ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন অাপিল বিভাগ। তবে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে হাইকোর্টে থাকা আপিল নিষ্পত্তির আদেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ অাদালত।

হাইকোর্টের জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন ও রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের ওপর শুনানি শেষে অাজ বুধবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ রায় দেন।

এদিকে অন্য মামলায় জামিন না থাকায় খালেদা জিয়ার কারামুক্তি হবে না বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য থাকলেও রায় ঘোষণা করা হয়নি। রায় ঘোষণার পূর্বে অসমাপ্ত বক্তব্য রাখার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতে আবেদন জানান। আদালত বক্তব্য রাখার আবেদন মঞ্জুর করায় রায় ঘোষণা একদিন পিছিয়ে আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল।

গত ১২ মার্চ দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি এ মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা কেন বাড়ানো হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। তার জামিন মঞ্জুর করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আপিল করে। পরে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের করা আপিল আবেদনের ওপর ৮ ও ৯ মে শুনানি হয়।

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালতে খালেদা জিয়ার সাজার রায় হয়। দুর্নীতির দায়ে সাবেক খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয় নিম্ন আদালত।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।