তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক:: ১৫টির বেশি মোবাইল সিম বা রিম কোনো গ্রাহকের হাতে থাকলে তাদের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নিজ উদ্যোগে অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিষ্ক্রিয় করতে বলেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

মঙ্গলবার দেশের সব মোবাইল ফোন অপারেটর কাছে পাঠানো বিটিআরসির এক নির্দেশনায় এ কথা বলা হয়েছে।

বিটিআরসির ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গ্রাহক ওই সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় অতিরিক্তি সিম নিষ্ক্রিয় না করলে কমিশন পরে নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অপারেটরের মাধ্যমে সেগুলোর নিবন্ধন বাতিল ও বন্ধ করে দেবে।

সে ক্ষেত্রে গ্রাহকের প্রয়োজনীয় সিমও বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে ওই নোটিশে। এর আগে সর্বশেষ একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ ২০টি সিম নেওয়া যাবে বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছিল ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। তারও আগে পাঁচটির বেশি সিম নিবন্ধন নিষিদ্ধ ছিল। এরপর ওই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে গত ২৪ অক্টোবর গ্রাহক প্রতি সর্বোচ্চ ১৫টি সিম বা রিম রাখার সুযোগ দেয় বিটিআরসি।

অপারেটরদের কাছে গত রোববার পাঠানো বিটিআরসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে গ্রাহকপ্রতি পোস্ট পেইড, প্রি-পেইড নির্বিশেষে সর্বোচ্চ সিম বা রিম (সব অপারেটর মিলিয়ে) সংখ্যা ১৫টি নির্ধারিণ করা হলো। ১৫টির অতিরিক্ত সিম বা রিম অবৈধ বলে গণ্য হবে। করপোরেট গ্রাহকের ক্ষেত্রে এ সীমা বাস্তবসম্মত নয় বলে শুধুমাত্র কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ওই প্রতিষ্ঠানের জন্য সিম বা রিম কেনার জন্য অনুমোদিত ব্যক্তি (পয়েন্ট অব কন্টাক্ট) ওই সর্বোচ্চ সীমার আওতামুক্ত থাকবেন।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বিদ্যমান গ্রাহকের মধ্যে যাদের ১৫টির বেশি সিম বা রিম রয়েছে, তাদের আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে স্ব-উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিজস্ব কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে উপস্থিত হয়ে অতিরিক্ত সংযোগ নিষ্ক্রিয় করার অনুরোধ করা হলো। যেকোনো গ্রাহককে তার জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স বা জন্ম নিবন্ধন সনদের বিপরীতে কতোটি সিম রয়েছে, তা জানারও সুযোগ করে দিয়েছে বিটিআরসি।