আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে ত্রিভূবন বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার একটি বিমান অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৫০ জন যাত্রী মারা গেছে। বিমানটি দূঘটনার পর সেখান থেকে ২৫ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্যে নেওয়া হয়েছে। নেপাল সেনাবাহিনী উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে। বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়ার পর তাতে আগুন ধরে যায়।

ঢাকায় ইউএস বাংলার কর্মকর্তারা বলছেন, দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৬৭জন যাত্রী নিয়ে এটি ছেড়ে যায়।

বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমান থেকে ধোয়া বেরুতে এবং তাড়াহুড়া করে যাত্রীদের বিমান থেকে বেরিয়ে আসতে দেখেছেন তারা। যাত্রীদের কয়েকজন আহত হয়েছেন।

বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর ত্রিভূবন বিমানবন্দরটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি ওলি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঢাকা থেকে সিভিল এভিয়েশনের দুই সদস্যের একটি তদন্ত দল আগামীকাল নেপাল যাচ্ছেন।

ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ বলেন, ‘কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পেয়েছি। আমরা ঢাকা থেকে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। বিস্তারিত জানার চেষ্টায় আছি আমরা। তাছাড়া এয়ারলাইন্সটির ফেসবুক পেজে বিমানটির যাত্রীদের পরিচয় বিস্তারিত দেয়া হচ্ছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ওই বিমানটিতে ৭১ জন আরোহীর মধ্যে ৬৭ জন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে অন্তত ৪০ জন বাংলাদেশি। এদের মধ্যে ২ জন শিশু ও ২৭ জন নারী ও ৩৭ জন পুরুষ ছিলেন।

বিশ্বে কাঠমান্ডু বিমানবন্দর পাহাড়ি উপত্যকায় অবস্থিত বলে খুবই ঝুঁকিপূণ। চারপাশে পাহাড় এবং মাঝখানে সমতলভূমিতে প্রায় খাড়া অবস্থায় বিমানগুলোকে অবতরণ ও উড্ডয়ন করতে হয়। ইউএস বাংলার এ বিমানটিতে ৪ জন ক্রু ছিলেন।