আন্তর্জাতিক ডেস্ক::

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তার উন্নয়নমূলক নীতির জন্য যতই প্রশংসিত হোন না কেন, নিজের দেশে একাধিক কেলেঙ্কারির জেরে ত্রুদোর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জনমত সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, তার লিবারেল পার্টির ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে প্রতিপক্ষ কনজারভেটিভ পার্টি।

২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা নিয়ে কানাডায় ক্ষমতাসীন হয় জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল পার্টি। তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে ছিল লিঙ্গসাম্য, সমপ্রেমীদের অধিকার ও পরিবেশ সংরক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একাধিক ভ্রান্ত পদক্ষেপের কারণে তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এবার ক্ষমতার মসনদে ফেরার পথ তেমন মসৃণ নয় ত্রুদোর। টাইমস অব ইন্ডিয়া

এরআগে ছয় সপ্তাহ ব্যাপী নির্বাচনী প্রচার শুরুর আগে বুধবার গভর্নর জেনারেল জুলি প্যায়েতের সঙ্গে দেখা করে তাঁর শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন ত্রুদো।অটোয়ায় গভর্নর জেনারেলের বাসভবনের বাইরে সাংবাদিকদের ট্রুডো জানান, ‘২১ অক্টোবর কানাডায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গত চার বছরে আমরা অনেক কাজ করেছি, যদিও সত্যি কথা হল আমরা সবে শুরু করেছি।’ তিনি জানান, পূর্বতন কনজারভেটিভ সরকারের সংকোচন ও ছাঁটাইয়ের ব্যর্থ নীতিতে ফিরতে চান কি না, তা এবার ঠিক করবেন কানাডার জনগণ। তবে ১৯৩৫ সালের পরে কানাডায় প্রথম বার নির্বাচনে জয়লাভ করা দল পরবর্তী নির্বাচনে হারেনি।

‘স্বর্ণালি দিনের স্বপ্ন’ দেখিয়ে ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা নিয়ে কানাডায় ক্ষমতাসীন হয় জাস্টিন ত্রুদোর লিবারেল পার্টি। তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে ছিল লিঙ্গসাম্য, সমপ্রেমীদের অধিকার ও পরিবেশ সংরক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি ও মানুষের ক্রয় ক্ষমতাই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একাধিক ভ্রান্ত পদক্ষেপের কারণে তার নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এবার ক্ষমতার মসনদে ফেরার পথ তেমন মসৃণ নয় ট্রুডোর। আসন্ন নির্বাচনে তাই নেতা ও তাঁর দলের শক্তি হ্রাস পাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।