ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক::

পঞ্চম ও শেষ ধাপে ২০টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়া ভোট চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। তবে গ্রীষ্মকালীন সময় বিবেচনায় এবং আগের রাতে ব্যালটে সিল মারা ঠেকাতে ভোটের সময়সীমা ১ ঘণ্টা পেছানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী এই ধাপে ১৬টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আগের চার ধাপের স্থগিত হওয়া সাতটি উপজেলা যোগ হয়ে মোট সংখ্যা এখন ২৩টিতে দাঁড়িয়েছে। এরমধ্যে কুমিল্লার আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান সব পদেই একক প্রার্থী থাকায় ভোট লাগবে না। ফলে মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের শেষ ধাপে ভোটগ্রহণ চলছে ২০ উপজেলার।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, এ ধাপে চারটি উপজেলার সব কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। সেগুলো হচ্ছে- গাজীপুর সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর, নোয়াখালী সদর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দর। ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় বিজয়নগর উপজেলায় ৫ প্লাটুন এবং রাঙ্গাবালী, মঠবাড়িয়া ও তালতলী উপজেলায় ৩ প্লাটুন করে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আর কামারখন্দ ও তালতলী উপজেলায় আজ সকালে ব্যালট পেপার পাঠানো হবে।

যে ২০ উপজেলায় ভোট হচ্ছে- শেরপুরের নকলা, নাটোরের নলডাঙ্গা, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী, বরগুনার তালতলী, গাজীপুর সদর, নারায়ণগঞ্জ বন্দর, মাদারীপুর সদর, রাজবাড়ীর কালুখালী, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর, নোয়াখালী সদর, রাজশাহীর পবা, নেত্রকোনার পূর্বধলা, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া, ফেনীর ছাগলনাইয়া এবং খুলনার ডুমুরিয়া।

পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপ হয় ১০ মার্চ। দ্বিতীয় ধাপ ১৮ মার্চ, তৃতীয় ধাপ ২৪ মার্চ এবং চতুর্থ ধাপে ৩১ মার্চ ভোটগ্রহণ হয়।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, ভোটের ৩০ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সে হিসেবে রোববার রাত ১২টার পর থেকে সব ধরনের প্রচারণা বন্ধ রয়েছে।

এদিকে, নির্বাচনে পুলিশ-অনসারের পাশাপাশি নিরাপত্তায় ৬৪ প্লাটুন বিজিবি আর র‌্যাবের ৮০টি দল কাজ করবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. আলমগীর বলেন, নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশন সব প্রস্তুতি নিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোয় অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। কাজেই আশা করি, ভোটার উপস্থিতি বাড়বে। যুগান্তর