স্পোর্টস ডেস্ক:: এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশের বোলারদের সামনে মুখ থুবড়ে পড়েছে ভারত। সালমাদের বোলিং তোপে ৯ উইকেটে মাত্র ১১২ রানের পুঁজি পেয়েছে টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ফলে ঈদের আগে ইতিহাস গড়তে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ১১৩ রান।

প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ। বেশ কয়েকটি সিরিজে নাকানি-চুবানি খাওয়া এই দলটির শুরুটাও ছিল বিবর্ণ। শ্রীলঙ্কার কাছে লজ্জার হার দিয়ে শুরু। অথচ সালমাদের এই দলটাই এখন যেন আহত বাঘিনীর একটি দল, হুমকি হয়ে দাঁড়ানো একটি দল। তাই কুয়ালালামপুরে ইতিহাস গড়তে শুরুতে ভারতকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান সালমা।

খেলতে নেমে বাংলাদেশের বোলিংয়ে আতঙ্কগ্রস্ত ছিল ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। এর প্রমাণ মেলে ধীর গতির ব্যাটিংয়ে। দলীয় ১২ রানে স্মৃতি মন্ধানাকে ফিরিয়ে ত্রাস ছাড়ানো শুরু সালমাদের। এই মন্ধানাই কিছুদিন আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সেরা নারী ক্রিকেটারের খেতাব পেয়েছেন। তাকে রান আউটে শিকার করেন অধিনায়ক সালমা।

বাংলাদেশের বোলিংয়ে খুব বেশি আগ্রাসী হতে পারেনি হারমানপ্রীতের দল। উল্টো দিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে তাদের চেপে ধরে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। দীপ্তি শর্মাকে দলীয় ২৬ রানে জাহানারা বোল্ড করলে চাপ বাড়তে থাকে। তিন রান যোগ হওয়ার পর মিথালিকে খাদিজাতুল কুবরা সাজঘরে ফেরালে বিপদ আরও বাড়ে ভারতের। সেই চাপ সামলাতে গিয়ে অবস্ট্রাক্টিং দ্যা ফিল্ড করে বিদায় নেন আনুজা পাতিল। ব্যতিক্রম ছিলেন শুধু অধিনায়ক হারমানপ্রীত কর। একপ্রান্তে থেকে রানের চাকা সচল রেখেছেন। অপর প্রান্তে ছিলেন না যোগ্য সঙ্গী। তার দায়িত্বশীল ৫৬ রানের ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ১১২ রানে থেমেছে ভারত। ইনিংসের শেষ বলে বিদায় নিয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক। যোগ্য সঙ্গী না পাওয়া শেষ দিকে কিছুটা চড়াও হয়েছিলেন একাই। তার ৪২ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি চার।

বাংলাদেশের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন খাদিজা তুল ‍কুবরা ও রুমানা আহমেদ। একটি করে উইকেট নেন সালমা খাতুন ও জাহানারা।