ই-কণ্ঠ অনলাইন::

মানবিক কারণে আশ্রয় পাওয়া রোহিঙ্গারা যত দ্রুত তাদের দেশে ফিরে যাবে ততই বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল। কারণ তাদের যে অঞ্চলে আশ্রয় দেয়া হয়েছে সেখানে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

আজ বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘মিটিং অব দ্য গ্লোবাল কমিশন অন অ্যাডাপটেশন’ (জিসিএ) শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ অনেকটা কমেছে। দেশের উপকূলে ৩ হাজার ৮’শ ৬৮টি বহুমখী সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ করা হয়েছে। আরো ১ হাজার ৬৫০টি নির্মাণ করা হবে।

তিনি বলেন, শুধু সরকারের পক্ষ থেকে নয়, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগ ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপন করছে। আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২২-২৪ ভাগ অঞ্চল বনায়ন সৃষ্টি করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। উপকূলীয় অঞ্চলগুলোকে জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা করাই প্রধান লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকালে হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে এক দিনের এই সম্মেলন উদ্বোধন করবেন। এতে জিসিএর বর্তমান সভাপতি বান কি মুন ‘ওয়ে ফরওয়ার্ড অ্যান্ড নেক্সট স্টেপ টুওয়ার্ডস ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যাডাপটেশন’ শীর্ষক অধিবেশনে বক্তব্য দেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে শেখ হাসিনা একই হোটেলে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের প্রেসিডেন্ট এবং জাতিসংঘের সাবেক প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে জলবায়ু সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

এই সম্মেলনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, গ্লোবাল কমিশন ফর অ্যাডাপটেশন সেন্টারের সিইও ড. পেট্রিক ভি ভারকোইজেন, ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউটের নির্বাহী সহ-সভাপতি মনিশ বাপনা, সিজিএ কমিশনার এবং ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মুসা প্রস্তুতি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।