এইচ এম এরশাদ, কেরানীগঞ্জ থেকেঃ ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন, সাভার উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন কামরাঙ্গীর চরের তিনটি ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা-২ আসন। এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য হলেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। আওয়ামীলীগের এই কেন্দ্রীয় নেতা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ও দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী। তবে দলের মনোনয়প্রত্যাশী আরেক স্থানীয় তরুন নেতা কেরানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদের ব্যাপক জনপ্রিতার কারণে ,এবার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে আছেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম । অন্যদিকে বিএনপির একমাত্র সম্ভাব্য প্রার্থী দলীয় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ডাকসুর সাবেক ছাত্রনেতা আমানউল্ল্যাহ আমান। বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে তিনি যদি আইনি জটিলতায় প্রার্থী হতে না পারেন তবে তাঁর স্ত্রী তার হাল ধরবে , প্রার্থী হবেন বলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানায়।

২০০৮ সালের নির্বাচনের আগ পর্যন্ত শুধু কেরানীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে ছিল একটি আসন। ওই আসনে বিএনপি থেকে পর পর চারবার এমপি নির্বাচিত হন আমানউল্ল্যাহ আমান। কিন্তু ২০০৮ সালের নির্বাচন সামনে রেখে কেরানীগঞ্জ উপজেলাকে দুই ভাগ করে দুটি আসনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কেরানীগঞ্জ দক্ষিণের পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে করা হয় ঢাকা-৩ আসন। আর বাকি সাতটি ইউনিয়ন, সাভার উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন এবং ডিএসসিসির ৫৫, ৫৬, ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে করা হয় ঢাকা-২ আসন। সেই নির্বাচনে আমানউল্ল্যাহ আমানকে পরাজিত করে ঢাকা-২ আসনের এমপি হন বর্তমান খাদ্য মন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। পরে প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পান তিনি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে কামরুল ইসলাম পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্বও পান।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিগত বছরে নির্বাচনী এলাকার দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে এমপির দূরত্ব বেড়েছে অনেকখানি। ওই পরিস্থিতিতে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে চলে আসেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ। কেরানীগঞ্জের সাতটি ইউনিয়নের পাশাপাশি কামরাঙ্গীর চরের তিনটি ওয়ার্ড ও আমিন বাজারে শক্ত অবস্থান করে নিয়েছেন শাহিন আহমেদ । বিশেষ করে কেরানীগঞ্জের সাত ইউনিয়ন আর কামরাঙ্গীর চরে কামরুলের গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। তবে সাভারের ভাকুর্তা ও তেতুলঝোড়া ইউনিয়নে কামরুলের জনপ্রিতায় শাহীনের চেয়ে এগিয়ে আছেন। তার ফাকে ঢুকে শাহিন আহমেদ তার স্থান করে নিয়েছেন । আওয়ামী লীগের বেশির ভাগ নেতাকর্মী জানায়, কেরানীগঞ্জের সাতটি ইউনিয়ন, কামরাঙ্গীর চরে তিনটি ওয়ার্ড আর সাভারের আমিনবাজার ইউনিয়নেই সবচেয়ে বেশি ভোট রয়েছে সে সব এলাকাতে শাহিন আহমেদ এর অবস্থান । ভাল ব্যক্তি ,সমাজের মানুষের অন্তরে গেথে আছেন,তার কারন যানতে চাইলে নেতাকর্মীরা জানান, ভাল ও সৎ মিশুক মানুষ শাহিন ভাই ,তাই সবাই তাকে চাই । ওই সব এলাকার দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের মধ্যে শাহীন একটি প্রতিক এর নাম।

তবে কামরুল ইসলামের সমর্থকরা জানায়, কেরানীগঞ্জে শাহীন আহমেদের নেতা কর্মীদের স্থানীয় ভাবে শক্ত অবস্থান ভয়ে অনেকে কথা বলে না। নেতারা শাহীনের পক্ষে থাকলেও ভোটাররা কামরুলের পক্ষেই আছে। অন্যদিকে শাহীনের সমর্থকরা বলেন, কামরুলের ভোটব্যাংক ছিল কামরাঙ্গীর চর। অথচ সেখানকার নেতাকর্মীরাই এখন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। মন্ত্রী কামরাঙ্গীর চরের কিছু নেতাকে হাত করে রাখায় দলের বেশির ভাগ নেতাকর্মী তাঁর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এত দিন মুখ বুজে থাকলেও এখন প্রকাশ্যে তারা মন্ত্রীর লোকজনের অপকর্ম তুলে ধরছে বিভিন্ন সেমিনারে। গত মাসে কামরাঙ্গীর চরে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় নেতাকর্মীরা কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছে।
বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছে, হামলা-মামলার ভয়ে তাদের দলের নেতারা মাঠে নামতে না পারলেও নিরপেক্ষ ভোট হলে ঠিকই জবাব দেবে কেরানীগঞ্জের সাধারণ মানুষ। কারণ কেরানীগঞ্জ হচ্ছে আমানউল্ল্যাহ আমানের ঘাঁটি। বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে আমানই হবেন প্রার্থী। তাঁর নেতৃত্বে সবাই ঐক্যবদ্ধ। কিন্তু আওয়ামী লীগে কামরুল ইসলাম ও শাহীন আহমেদের দুই পক্ষে রয়েছে চরম টানাহিচরে । এর সুযোগও পাওয়া যাবে নির্বাচনে।
যোগাযোগ করা হলে কেরানীগঞ্জের মডেল থানা বিএনপির সভাপতি শরীফ মো. মহিউদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক হাসমত উল্লাহ নবীর মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা ও থানা পর্যায়ের বেশির ভাগ নেতাই গ্রেপ্তারের ভয়ে পলাতক থাকায় তাঁদের সঙ্গে কথা বলা যায়নি।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইমরুল কায়েস শাহীন বর্তমান প্রতিবেদককে বলেন, ‘কামরুল ইসলাম দলের প্রার্থী হলে এবারও বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। তিনি নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। মানুষ উন্নয়ন দেখেই ভোট দেবে।’ যুবলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ইউসুফ আলী চৌধুরী সেলিম বলেন, ‘দুইবার নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। আশা করছি, এবারও নৌকার প্রার্থী হবেন কামরুল ইসলাম। নৌকা পেলে বিপুল ভোটে হ্যাটট্রিক বিজয় হবে।’
হযরতপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন আয়নাল বলেন, ‘এলাকাবাসীর খুবই আস্থাভাজন এবং সুখ-দুঃখে তাঁদের ভরসা শাহীন আহমেদ। আমার এলাকার নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ তাঁকেই প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায়।’
হযরতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন বলেন, শাহীন আহমেদ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক হওয়ার পর দলকে সুসংগঠিত করেছেন। আমানের মতো শক্তিশালী প্রার্থীর সঙ্গে লড়াই করে বিজয়ী হতে হলে শাহীন আহমেদের কোনো বিকল্প নেই।
কলাতিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল আজিজ বলেন, ‘শাহীন আহমেদের পক্ষে মডেল থানা আওয়ামী লীগের শতকরা ৯০ ভাগের বেশি নেতাকর্মীর সমর্থন রয়েছে। আগামী নির্বাচনে আমরা তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি।’ কলাতিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিমও একই ধরনের মন্তব্য করেছেন।
রোহিতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সোলায়মান জামান বলেন, ‘ছাত্রলীগ নেতা থেকে আজ উপজেলা আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতায় পরিণত হয়েছেন শাহীন। দিনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টাই তিনি রাজনীতির পিছনে ব্যয় করেন। স্থানীয় জনগণ তাঁকে সব সময়েই কাছে পায়। স্থানীয় নেতাকর্মীরা এমন একজন কর্মীবান্ধব নেতাকেই আগামী সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে পেতে চায়।’
তারানগর ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ফারুক বলেন, ‘একজন যোগ্য নেতা হিসেবে জনগণের সঙ্গে রয়েছে তাঁর (শাহীন) যথেষ্ঠ সম্পৃক্ততা। মাদকের বিরুদ্ধে তিনি সব সময়ই সোচ্চার। সে কারণে আমাদের এলাকার জনগণই তাঁকে এমপি হিসেবে পেতে চায়।
শাক্তা ইউপি চেয়ারম্যান মো. সালাহ উদ্দিন লিটন বলেন, ‘সুখে-দুঃখে যাকে সব সময় পাই, সেই শাহীনকেই এমপি হিসেবে চায় মানুষ। কোনো বহিরাগত নেতাকে এমপি চায় না কেরানীগঞ্জবাসী।’
কালিন্দী ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন শাহীন আহমেদ। মাদকের বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছেন। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মন জয় করার গুণাবলি তাঁর মধ্যে বিদ্যমান।’ বাস্তা ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মো. আশকর আলী বলেন, যাঁকে বিপদে-আপদে পাশে পাওয়া যায় না, এমন নেতাকে এমপি হিসেবে চায় না ,ঢাকা-২ আসনের মানুষ।
