রবিবার, ২৩ Jul ২০১৭ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৪ English Version

সাহিত্য ও শিক্ষাঙ্গন

৩৮তম বিসিএসে আইসিটির সব বিষয়ে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: সমালোচনার মুখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (আইসিটি) সব বিষয়ের শিক্ষার্থীরা ৩৮তম বিসিএসে প্রভাষক পদের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। আজ সোমবার (১০ জুলাই) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান অধ্যপক ড. মোহাম্মদ সাদিক। গত ২০ জুন ৩৮তম বিসিএসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। এতে সরকারি কলেজের প্রভাষক পদে আইসিটির মাত্র তিনটি বিষয়ের শিক্ষার্থীদের অংশ নিতে পারবেন বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এই তিনটি বিষয়ের বাইরেও আইসিটিতে আরও কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ না থাকায় এসব বিষয়ের শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়েন। আগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রবিবার (১০ জুলাই) সকাল থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিষয়ের শিক্ষার্থীরাই কেবল কলেজের প্রভাষক পদে আবেদন করতে পারছিলেন। কিন্তু আইসিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাকি বিষয়ের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারছিলেন না। কিন্তু নতুন ঘোষণার পর আরও কমপক্ষে চারটি বিষয়ের শিক্ষার্থীরা এই বিসিএসে আবেদন করতে পারবেন। পিএসসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘আমরা কাউকেই বঞ্চিত করতে চাই না। যেসব বিষয় নিয়ে কথা হচ্ছে, সেগুলো নিয়ে আমাদের কাছে আগে আপডেট তথ্য ছিল না। ফলে এগুলো যুক্ত করা হয়নি। তবে তারা এখন আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। নিয়মগুলো আমরা কিছুক্ষেণর মধ্যেই বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করবো।’ উল্লেখ্য, আইসিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ইলেক্ট্রনিক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই), ইলেকট্রনিক অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই), কম্পিউটার অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (সিসিই)।

অনার্স ২য় বর্ষের ফল প্রকাশ আজ

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৬ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষার ফল আজ (৯ জুলাই) প্রকাশিত হবে। আজ রোববার বিকেল ৪টা থেকে মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে। মুঠোফোনে ফল জানতে মোবাইল ফোনে মেসেজ অপশনে গিয়ে NUH2 Roll লিখে ১৬২২২ নম্বরে Send করতে হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd এবং www.nubd.info থেকে ফল জানা যাবে। এ পরীক্ষায় ৩০টি বিষয়ে সারা দেশে ৬২১টি কলেজের ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৬৪ শিক্ষার্থী অংশ নেন। শনিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

একাদশে ভর্তি বঞ্চিতদের আবেদন শুরু হচ্ছে না আজ

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: চলতি মাসের ১ তারিখ (শনিবার) থেকে এইচএসসি ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হলেও এখনও ভর্তি নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী। যদিও অভিভাবকদের দাবি, এ সংখ্যা আরও বেশি। ভর্তি বঞ্চিত এসব শিক্ষার্থীর কথা চিন্তা করে আজ বুধবার (৫ জুলাই) আবারও নতুন করে আবেদন নেয়ার কথা ছিল আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের। কিন্তু বোর্ডের অভ্যন্তরীণ সভা থাকায় সেটি আবারও পিছিয়ে গেছে। বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ভর্তি বঞ্চিতদের পুনরায় আবেদন প্রক্রিয়া আজ থেকে শুরু করা যাচ্ছে না। এক্ষেত্রে আরও দুই-একদিন সময় লাগতে পারে। সভা শেষে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ড. মুহাম্মদ আশফাকুস সালেহীন বলেন, ‘আজকে বোর্ডের অভ্যন্তরীণ মিটিং আছে। যার কারণে আজ (বুধবার) থেকে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে না। আমরা দুপুরের দিকে মিটিংয়ে বসব। সেখানে ভর্তি ও আবেদনসংক্রান্ত কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। সে ভিত্তিতে আবেদনের পরবর্তী সময় নির্ধারণ করা হবে। সেটি ৬ কিংবা ৭ জুলাই থেকেও হতে পারে। মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হলে সেটি আজ বিকেল থেকেও হতে পারে। তবে সে সম্ভাবনা খুবই কম।’ তিনি বলেন, ‘কলেজে চান্স পায়নি এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৭ হাজারের কাছাকাছি। এ ছাড়া আবেদন করে চান্স পেয়েও ভর্তি হয়নি এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা মোট কতজন হতে পারে সে বিষয়ে এখনও কিছুই বলা যাচ্ছে না। আজকে মিটিং শেষে পুরোপুরি সংখ্যাটা বলা যাবে। ভর্তিসংক্রান্ত বিষয়ে আজকালের মধ্যে ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।’ আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘নিজেদের ভুলে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী এখনও ভর্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আসন পূর্ণ হয়ে গেলেও বারবার সেসব কলেজ পছন্দের তালিকায় দেয়ায় তাদের নাম আসেনি। আবার অনেকে পছন্দের কলেজ না পেয়ে ভর্তি হয়নি। আবেদন করেও তালিকায় নাম না আসা শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৭ হাজার। আর জিপিএ-৫ পেয়েও ভর্তি হতে পারেনি সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। আজকের মিটিংয়ের পর সব কলেজের শূন্য আসনের সংখ্যা জানা যাবে। বঞ্চিত ভর্তিচ্ছুদের আবারও ১০টি কলেজ পছন্দ দিয়ে আবেদন করতে বলা হবে। কোনো শিক্ষার্থী ভর্তির বাইরে থাকবে না।’ ঢাকা শিক্ষাবোর্ড সূত্র মতে, এবার প্রায় ১৩ লাখ ২০ হাজার শিক্ষার্থীকে ভর্তির জন্য তিন ধাপে কলেজ নির্ধারণ করে দেয়া হয়। এজন্য নিশ্চায়ন করে ১২ লাখ ৩৬ হাজার শিক্ষার্থী। ৮৪ হাজার শিক্ষার্থী কলেজ নিশ্চায়ন করেনি। ফলে এসব শিক্ষার্থী ভর্তির বাইরে রয়ে গেছে। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ ধারী রয়েছে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় সারা দেশে পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭২২। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৭৬১ জন। আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক আশফাকুস সালেহীনের মতে, নামধারী কলেজে ভর্তি হতে গিয়ে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী বঞ্চিত হয়েছে। রাজধানীতে এমন কলেজের সংখ্যা সীমিত হওয়ায় সবাইকে সেখানে সুযোগ দেয়া সম্ভব হয়নি। এক্ষেত্রে যারা আগে আবেদন করছে তারাই ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। এ ছাড়া ভর্তির আবেদনে ১০টি কলেজ নির্বাচন করার কথা থাকলেও ভর্তি বঞ্চিত অনেক মেধাবী দুই থেকে পাঁচটি কলেজ পছন্দ দিয়েছে। আসন পূর্ণ হওয়ার পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে মাইগ্রেশনের সুযোগ দেয়া হলেও তারা আর কলেজ পরিবর্তন করেননি। এ কারণেও অনেকে ভর্তি হতে পারেনি বলে জানান তিনি।

২২ থেকে ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে এইচএসসির ফল প্রকাশ

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: আগামী ২২ থেকে ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। সম্প্রতি সম্ভাব্য এই তারিখ ধরে শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর সময় চেয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এই সম্ভাব্য তারিখের আগে-পরে যেদিন সময় দিবেন সেদিনই ফল প্রকাশ করা হবে। আজ সোমবার (৩ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রনালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ২০১৭ সালের এইচএসসি ও সমমানের তত্ত্বীয় পরীক্ষা গত ১৫ মে শেষ হয়। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয় ২৫ মে। ২০০৬ সাল থেকে পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হয়। সেই হিসেবে ২৪ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিন পূর্ণ হবে। তাই আগামী ২২ থেকে ২৪ জুলাইয়ের যে কোনো দিন প্রধানমন্ত্রীর সময় চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রথা অনুযায়ী পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি সর্বপ্রথম প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপরই সবার জন্য ফল উন্মুক্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী যেদিন সময় দেন সেদিনই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। প্রসঙ্গত, ১০ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৮৬ জন শিক্ষার্থী।

