নিজস্ব প্রতিবেদক::

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার সময় বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের মধ্যে পাঁচ লাখেরও বেশি সদস্য পরিচয়পত্র পেয়েছেন। তারা বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন (ইউএনএইচসিআর) থেকে যৌথভাবে নিবন্ধিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশই জীবনে প্রথমবারের মতো পরিচয়পত্র পেয়েছেন। অবশিষ্ট রোহিঙ্গাদের নিবন্ধনের আওতায় আনার লক্ষ্যে কাজ অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছরের শেষ তিন মাসের মধ্যেই এ নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। এজন্য সাড়ে ৫০০ এর বেশি কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এরপর পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।

ইউএনএইচসিআর তাদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানিয়েছে। কক্সবাজারে নয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বসবাস করছেন। ২০১৭ সালের আগস্টে প্রায় আট লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। তাদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ২০১৮ সালের জুন মাসে। বর্তমানে শরণার্থী এলাকায় সাতটি কেন্দ্রে দৈনিক প্রায় পাঁচ হাজার রোহিঙ্গাকে নিবন্ধন করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের যে পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে তা বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে প্রস্তুত। এটি নকল করা সম্ভব নয়। ১২ বছরের বেশি বয়সীদের যাচাই-বাছাই করে এ পরিচয়পত্র দেওয়া হচ্ছে।এ নিবন্ধন প্রক্রিয়া বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের তথ্যের যথাযথতা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে তাদের প্রয়োজন সম্পর্কে ধারণা দেবে ও সঠিক তথ্য ভাণ্ডার কর্মসূচি পরিকল্পনা করতে সহায়তা করবে।