রাবি প্রতিনিধি::

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রধান ফটকের সামনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা প্রগতিশীল ছাত্রজোটের নেতাকর্মীরা।

রোববার সকাল সাড়ে আটটা থেকে নয়টা পর্যন্ত তারা এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। এতে মহাসড়কে দুই পাশের যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। প্রায় আধা ঘণ্টা মহাসড়কে অবস্থানের পর পুলিশের অনুরোধে নেতাকর্মীরা মহাসড়ক ছেড়ে দেন।

এর আগে, সকাল আটটায় হরতাল সমর্থনে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ দপ্তরের সামনে জড়ো হয় বাম জোটের নেতাকর্মীরা। ক্যাম্পাস থেকে বিভিন্ন রুটে বাস ছেড়ে যাওয়া সময় তারা বাধা প্রধান করেন। এবং হরতাল সমর্থনে বাস চলাচল বন্ধ রাখার দাবিও জানান তারা। বিষয়টি জানতে পারেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক আলী হায়দার। তিনি জোটের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে অর্ধদিবস বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ দপ্তর থেকে কোনো রুটের বাস ছেড়ে যায়নি।

ছাত্র ফেডারেশনের রাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলন বলেন, ‘পৃথিবীর সব দেশে গ্যাসের দাম কমছে অথচ আমাদের দেশে তার উল্টো। সরকার জনগণের কথা চিন্তা না করে এমপি, মন্ত্রী ও আমলাদের পকেট ভারি করার জন্য গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করছে। যার ফলে জনগণ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। তাই আজকে জনগণের ন্যায্য দাবির হরতালকে সমর্থন জানিয়ে আমরাও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হরতাল পালন করছি।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা চালু থাকার পরেও বাস বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবহণ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর এফ এম আলী হায়দার বলেন, ‘গাড়িগুলো বের হওয়ার সময় বামজোটের নেতা-কর্মীরা এসে গাড়ি সামনে শুয়ে পড়ে। তারা গাড়ি চলাচলে বাধা প্রধান করে। তাই দুপুর পর্যন্ত বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।