আন্তর্জাতিক ডেস্ক::

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে মিয়ানমার সরকারকে পুরোপুরি সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।

মিয়ানমারের নেতা অং সান সু চি ব্যক্তিগতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের গণহত্যার অভিযোগের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষে লড়বেন বুধবার তার অফিস এক বিবৃতিতে জানায়। খবর ডেইলি ইরাবতির।

সু চি নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে একটি আইনি দলকে নেতৃত্ব দেবেন।

শুক্রবার (২২ নভেম্বর) মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাও মিন তুন সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারকে পুরোপুরি সহযোগিতা করবে।

হেগে সেনাবাহিনীকে প্রতিনিধিত্ব করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি সরকারের নির্দেশের ওপর নির্ভর করে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাও মিন তুন বলেন, সেনাবাহিনী এই মামলাটিকে আশীর্বাদ হিসেবে গ্রহণ করেছে। কারণ মিয়ানমারের বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে ব্যাখ্যা দেয়ার সুযোগ থাকবে।

তিনি বলেন, ২০১২-২০১৭ সাল পর্যন্ত রোহিঙ্গা সংকটটি রাখাইন রাজ্যের ‘নাগরিক’ বা পুলিশ বা সেনাবাহিনী দ্বারা সংঘটিত হয়নি। রোহিঙ্গাদের দ্বারা ঘটেছিল। মিয়ানমারের বেশিরভাগ লোক মনে করেন, তারা প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসী।

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে মামলা করেছে। মিয়ানমার গণহত্যা, ধর্ষণ এবং সম্প্রদায় ধ্বংসের মাধ্যমে ‘রোহিঙ্গাদের একটি দল হিসেবে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে’ ‘গণহত্যামূলক কাজ’ করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে এ বিশ্ব আদালতে।