নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেটের আমানতকারীদের শান্ত করলেন পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা

এস.এম.সাঈদুর রহমান, খুলনা ব্যুরো:
নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেটের গ্রাহক সমাবেশ পুলিশ হতে দেয়নি। এতে আমানতকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ায় তাদেরকে শান্ত ও আশ্বস্ত করেছেন বাগেরহাট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো: শাহাদাত হোসেন ও ইউএনও তানজিল্লুর রহমান। তারা বলেন, পর্যায়ক্রমে সব গ্রাহকরা যাতে আমানতের টাকা ফেতর পায় সে জন্য তারা সচেস্ট আছেন। এ জন্য গ্রাহকদের হতাশা ও আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দেন তারা।

খুলনা, বাগেরহাট ও পিরোজপুর জেলার ২১ হাজার গ্রাহকের আড়াই শত কোটি টাকার আমানত রয়েছে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেটের কাছে। গত দশ বছর ধরে সংগ্রহ করা গ্রাহকদের এই টাকায় প্রতিষ্ঠানটির কেনা তিন শত বিঘা জমির এখন বাজার মূল্য হাজার কোটি টাকা।

মহল বিশেষের সাজানো অভিযোগের কারছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক ও বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠানটির ব্যাপারে তদন্ত করছে। এ জন্য গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। সার্বিক বিষয় খোলসা করে গ্রাহক আমানত পরিশোধের ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়ার জন্য হাড়িখালী প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট এরিয়ায় আজ সকালে পূর্ব নির্ধারিত গ্রাহক সমাবেশ পুলিশের বাধায় হতে পারেনি। এতে গ্রাহকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

এ সময় পরিস্থিতি শান্ত করতে বাগেরহাট জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো: শাহাদাত হোসেন, ইউএনও তানজিল্লুর রহমান, সদর থানার ওসি মাহাতাব উদ্দিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা গ্রাহকদের শান্ত হয়ে ফিরে যেতে বললে সবাই ফিরে যান এবং পরবর্তীতে গ্রাহক সমাবেশের তারিখ নির্ধারণ করে জানিয়ে দেয়া হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়।

নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেটের এমডি তালুকদার আব্দুল মান্নান বলেছেন, আগামী ৬ মাসের মধ্যে গ্রাহকদের সমুদয় আমানত ফেরত দেয়া হবে। ইতোমধ্যে ৭৬ কোটি টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে পুরোদমে নিজস্ব বিনিয়োগে ফেরানোর অঙ্গীকার করেছেন তিনি।