বিশেষ প্রতিনিধি॥
কেরানীগঞ্জ আওয়ামী লীগের উদীয়মান ও দক্ষ এক সংগঠকের নাম শাহীন আহমেদ। দুইবার দেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যানের স্বীকৃতি অর্জন করা শাহীন আহমেদ কেরানীগঞ্জ আওয়ামী লীগের তৃণমূলকে দীর্ঘদিন ধরেই এক ছাতার নিচে একত্রিত করে দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ডে এনেছেন ব্যাপক গতিশীলতা।

দলের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর অনুষ্ঠানেও তার সরব উপস্থিতি। দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি হিসেবে সরকারি দায়িত্ব পালনেও তিনি সিদ্ধহস্ত। ফলে সাধারন মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তরুন এই নেতা। কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদে বর্তমান চেয়ারম্যান তিনি। আর আগের বারও তিনি চেয়ারম্যান ছিলেন। দুইবারই বিপুল ভোটে তিনি জয়লাভ করেন। কেরানীগঞ্জে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে তার। এসব কারনে দেশব্যাপী আলোচিত সুদর্শন এই জনপ্রতিনিধি দুইবার নির্বাচিত হয়েছেন দেশসেরা উপজেলা চেয়ারম্যান।

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃতীয় বারের মতো তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে তৃতীয় বারের (হ্যাট্রিক) মতো তিনি জয়লাভ করবেন।

এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, কেরানীগঞ্জ আওয়ামী লীগের এক উদীয়মান সংগঠকের নাম শাহীন আহমেদ। দু’দুবার নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান। দু’বারই অর্জন করেছেন দেশসেরা উপজেলা চেয়ারম্যানের কৃতিত্ব। হাল ধরেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের। দলকে করেছেন উজ্জ্বীবিত। তার নেতৃত্বেই এখন সু-সংগঠিত উপজেলা আওয়ামী লীগ।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, ২০০৯ সালের উপজেলা নির্বাচনে শাহীন আহমেদ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর বদলে যেতে থাকে কেরানীগঞ্জের মাঠের রাজনীতি। তৃণমূলের রাজনীতিতে পালে হাওয়া ফিরে পায় আওয়ামী লীগ। উপজেলা আওয়ামী লীগের দুর্দিনে হাল ধরা এই তরুণ নেতৃত্বই এখন হয়ে উঠেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের কান্ডারি।

এছাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদের নেতৃত্বে ঢাকার এই জনপদ উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বাংলাদেশের মধ্যে একটি রোল মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, বিদ্যুৎ, আইনশৃঙ্খলা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন তিনি। আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে কেরানীগঞ্জকে গড়ে তুলতে সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। এবারও কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন।

জান গেছে, আগামী উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তরুন জননেতা শাহীন আহমেদকেই ফের উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় তরুন ভোটাররা। স্থানীয় তরুন প্রজন্মের নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মতে তরুন এই আওয়ামী লীগ নেতা এরই মধ্যে স্থানীয় আওয়ামী লীগের আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়কের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিপুল ভোটের ব্যবধানে পর পর দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে নিজেকে টেনে নিয়ে এসেছেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে।
এব্যাপারে জানতে চাইলে কালিন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো: মোজাম্মেল হোসেন বলেন, শাহীন আহমেদ একজন পরিপুর্ণ রাজনীতিবিদ। দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘন্টাই রাজনীতির পেছনে ব্যয় করেন। স্থানীয় জনগন তাকে সব সময় কাছে পায়। তাই স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীগণ এমন একজন কর্মীবান্ধব নেতাকেই আবারো উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চায়।

তারানগর ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ফারুক বলেন, জনগণের সঙ্গে শাহীন আহমেদের ব্যাপক সম্পৃক্ততা রয়েছে। তিনি একজন ন্যায় বিচারক। মাদকের বিরুদ্ধে সবসময়ই সোচ্ছর ভুমিকা রেখে আসছেন। এসব কারনে সাধারণ জনগন তাকে আবারো উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।
কালিন্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা হাজী মো. জাহিদ হোসেন রনি বলেন, সারা কেরানীগঞ্জ জুড়ে শাহীন আহমেদের রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। এলাকাবাসী তাদের যে কোন প্রয়োজনে শাহীন আহমেদকে কাছে পায়।
ঢাকা জেলা ছাত্র লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইয়ামিন বলেন, শাহীন আহমেদ হচ্ছেন মাটি ও মানুষের নেতা। তৃণমূল থেকে কিভাবে দলকে সু-সংগঠিত রাখতে হয়? কিভাবে তৃণমূলের একজন নেতা-কর্মীর মন জয় করা যায়? এসব গুণাবলী তার মধ্যে বিদ্যমান। তাক ঘিরে সাধারণ জনগনের বড় রকমের একটা আস্থা তৈরী হয়েছে। এ আস্থা থেকেই এলাকাবাসী তাকে পুনরায় উপজেল চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করবে।