন। তার নাম পরে জানানো হবে। এ ছাড়া, এই মামলার পুলিশ ফরওয়াডিং এখনো আদালতে এসে পৌঁছায়নি।

রোববার রাতে শেরেবাংলা নগর থানার ওসি জি জি বিশ্বাস জানান, ভুক্তভোগী তরুণী ও তার বান্ধবীকে খুঁজে পাওয়া গেছে। ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেলে অভিযুক্ত রনির বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

এর আগে শেরেবাংলা নগর থানার ওসি বলেছিলেন, ঘটনার সময় রনির গাড়িতে দু’জন মেয়ে ছিল। তাদের সনাক্তকরণের চেষ্টা চলছে। তাদের পেলেই ঘটনার আরও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জি জি বিশ্বাস বলেন, সংসদ ভবনের সামনে থেকে রনির নিজস্ব গাড়িতে দুটি মেয়েকে তোলা হয়। পরে একজন মেয়েকে ঘটনার সময় অর্ধেক রাস্তায় এসে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়। তখন ওই মেয়েটি রাস্তায় চিৎকার শুরু করেন।

এরপর রাস্তায় সাধারণ মানুষ রনির গাড়ির দিকে ছুটে যায় এবং একটি সিগনালে তাকে ও তার ড্রাইভারকে গণপিটুনি দেয়। ড্রাইভার গণপিটুনির পর পালিয়ে যায়। রনিকে মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করে এলাকার লোকজন।

ওসি বলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ এখনো চলছে। তবে কী উদ্দেশ্যে মেয়েটিকে গাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিল তা জানা যায়নি। আর মেয়েটিকে গাড়িতেই ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল, সেটা উপস্থিত মানুষের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে।