স্পোর্টস ডেস্ক::

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) ফাইনালে টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত থাকা গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সকে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুললো সাকিবের দল বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস। কার্টারের জড়ো ব্যাটিংয়ে ১৭১ রানের টার্গেট পায় গায়ানা। ব্যাট করতে নেমে বার্বাডোজের নার্স ও কার্টারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে দাঁড়াতে পারেনি তারা। ১৪৪ রানেই ইনিংস গুটিয়ে গেলে ২৭ রানের জয় পায় বার্বাডোজ। ক্রিকইনফো

টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ট্রাইডেন্টস। দুই ওপেনার জনসন চার্লস এবং অ্যালেক্স হেলসের জুটিটা দারুণ শুরুও করেছিল। প্রথম পাঁচ ওভারে এই জুটিতে থেকে আসে ৪৩ রান। এরপর অবশ্য টানা তিন ওভারের ব্যবধানে সাঁজ ঘরে ফিরতে হয়ে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে। দলের স্কোরবোর্ডে তখন ট্রাইডেন্টসের স্কোরবোর্ডে ৯ ওভারে ৭৩ রান।

ট্রাইডেন্টস তিন উইকেট হারানোর পর উইকেটে আসেন সাকিব আল হাসান। অবশ্য খুব বেশি সময় উইকেটে থিতু হতে পারেননি সাকিব। মাত্র ১৫ বল খেলে ১৫ রান করে রান আউট হয়ে ফিরতে হয় এই টাইগার অল রাউন্ডারকে। জনাথন কার্টারের সাথে ভুল বুঝাবুঝিতে সাজঘরে ফিরতে হয় সাকিবকে। শেষদিকে চারটি চার ও ছয়ে ২৭ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত থাকেন কার্টার। আর তার এই ঝড়ো ইনিংসেই ভর করে বার্বাডোজের পুঁজি দাঁড়ায় ১৭১ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে রেমন রেইফার আর অ্যাশলে নার্সের দারুণ বোলিংয়ের সামনে কুপোকাত হয় গায়ানার ব্যাটসম্যানরা। বল হাতে প্রথম ওভারে ৫ রান এবং দ্বিতীয় ওভারে ১৩ রান দিয়ে মোট দুই ওভারে ১৮ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি সাকিব। তবে ব্যাট-বল হাতে বিশেষ কিছু করে দেখাতে না পারলেও দিনশেষে শিরোপা উঠেছে সাকিবের হাতে। ব্রেন্ডন কিংয়ের ৪৩ রান ছাড়া গায়ানার বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ১৪৪ রানেই থামে তাদের ইনিংস। এই নিয়ে পাঁচবার ফাইনালে উঠলেও একবারও শিরোপা ছোঁয়া হলো না গায়ানার।

সিপিএলের এবারের মৌসুমে সাকিব খেলেছেন ছয়টি ম্যাচ। ব্যাট হাতে সাকিবের সংগ্রহ মোট ১১১ রান। আর বল হাতে ১৫০ রান দিয়ে নিয়েছেন চার উইকেট।