ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় বসেছে ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন শিক্ষার্থী।

আজ বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে এ পরীক্ষা শুরু হয়।

নিয়ম অনুযায়ী সব পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট আগেই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মচারীদের মোবাইল ফোন, ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম এবং কেন্দ্রে ব্যবহারের অনুমতিবিহীন যে কোনো ইলেকট্রনিকস ডিভাইস ব্যবহার করতে পারছেন না।

শিক্ষা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, এ বছর জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার্থী ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন। গত বছরের তুলনায় এবার দুই লাখ এক হাজার ৫১৩ পরীক্ষার্থী বেড়েছে। এর মধ্যে জেএসসিতে এক লাখ ৭৭ হাজার ৬৬ ও জেডিসিতে ২৪ হাজার ৪৪৭ জন।

এবার নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের সাত বিষয়ে ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে। বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া সব বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা হবে।

নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা এবং চারু ও কারুকলা, কৃষি শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, আরবি, সংস্কৃত, পালি বিষয়গুলো এনসিটিবির নির্দেশনা অনুসারে বিদ্যালয়েই ধারাবাহিক মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাই এসব বিষয়ে বোর্ড পরীক্ষা নেওয়া হবে না।

এ পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ২৮ অক্টোবর থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, নকলমুক্ত ও প্রশ্ন ফাঁসবিহীনভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে এবার খুবই কঠোর শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নজিরবিহীন নিরাপত্তায় এবার এ দুটি পরীক্ষা নেওয়ার আয়োজন করেছে এ মন্ত্রণালয়। প্রথমবারের মতো এবার এ পরীক্ষায় সিকিউরিটি খামে প্রশ্নপত্র রাখা হচ্ছে। এ ছাড়া নিরাপত্তায় ব্যর্থতার কারণে ঢাকা মহানগরীতে ছয়টি কেন্দ্র বাতিল করা হয়েছে। প্রশ্ন ফাঁস রোধে পুলিশের পাশাপাশি ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ আলাদা একটি পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করেছে। একই সঙ্গে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য কেন্দ্রের সামনে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোসহ কেন্দ্র সচিবদের ২৭ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ১৫ সদস্যের বদলে পাঁচ সদস্যের পরীক্ষা কমিটি করা হয়েছে।