স্পোর্টস ডেস্ক:: রাশিয়ার সরকারি মদদে খেলোয়াড়দের বলবর্ধক ওষুধ সেবন করানোর দায়ে ২০১৮ সালের অলিম্পিকে দেশটিকে নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি আইওসি। পিয়ংইয়ংয়ে শীতকালীন অলিম্পিক শুরুর যখন আর দুই মাস বাকি তখনই এমন ঘোষণা দেওয়া হলো।

২০১৪ সালে রাশিয়া অলিম্পিকে সরকারি মদদে খেলোয়াড়দেরকে ডোপিং বা বলবর্ধক ওষুধ প্রয়োগের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ১৭ মাস ধরে চলা তদন্ত চলে। তদন্ত প্রতিবেদনে যেসব তথ্য ও সুপারিশ উঠে এসেছে তার পরিপ্রেক্ষিতেই আইওসির প্রেসিডেন্ট টমাস বাখ ও তার বোর্ড মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।

তবে, যেসব রুশ খেলোয়াড় নিজেদের ডোপিংমুক্ত প্রমাণ করতে পারবেন তারা অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এ ক্ষেত্রে তাদেরকে ‘অলিম্পিক অ্যাথলেট ফ্রম রাশিয়া’র ব্যানারে প্রতিযোগিতার সুযোগ দেওয়া হবে।

অলিম্পিকে নিষিদ্ধ করার এ ঘটনায় রাশিয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে কোনো কোনো রাজনীতিবিদ, অলিম্পিক বয়কট করার কথাও বলেছেন। সংসদের ডেপুটি স্পিকার বলেছেন, ‘এই নিষেধাজ্ঞা মানহানিকর এবং অপমানজনক।’

রাশিয়ার অলিম্পিক কমিটি বলছে, এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে তারা আপিল করবেন। সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, এরপরও রাশিয়া টিকে থাকবে। বিশ্বযুদ্ধের পর, সোভিয়েত ইউনিয়নের ভাঙনের পর এবং নিষেধাজ্ঞার পর যেভাবে টিকে ছিল সেভাবেই টিকে থাকবে রাশিয়া।