বাণিজ্য ডেস্ক::

ভোক্তা দেশ হিসেবে সোনার চাহিদায় চীন ও ভারতের মধ্যে বরাবরের মতোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। তবে গত কয়েক বছর যাবৎ ভারতকে হটিয়ে সোনার সবচেয়ে বড় বাজার হয়ে উঠেছে চীন। গত জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ভারত থেকে চীনের সোনার চাহিদা ৬১ শতাংশ বেশি ছিল। যদিও এ প্রান্তিকেও চীনে সোনার চাহিদা কমেছে।

জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে সাধারণত ভারতে সোনার চাহিদা বেশি থাকে। কারণ এই প্রান্তিকে ঐতিহ্যগতভাবে দক্ষিণ ভারতে ফসল কাটার পরে বিয়ের মৌসুম দেখা যায়। কিন্তু কৃষিক্ষেত্রে সংকট এবং নীরব বিবাহ মৌসুমে হলুদ ধাতবের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোক্তারা বাজারমুখী হতে পারেননি।

২০১৮ সালে পুরো বছরের জন্য ভারতের চাহিদা ছিল ৭৬০ টন এবং চীনের ছিল ৯৯৪ টন। চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে ভারতে ভোক্তা চাহিদা ছিল ৪৯৬ টন, যা চীনে ছিল ৬৩৯ টন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ৫ শতাংশ এবং ১৪ শতাংশ কম ছিল।

চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে ভারতের তুলনায় চীনের সোনার অলংকারের চাহিদা ২০ শতাংশ বেশি ছিল। ভারতের ৩৯৬ টন সোনার অলংকারের তুলনায় চীনের অলংকারের চাহিদা ছিল ৪৭৬ টন। চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে ভারতে কয়েন এবং বার হিসেবে সোনার চাহিদা ১০০ টন, যা চীনের ১৬৩ টনের তুলনায় ৩৮ শতাংশ কম।

চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনার রিজার্ভ ভারতের তুলনায় তিন গুণ বেশি বড়। ডাব্লিউজিসির প্রতিবেদন অনুসারে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে চীন ১৯৪৮ টন সোনা মজুদ করেছে। ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে ৬১৮ টন মজুদ আছে। চীন আমেরিকান ট্রেজারি বিলের সবচেয়ে বড় ধারক।