বশির আহমেদ, বান্দরবান প্রতিনিধি::

লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালি ইউনিয়নের কাঁঠালছড়া ও বনফুর এলাকা থেকে ৫ লাখ ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথ অভিযানে অবৈধভাবে মজুদ রাখা ওই পাথর জব্দ করা হয়।

বুধবার লামা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত সিদ্দিকা, পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান জেলার সহকারী পরিচালক এ.কে.এম সামিউল আলম কুরসী ও পরিদর্শক নাজনিন সুলতানা নিপা দিন ব্যাপী যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের বান্দরবান জেলার সহকারী পরিচালক এ.কে.এম সামিউল আলম কুরসী জানান, সরজমিন পরিদর্শনে ফাঁসিয়াখালি ইউনিয়নের স্থানীয় লোকজন তাদের জানান চলতি মৌসুমে বনপুর, সমুখাল, পাইকঝিরি, হরিনঝিরি, এলাকায় ৮/১০ জনের একটি সিন্ডিকেট প্রায় ৮ লক্ষাধিক ঘনফুট পাথর অবৈধভাবে উত্তোলন করে প্রায় ৬ লক্ষাধিক ঘনফুট পাথর অবৈধভাবে পাচার করেছে। এই সকল এলাকায় আরও আনুমানিক ২ লাখ ঘনফুট পাথর অবৈধভাবে পাচারের জন্য মজুদ রয়েছে। একই সময়ে ১৫ জনের অপর একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাঁঠালছড়া, সামুকছড়া, বাঁশখাইল্লার ঝিরি, সমুখালের আগা, বদুরঝিরি, হরিন ঝিরি ও সামুক ঝিরি হতে প্রায় ৯ লক্ষাধিক ঘনফুট পাথর অবৈধভাবে উত্তোলন করে প্রায় ৬ লক্ষাধিক ঘনফুট পাথর অবৈধভাবে পাচার করেছে। এই সকল এলাকায় পাচারের জন্য আরও ৩ লক্ষাধিক ঘনফুট পাথর মজুদ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন ও পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনে নিয়মিত মামলা রুজুর প্রস্তুতি চলছে। লামা উপজেলার সহকারী

কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত সিদ্দিকা জানান, পরিবেশ আইনে সংশ্লিষ্ট বিভাগ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।