শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট) আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাহাদুর বেপারী বলেছেন, ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য আলোকবর্তিকা নিয়ে এসেছিলেন। অসহায় বিপন্ন মানুষের কাছে ব্যাকুল চিত্তে তিনি ছুটে যান মানবিক হৃদয় নিয়ে, মায়ের ভূমিকায় পাশে দাঁড়ান। তার মতো স্নেহশীল মা, কর্মীবান্ধব সভাপতি, প্রাজ্ঞ দৃঢ়চেতা দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক নেত্রী যেভাবে দেশ ও মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নিরন্তর পথ চলছেন, দেশের স্বার্থে যেভাবে আপসহীন দৃঢ়তা দেখিয়ে এসেছেন, তা ইতিহাসে তাকে অমরত্ব দেবে। তাইতো বিশ্ববরেণ্য নেতারা শেখ হাসিনা সম্পর্কে বলেছেন, ‘মেধা, যোগ্যতা, সততা আর দক্ষতায় শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায়ই নয়, সমগ্র বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে পারেন।’ ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িখানিও তিনি জনগণকে দিয়েছেন। লোভ, মোহের ঊর্ধ্বে পথচলা বিশ্ববরেণ্য নেত্রী আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা যতদিন বেঁচে থাকবেন, আমাদের রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেবেন, ততদিন দেশ উন্নয়নের সিঁড়িপথেই হাঁটবে, ততদিন গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি বিকশিত হতেই থাকবে, ততদিন গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হতেই থাকবে। দেশ হবে তার স্বপ্নের দারিদ্র্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ। তাইতো দেশ ও মানুষের ভাগ্য জড়িয়ে আছে এই মহান নেত্রীর ভাগ্যের সঙ্গে। ১৭ মে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সাথে তিনি এসব কথা। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ২০০১ সালে ছাত্রলীগ আয়োজিত ছাত্র গণসংবর্ধনায় এ দেশের ছাত্রজনতা তাঁকে দেশরত্ন উপাধিতে ভূষিত করেন। আমি গর্বিত কারণ সেই ছাত্রজনতার পক্ষে শেখ হাসিনাকে দেশরত্ন উপাধি ভূষিত করতে পেরে। আমি আরও বেশি গর্বিত যে ওই সময় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে সভার সভাপতিত্ব করতে পেরে।
ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাহাদুর বেপারী আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ মহাকাশও বিজয় করেছে। এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতা আনতে হবে। এজন্য দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।