সবাইকে ম্যানেজ করে গ্যাস চালাই, আমাদের বিরুদ্ধে লিখে কি লাভ হবে?

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি::

পুলিশসহ রাজনৈতিক নেতাদেরকে ম্যানেজ করে গ্যাস চালাই আমাদের বিরুদ্ধে লিখে কি লাভ হবে। আমাদের আপনারা কিছুই করতে পারবেন না। এভাবেই হুঙ্কার দিয়ে বলে উঠেন আধুরিয়া এলাকার ড্রাইং কারখানার মালিক রফিকুল ইসলাম ও জাকির হোসেন। এছাড়াও এলাকায় আরো অবৈধভাবে অর্ধশতাধিক ড্রাইং কারখানার মালিকরা দিব্বি কারখানা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অবৈধ গ্যাস ব্যবহারে প্রতিরোধ করার কেউ নেই। কর্তৃপক্ষ থাকছে নিরব। অভিযোগ উঠেছে পুলিশকে নাকি মাসে মাসে টাকা দিয়ে ২৯টি ডাইং কারখানায় প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকার এই গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, পুলিশসহ স্থানীয় সরকার দলীয় নেতাদেরকে টাকা দেয়ায় এসকল অবৈধ গ্যাস সংযোগ বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে তিতাস গ্যাস কোম্পানী হারাচ্ছে কোটি টাকা। আবাসিক লাইনে পড়ছে গ্যাস সংকট। ডাইং কারখানাগুলি উপজেলার, কুমারটেক, আধুরীয়া, মহনা কেশরাব ও মঠখোলা এলাকায়। ব্যবহারকারীরা এলাকার আধুরীয়া এলাকার সাহাবুদ্দিন, রফিকুল মিয়া, রাসেল মিয়া, কুমারটেকের আলম, বাদশা মেম্বার, আলী আহমেদের ছেলে রবিউল, বাতেনের ছেলে বিল্লাল হোসেন, আরজু মিয়ার ছেলে সফিক, সিদ্দিকের ছেলে তোবারক, শাহ জাহানের ছেলে রুহুল আমিন, সোনা মিয়া ছেলে হারুন, আব্দুল মতিনের ছেলে দেলোয়ার, কুটু মিয়ার ছেলে তোতা মিয়া, কেশরাব এলাকার দীন ইসলাম, বাবুল, মকবুল, নাসু মিয়া, মঠখোলা এলাকার সবুজ মিয়া, মাহনা এলাকার শাহিন, রফিক, মোবারক।

এলাকাবাসীর অভিযোগ পুলিশকে মাসে মাসে টাকা দিয়েই এসকল কারখানা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। এদের অবৈধ সংযোগকারীরা গ্যাস ব্যবহার করে তিতাসের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি করছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। ডাইং কারখানায় গ্যাস ব্যবহারে সংকটে পড়ছে আবাসিক লাইনের গ্রাহকরা। অন্যদিকে লাভবান হচ্ছে ডাইং কারখানার মালিকরা। স্থানীয়দের অভিযোগ গ্যাস কর্তৃপক্ষ এই অবৈধ গ্যাস বন্ধের কোন ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে না। প্রশাসন সংবাদ পেয়েও তারা নিরব ভুমিকায়।

এ ব্যাপারে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউসন কোম্পানীর কর্তব্যরত কর্তা ব্যক্তিরা বলেন ডাইং কারখানায় অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের বিষয়টির বিষয় কোন লিখিত অভিযোগ নেই। তবে যারা অবৈধ গ্যাস ব্যবহার করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। স্থানীয় ফাঁড়ি পুলিশ বলছে এগুলো বন্ধ করতে গ্যাস কর্তৃপক্ষকে সোচ্চার হতে হবে।