স্পোর্টস ডেস্ক:: বাংলাদেশ আজ আর কিছুক্ষণ বাদে ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে। চট্টগ্রামে আজ গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। আজ এই বৃষ্টি বাংলাদেশের জন্য কি স্বস্তির হয়ে দেখা দিবে। নাকি ভিন্ন কিছু ঘটবে। সে প্রতীক্ষা ফুটবল প্রেমীরা। তিন বছর আগেও বাংলাদেশ ফাইনালে খেলেছিলো। এবার সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আবারো এসেছে। পার্থক্যটা হলো চলমান এই আসরে প্রতিপক্ষ সব দিক দিয়েই এগিয়ে। ফিফা র‌্যাংকিং কিংবা মাঠের পারফরম্যান্স; সব মিলিয়ে তারাই এখন পর্যন্ত ফেভারিট দল। সেই দলটির বিপক্ষে স্বাগতিকরা নামবে মরণপণ লড়াইয়ে।

সাফে সেমিফাইনালে যাওয়া আর হয়নি। সেই হতাশা কাটানোর সুযোগ এসেছে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে। এই সুযোগ হাতছাড়া করতে নারাজ টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই তো শক্তিশালী ফিলিস্তিনের বিপক্ষে কৌশলী ফুটবলের আশ্রয় নিতে চান জামাল-সুফিল-জীবনরা।

কিছুটা ডিফেন্সিভ পদ্ধতিতে খেলতে চাইছে পুরো দল। সুযোগ বুঝে প্রতি আক্রমণে উঠে প্রতিপক্ষকে ভড়কে দেওয়ার পরিকল্পনা তাদের। ইংলিশ কোচ জেমি ডে হাসপাতাল থেকে অনুশীলনে এসে সেভাবেই নিজের রণকৌশল সাজাচ্ছেন। তিনি জানেন এই ম্যাচ জিততে শুধু পারফরম্যান্স দেখালে চলবে না, ভাগ্যকেও কাছে পেতে হবে। ম্যাচের আগে সেই কথাই বললেন কোচ জেমি ডে, ‘আমরা ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে চাই। সেটা দেখিয়েই সেমিফাইনাল জেতার লক্ষ্য। ফিলিস্তিন সহজ প্রতিপক্ষ নয়। তাদের বিপক্ষে জিততে আমাদের সর্বোচ্চ দিতে হবে। আশা করছি ছেলেরা তাই করে দেখাতে পারবে।’
ম্যাচ জিততে হলে বাংলাদেশের গোল দরকার। লাওসের বিপক্ষে বিপলু আহমেদ গোল পেয়েছেন। তবে ফিলিপাইনের বিপক্ষে চেষ্টা করেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখা যায়নি। একাধিক সুযোগ বিপথে গেছে। সেমিফাইনালে তেমনটি হলে ফাইনালের পথটা দুরূহ হয়ে যাবে। দলের অন্যতম ফরোয়ার্ড নাবীব নেওয়াজ জীবন তা ভালোই বুঝতে পারছেন, ‘আমরা কম চেষ্টা করছি না। শুধু গোলটাই পাচ্ছি না। ফিলিপাইনের বিপক্ষে গোল পাইনি। তবে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে ভুল করলে চলবে না। যে করেই হোক আমাদের গোল করতে হবে। ওদের ডিফেন্স ভাঙতে হবে। সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে গোল করার দিকে। যেন দল ফাইনাল খেলতে পারে।’