ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: আগামীকাল শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) ৩৮তম বিসিএস-এর প্রিলিমিনারি টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে বিভিন্ন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পিএসসি। প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষা থেকে শুরু করে প্রায় সব পাবলিক পরীক্ষা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এবং নিয়োগ পরীক্ষা পর্যন্ত নিয়মিত প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটছে। সেক্ষেত্রে দেশের সবচেয়ে বড় নিয়োগ পরীক্ষা বিসিএসের এই পরীক্ষাটিও প্রশ্নফাঁস আতঙ্কের বাইরে নয়। এমন মন্তব্য বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিকের।

তিনি বলেন, ‘এবারের বিসিএস পরীক্ষাটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে অন্যান্য বারের তুলনায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছি আমরা। ইতোমধ্যে পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট প্রতিটি কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেছি, কিভাবে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়া যায় ও পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস না হয়। সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। আশা করছি, একটি ক্লিন পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পারবো।’

মোহাম্মদ সাদিক আরও বলেন, ‘বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির মাধ্যমে যারা প্রশ্নফাঁস করেছে, তাদের কিভাবে ধরা যায়, সে সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানও নেওয়া হচ্ছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে।’

পিএসসি সূত্র জানায়, দেশের প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে দুটি করে মেটাল ডিটেক্টর দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে একটি করে ঘড়ি দেওয়া হয়েছে। যাতে প্রশ্নফাঁস না হয়, সে জন্য বেশ কয়েক সেট প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া, ইতোমধ্যে গোয়েন্দা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, হল প্রধান, হল পরিদর্শক, পিএসসির কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছে পিএসসি।

জানা যায়, ৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিতে তিন লাখ ৪৬ হাজার ৫৩২ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। এপর্যন্ত অনুষ্ঠিত সবগুলো বিসিএস পরীক্ষার তুলনায় এবারই সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রার্থী আবেদন করেছেন।