স্পোর্টস ডেস্ক::

সাভারের বিকেএসপি মাঠে ইমার্জিং এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে পাত্তাই পায়নি প্রতিপক্ষ। প্রথমে হংকং, এরপর ভারত ও নেপালকে উড়িয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে সেমিফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল।

বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আফগানিস্তানকে উড়িয়ে দিয়েছেন সৌম্য-শান্তরা। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৬১ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের বড় জয় তুলে নিয়েছে টাইগার ইমার্জিং দল। পাকিস্তানের সঙ্গে উঠেছে ফাইনালে।

ভারত এবং নেপাল ম্যাচের মতো আফগানিস্তানের বিপক্ষেও টস জিতে ফিল্ডিং নেয় বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। এরপর ২০ বছর বসয়ী তরুণ পেসার হাসান মাহমুদের তোপে পড়ে আফগানিস্তান ইমার্জিং দল। তিনি টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে শুরুতেই তুলে নেন। হাসানের পেস বলে ব্যর্থ হয়ে দলের ২৪ রানে ফিরে যান দুই ওপেনার আব্দুল মালিক-শাহিদুল্লাহ এবং তিনে নামা শওকত জামান।

এরপর চারে নামা দারউইশ রাসুলির দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে নেন। তিনি খেলেন ১২৮ বলে ১১৪ রানের ইনিংস। সাতটি চারের সঙ্গে সাতটি ছক্কা মারেন এই ব্যাটসম্যান। তাকে অবশ্য সেভাবে সঙ্গ দিতে পারেননি অন্য ব্যাটসম্যানরা। আফগানিস্তান তাই ৭৩ রানে হারায় ৫ উইকেট। তবে সাতে নামা ওয়াদিদুল্লাহ শাফাক ৩৪ এবং আটে নামা তারিক স্টানিকজাই ৩৩ রান করেন। তাদের ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২২৮ রান তোলে আফগানিস্তান।

জবাব দিতে নেমে দলের ২৬ রানে ফিরে যান নাঈম শেখ। পরে ইমার্জিং এশিয়া কাপে দারুণ ফর্মে থাকা সৌম্য সরকার এবং নাজমুল হোসেন শান্ত দলকে জয়ের পথ দেখিয়ে দেন। সৌম্য এ ম্যাচেও দারুণ শুরু করে ফিরে যান ৫৯ বলে ৬১ রান করে। এ নিয়ে ইমার্জিং এশিয়া কাপে চার ম্যাচের তিনটিতে ফিফটি তুলে নিলেন তিনি। তাকে সঙ্গ দিয়ে অধিনায়ক নাজমুল শান্ত খেলেন ৬৮ বলে ৫৯ রানের ইনিংস। পরের পথটা ইয়াসির আলী ৩৮ এবং আফিফ হোসেন ৪৫ রান করে পাড়ি দেন।

বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের হয়ে আগের তিন ম্যাচে দারুণ বোলিং করা সুমন খান সেমিফাইনালে উইকেট পাননি। তবে অন্য পেসার হাসান মাহমুদ ১০ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। সৌম্য ব্যাটিংয়ের আগে বোলিংয়ে জাদু দেখান। তিনি ১০ ওভার হাত ঘুরান এ ম্যাচে। নেন ৩ উইকেট। এছাড়া তানভির ইসলাম দুই উইকেট দখল করেন। এর আগের দিন প্রথম সেমিফাইনালে ভারতকে হারায় পাকিস্তান। ইমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনালে শনিবার বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান মুখোমুখি হবে।