নিজস্ব প্রতিবেদক::

২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেট নিয়ে পর্যালোচনায় নেমেছে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা। বড় এই বাজেটে উন্নয়ন খাতকে প্রধান্য দিয়ে মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেয়ার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন তারা। তবে পোশাক খাতে রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রণোদনা ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশে বাড়ানো দাবি জানিয়েছেন তারা। আর অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাজেটের আকার বড় হলেও শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের দিকে তেমন গুরুত্ব দেয়া হয়নি।

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অংকের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করা হয় জাতীয় সংসদে।

চট্টগ্রাম ব্যবসায়ী নেতাদের মতে প্রস্তাবিত বাজেটে দেশব্যাপী চলমান মেগা প্রকল্পগুলো যথা সময়ে বাস্তবায়নে যেমন সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা আছে কারেক্টিভিটি উন্নয়নে আছে যথেষ্ট বরাদ্দ। তবে আয় বাড়াতে গ্রামীণ জনপদকে রাজস্বের আওতায় আনার যে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার সেখানে আরো কৌশলী হওয়ার পরামর্শ ব্যবসায়ীদের।

আইবিএফবি’ সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গ্রামেগঞ্জে যে সব জায়গায় ব্যবসা আছে সে সব জায়গাগুলোকে ট্যাক্সের আওতায় নিয়ে আসা। তবে এটি সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

বিকডা’র সভাপতি নুরুল কাইয়ুম খান বলেন, আয়করকে যেন জনগণ ভয় না পায় সে ব্যবস্থা থাকা উচিত।

সংকটের মুখে পড়া সম্ভাবনাময় তৈরি পোশাক খাতকে টেনে তুলতে রপ্তানি খাতের প্রণোদনা ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার দাবি গার্মেন্টস মালিক সমিতির সংগঠন বিজিএমইএ’র।

বিজিএমইএ’র পরিচালক অঞ্জন শেখ দাস বলেন, ১ শতাংশ প্রণোদনা অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

আর অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বড় এই বাজেট ব্যয়ের সঙ্গে আয়ের কোনো সামঞ্জস্য নেই। প্রত্যাশিত বরাদ্দ রাখা হয়নি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে।
অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ সিকান্দার খান বলেন, সব কিছু আগের মতোই রয়েগেছে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের অবস্থা আরো খারাপ।

নতুন ভ্যাট আইন নিয়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে যে শঙ্কা ছিলো মানুষের মনে তাও অনেকটা কেটে গেছে প্রস্তাবিত বাজেটে। সম্পাদনা : এইচ এম জামাল