স্পোর্টস ডেস্ক:: শুরুটা বাজে ছিল রাজশাহীর। খুলনার বোলিং তোপে ২১ রানে হারায় ৩ উইকেট। পরে অবশ্য ডোয়াইন স্মিথ ও মুশফিকের ব্যাটে ভর করে ১৬৬ রানের পুঁজি পেয়েছে রাজশাহী কিংস।

হারের বৃত্তে বন্দি আছে রাজশাহী কিংস। খুলনা টাইটানসের বিপক্ষে মুখিয়ে ছিল ভালো কিছু করতে। তবে আজকেই দলে ফিরেছেন পাকিস্তানি পেসার জুনায়েদ খান। আর সেই জুনয়াদের বোলিং তোপে শুরুতে কাঁপন ধরেছিল রাজশাহীর ইনিংসে। ৩ ওভারে ২১ রান তুলতে ৩ উইকেট হারায় রাজশাহী। যার দুটি নেন জুনায়েদ। তৃতীয় উইকেটটিতে অবশ্য কৃতিত্ব বেশি লঙ্কান সেক্কুগে প্রসন্নর। আবু জায়েদের বলে আসা ক্যাচ বাতাসে ভেসে ছোঁ মেরে দুর্দান্তভাবে লুফে সাজঘরে ফেরান জাকির হাসানকে।

এর আগে দ্বিতীয় ওভারে আক্রমণে এসে দুটি উইকেট নেন জুনায়েদ। তৃতীয় বলে মুমিনুলকে স্লিপে ক্যাচ বানান। পঞ্চম বলে ফেরান ড্যানিয়েল বেলকে। এরপর অবশ্য দলকে সেই ধুঁকতে থাকা পরিস্থিতিতে সামাল দেন ওপেনার ডোয়াইন স্মিথ ও মুশফিকুর রহিম। স্মিথের ঝড়ো ব্যাটে রান দ্রুত গতিতে বাড়ে রাজশাহীর। স্মিথ ৩৬ বলে করেন ৬২ রান। যাতে ছিল ৭টি চার ও ৪টি ছয়। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এই স্মিথকে বিদায় দেন আফিফ হোসেন। ততক্ষণে অবশ্য ১০.১ ওভারে রাজশাহীর সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৯৭। অপরদিকে মুশফিক হাঁকান হাফসেঞ্চুরি। আবু জায়েদের বলে বিদায় নেওয়ার আগে ৩৩ বলে করেন ৫৫ রান। যাতে ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছয়।

অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি থিতু হতে পারেননি। তাকে আরিফুলের ক্যাচ বানান জুনায়েদ খান। এরপর থেকেই রানের রাশ টেনে ধরে রাখে খুলনার বোলাররা। তাই আসা-যাওয়ার মিছিলে একে একে যোগ দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও মোহাম্মদ সামি। মিরাজকে বোল্ড করেন ব্র্যাথওয়েট। সামিকে বোল্ড করেন জুনায়েদ। তবে অপর প্রান্ত ধরে খেলেন ফ্র্যাঙ্কলিন। তার অপরাজিত ২৯ রানের ইনিংসে ভর করে ৮ উইকেটে ১৬৬ রান তুলতে পারে রাজশাহী।

খুলনার পক্ষে ৪ ওভারে একাই ২৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন জুনায়েদ খান। দুটি নেন আবু জায়েদ। একটি নেন ব্র্যাথওয়েট ও আফিফ হোসেন।