পূর্ণ রায় রিপন, গঙ্গাচড়া (রংপুর) থেকে::

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত খরস্রোতা তিস্তার চরাঞ্চলে এ বছর ব্যাপক ভুট্টার চাষ হয়েছে। ফলন ভাল হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় কৃষকদের উচ্ছাসিত দেখা গেছে। এ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ৭টি ইউনিয়ন নদী বিধ্বস্ত। এ ৭টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলে বসবাসকারী লোকজন তিস্তার জেগে ওঠা চরে ভুট্টাসহ নানান জাতের ফসলের চাষ করছেন।

বুধবার উপজেলার তিস্তা চরাঞ্চল কোলকোন্দ ইউনিয়নের শিংগীমারী, মটুকপুর, বিনবিনা, লক্ষ্ণীটারী ইউনিয়নের শংকরদহ ও ইচলী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, অনেক কৃষকের ক্ষেতে পরিপক্কতা এসেছে। একই ভাবে সারির পর সারির আবাদকৃত কৃষকদের ভুট্টার ক্ষেত সবুজ বর্ণ থেকে সোনালী বর্ণে রূপান্তির হচ্ছে। চাষীরা চরের জমিতে লাগানো ভুট্টাসহ নানান জাতের ফসলের পরিচর্যা করছেন।

এ সময় কথা হয় চাষী ইলিয়াস, মোন্নাফ, মন্টু মিয়ার সাথে। তারা বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে ভুট্টা আবাদে খরচ পরে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২’শ টাকা। উৎপাদন হয় প্রায় ২৫-৩০ মণ ভুট্টা। খরচ বাদে লাভ থাকে ৫-৭ হাজার টাকা। তারা আরো বলেন, বিগত বছরে ভুট্টা চাষ করে লাভ হওয়ায় এ বছর আবাদ বেড়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, এ উপজেলায় চলতি বছর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৯২০ হেক্টর। আর অর্জিত হয়েছে ৩ হাজার ১’শ হেক্টর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।