আন্তর্জাতিক ডেস্ক::

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মঙ্গলবার জানায়, দেশটিতে জ্বালানির দাম বাড়ার পর গত সপ্তাহে ২১টি শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তবে বিক্ষোভে প্রকৃত নিহতের সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে বলে ধারণা সংস্থাটির। আল জাজিরা, এনডিটিভি, ডি ডাব্লিউ

আবার কিছু কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছ, নিহতের সংখ্যা ২০০ পর্যন্তও হতে পারে।

সোমবার ইরান সরকার জানান, দেশে কিছু ছোটখাটো বিতর্কিত ইস্যু থাকা সত্ত্বেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অন্যদিকে দেশটির ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ডস কর্পস বিক্ষোভ দমনের আহ্বান জানিয়েছে। তারা এক বিৃতিতে জানান, ইরানের শত্রুরা আরেকটি মতভেদের বীজ বুনতে যাচ্ছে। দেশে যেকোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হলে তা দৃঢ়ভাবে মোকাবেলা করার জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করায় যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেছে ইরান। এই বিক্ষোভ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও টুইটারে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের পাশে রয়েছে।এছাড়া বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানায় হোয়াইট হাউস।’

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্বাস মুসাভি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে ভন্ডামি বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণেই ইরানের অর্থনীতির বেহাল দশা হয়েছে।