ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি-না, তা উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে. এম. নুরুল হুদা। তিনি বলেছেন, চলমান পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। তবে তিনি যদি আপিল করেন এবং আদালত যদি তাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন তবে কেবল তিনি পারবেন। ১৯ ফেব্রুয়ারী সোমবার দুপুরে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে সিইসি বলেন, ‘প্রত্যাশা করছি, খালেদা জিয়া আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।’ প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাতে খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি-না, এমন প্রশ্নে কে. এম. নুরুল হুদা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মোকদ্দমা নিয়ে এখানে কোনো কথা হয়নি।’

বর্তমান পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ আছে কি-না, জানতে চাইলে সিইসি বলেন, আমিও তো একজন বিচারক ছিলাম, এডিএম (অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) ছিলাম। সামান্য জ্ঞানে যেটা মনে হয়, এখন যে অবস্থানে আছেন, এখন তিনি নির্বাচন করতে পারবেন না। এখন তিনি অভিযুক্ত। এর পর সর্বোচ্চ কোর্টে গেলে যে রকম নির্দেশ দেবেন, সে রকম হবে। বিএনপি নির্বাচনে না এলে সেটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না- সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন সিইসি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনও তো অনেক সময় আছে। নির্বাচন তো অনেক দূরে। আশা করছি, এ সমস্যার সমাধান হবে। এও আশা করি যে, খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন এবং সব সমস্যার সমাধান হবে। এখন কোর্টের যে সিদ্ধান্ত, সেটা তো আমাদের মানতে হবে। এ সময় বিএনপি গঠনতন্ত্র সংশোধনের বিষয়ে জানতে চাইলে সিইসি কোনো মন্তব্য করেননি।

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, প্রধান বিচারপতি সদ্য নিয়োগ পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশনও একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এ জন্য বৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া আর কোনো ইস্যু ছিল না।