কালিন্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মো. জাহিদ হোসেন রনি এবং মডেল থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মো. হারুন মাস্টার জানান, আমানের মতো শক্তিশালী প্রার্থীর সঙ্গে লড়াই করতে শাহীনই যোগ্যপ্রার্থী। রাত-দিন তিনি জনগণের জন্য মাঠে পড়ে আছেন। কামরাঙ্গীর চর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান রতন বলেন, ‘জনগণ ঢাকা-২ আসনের প্রার্থী পরিবর্তন চায়। তরুণ নেতা শাহীনই যোগ্যপ্রার্থী। তাঁকে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষায়। প্রার্থী পরিবর্তন না হলে এই আসনটি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।’
সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রাকিব আহমেদ বলেন, ‘আমিন বাজারে ৩০ হাজার ভোট রয়েছে। কিন্তু এখানে কামরুল ইসলাম পলিটিক্যালি কোনো জায়গা করতে পারেননি। কামরুল ইসলাম এবার নমিনেশন পেলে নির্বাচনে এজেন্টও খুঁজে পাবেন না। আর আমি শতভাগ নিশ্চিত, কামরুল সাহেব আমিন বাজার থেকে পাস করতে পারবেন না। তাঁর বিকল্প হিসেবে শাহীন আহমেদ আমিন বাজারের মানুষের কাছে চলে এসেছেন। শাহীনের পক্ষে কাজ করছেন প্রতিটি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাই আলী। আরো শক্তিশালী সংগঠন শ্রমিক লীগের সভাপতি ঈসমাইল হোসেন রেপুও শাহীন ভাইয়ের জন্য কাজ করছেন। শাহীন আহমেদকে নমিনেশন দিলে বিজয়ের জন্য চিন্তা করতে হবে না।’
কেরানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেন, ‘ঢাকা-২ আসনের জনগণ স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরিবর্তন চায়। কারণ একথায় যদি বলি উনি হচ্ছেন বহিরাগত। এলাকার মানুষজন চায় একজন স্থানীয় প্রতিনিধি, যাঁকে এলাকার মানুষ বিপদে-আপদে সব সময় পাশে পায়। যিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রাখেন, এমন একজন প্রার্থীকেই চায় স্থানীয় ভোটাররা। সেই অর্থে আমি নির্বাচনী এলাকার প্রার্থী। এখানেই আমার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা। আমি নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি। কেরনীগঞ্জ ঢাকা -২ আসনের আপামোর জনগণও চায় আমাকে এমপি হিসেবে পেতে । আশা করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুকন্যা সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্খা বাস্তবায়ন করবেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘মানুষ উন্নয়ন চায়, উন্নয়নে বিশ্বাসী, আমি এলাকার রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদরাসা, মন্দিরসহ অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি, সফলভাবেই সেই লড়াই করছি। আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মী-সমর্থকসহ স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলেছি। নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে আমার আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। আমার নেত্রী, তৃণমূল মানুষের ভরসার প্রতীক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিশ্চয়ই জনগণের চাওয়াকে মূল্যায়ন করবেন। আর সেটা করলেই ইনশাঅল্লাাহ আমি নৌকা প্রতীক পাব। বিজয়ী হলে সারা দেশের মধ্যে এই আসনটিকে রোল মডেলে পরিণত করব।’
খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম দেশের বাইরে থাকায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) অ্যাডভোকেট সমর চন্দ্র ভৌমিক বলেন ‘ঢাকা-২ আসনে স্যারের (কামরুল ইসলাম) বিকল্প কোনো প্রার্থী নেই। তবে কেউ যদি প্রার্থী হওয়ার জন্য নমিনেশন চান, সেটা তার গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম স্যারই আগামীতে নৌকার প্রার্থী। তিনি এবার মনোনয়র পাবেন এবং ১০০% বিজয়ী হবেন। তিনি নির্বাচিনী এলাকার প্রতিটি গ্রাম এবং পাড়া-মহল্লায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। মানুষ উন্নয়ন দেখেই তাঁকেই ভোট দেবে।
বিএনপি নেতা আমানউল্ল্যাহ আমানের মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া যায়নি।