ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: ৫০ দিনের মধ্যে ২৫ কোটি টাকা বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে জমা না দিলে জাতীয় পার্টির এমপি মো. শওকত চৌধুরীর জামিন বাতিল হবে মর্মে হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ আবারও তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ অক্টোবর ওই মামলায় দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। রোববার ওই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুনরায় স্থগিতাদেশ বাড়ানো হল।

রোববার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিয়ার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ স্থগিতাদেশ দেন।

গত ২২ অক্টোবর হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ আগামী ৫০ দিনের মধ্যে শওকত চৌধুরীকে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে ২৫ কোটি টাকা জমা দিতে বলেন। তা না হলে নিম্ন আদালতে দেয়া তার জামিন বাতিল হবে বলে রায় দেন।

জানা যায়, ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০১৬ সালের ৮ ও ১০ মে নীলফামারী-৪ আসনের জাতীয় পার্টির এমপি শওকত চৌধুরীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে বংশাল থানায় পৃথক দুটি মামলা করে। একটি মামলায় ৯৩ কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার ২১৩ টাকা এবং আরেক মামলায় ৮২ লাখ ৮৯ হাজার ৮১৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।

এ দুই মামলায় গত বছর আগস্ট মাসে শওকত চৌধুরী হাইকোর্ট থেকে ৪ সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। পরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত থেকে ৬ মাসের জামিন পান। এ অবস্থায় একই মামলায় অপর দুই আসামির (ব্যাংক কর্মকর্তা) জামিন আবেদনের ওপর শুনানিকালে আদালত গত বছর ২৪ নভেম্বর শওকত চৌধুরীর বিরুদ্ধে রুল জারি করেন।

গত ২২ অক্টোবর এ রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রুলটি যথাযথ মর্মে রায় দেন ও শওকত চৌধুরী এমপিকে টাকা জমা দিতে নির্দেশ দেন।