একুশের কণ্ঠ অনলাইন:: সারাদেশে যখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পাসপোর্ট এবং নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে ঠিক সেই মূহুর্তে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রেরও কোনো সন্ধান মেলেনি বলে জানা গেছে।

২০০৭-২০০৮ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়। তখন ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন এস এম আসাদুজ্জামান। তিনি নিশ্চিত করেছেন, ওই সময়ে তারেক রহমান ভোটার হননি। তাই তার জাতীয় পরিচয়পত্রও হয়নি। ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলেই তো জাতীয় পরিচয়পত্র পাবেন।

তারেক রহমান ভোটার তালিকাভুক্ত হয়েছেন কি না- জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, “বিষয়টি আমার নলেজে নেই। খোঁজ নিতে হবে।” ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের কাজটি হয় সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে; ওই সময় কারাবন্দি ছিলেন তারেক। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি যখন লন্ডনে পাড়ি জমান, তখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকারই ক্ষমতায়।

তখন তারেকের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি কেন- জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান বলেন, “উনি হতে চাননি বলেই ভোটার তালিকাভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে যোগ্য বাংলাদেশি যে কারও যে কোনো সময় ভোটার হওয়ার সুযোগ রয়েছে।”

এর আগে ২০০৬ সালে ২২ জানুয়ারির বাতিল নির্বাচনের যে ভোটার তালিকা ছিল, তাতে তারেক রহমানের নাম ছিল কি না, তা নিশ্চিত করতে পারেননি নির্বাচন কমিশনের তৎকালীন উপ-সচিব মিহির সারওয়ার মোর্শেদ। তিনি ২০০৭-২০০৮ সালে ভোটার তালিকাভুক্তির কাজেও যুক্ত ছিলেন।

মিহির বলেন, ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ভোটার করার কথা তার মনে আছে। কিন্তু তারেক রহমানের ভোটার হওয়ার কোনো তথ্য তার জানা নেই।

তৎকালীন নির্বাচন কমিশন সচিব হুমায়ুন কবিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “১০ বছর আগের এ বিষয়টি তো আমার মনে পড়ছে না। কেউ আমাদের কাছে স্পেশাল কিছু আবেদন করলে বা এপ্রোচ করলে ভোটার করা হত। কেউ ভোটার হতে এপ্রোচ না করলে করা সম্ভব না।” সূত্র: বিডিনিউজ২৪