শিক্ষা আইনের খসড়া তৈরির কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে: শিক্ষামন্ত্রী

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: শিক্ষা আইনের খসড়া তৈরির কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সরকারি দলের ইসরাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে একথা জানান। তিনি জানান, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ‘শিক্ষা আইন’ এর খসড়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। খসড়াটি নীতিগত অনুমোদনের জন্য শিগগিরই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পাঠানো হবে। মন্ত্রী জানান, সরকারি ও বেসরকারি খাতের শিক্ষাঙ্গনের মধ্যে পাঠদানের এবং পাঠ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনেও বৈষম্য থাকার সুযোগ নেই। এরপরও অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের উন্নত শিক্ষা অর্জনের কৌশল হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস এনহেন্সমেন্ট প্রজেক্ট’ (সেকায়প) এর আওতায় সারা দেশে গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞান বিষয়ে এ পর্যন্ত প্রায় ২৯ লাখ ৭০ হাজার ২৫২টি অতিরিক্ত ক্লাশ নেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন সময়ে সর্বমোট আট হাজার ৯১৯ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রকল্পটির আওতায় চার হাজার ৮০০ জন অতিরিক্ত শিক্ষক কর্মরত আছেন। আয়েশা ফেরদাউসের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের যেসব উপজেলায় কোনেও সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই সেসব উপজেলায় একটি করে মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণের পরিকল্পনা সরকারের রয়ে​ছে। রহিম উল্লাহর প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপনের লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে ১০০টি উপজেলার মধ্যে ৪২টির নির্মাণ কাজ শুরুর জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। চারটির কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৩৮৯টি উপজেলায় ​একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপনের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজির প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশে মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৪২, উচ্চমাধ্যমিকে ১:১৪ ও ডিগ্রিতে ১:২৬। মো. আব্দুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার অংশগ্রহণের প্রস্তুতি হিসেবে বছরে দুটি মডেল টেস্ট গ্রহণের নিয়ম আছে। পঞ্চম শ্রেণির নি​য়মিত পরীক্ষায় যে হারে ফি গ্রহণ করা হয় সেই হারেই মডেল টেস্ট পরীক্ষার ফি গ্রহণ করার নির্দেশনা আছে। কোনও বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশে এখন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) সংখ্যা ৩৮ হাজার ১৫৮ টি। এরমধ্যে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান ২৭ হাজার ৭২২টি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির নির্দেশিকার সংশোধন কার্যক্রম চূড়ান্ত করা হয়।

আগামী শিক্ষাবর্ষে যবিপ্রবিতে যোগ হচ্ছে আরো ৩টি বিষয়

ডি এইচ দিলসান : যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) আগামী শিক্ষাবর্ষে আরো তিনটি বিভাগ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিভাগ তিনটি হলো- ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীনে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং; ম্যানেজমেন্ট এবং প্রযুক্তি অনুষদের অধীনে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং। আজ মঙ্গলবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ১৮তম (জরুরি) সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যবিপ্রবিতে বর্তমানে সাতটি অনুষদের অধীনে ১৯টি বিভাগ রয়েছে। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় আরো জানানো হয়, বিভাগ তিনটি চালু করতে প্রয়োজনীয় জনবলসহ অন্যান্য বিষয়ে অনুমোদনের জন্য কর্তৃপক্ষ শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) আবেদন জানাবে। ইউজিসির অনুমোদনের পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগ তিনটি চালু করা হবে বলে সভায় জানানো হয়। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ১৮তম সভায় ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি নিয়েও আলোচনা হয়। সভায় এ বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. বিপ্লবকুমার বিশ্বাস, ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাইবুর রহমান মোল্যা, জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. মো. ইকবাল কবির জাহিদ, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মো. জিয়াউল আমিন, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আব্দুর রশীদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের চেয়ারম্যানরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. হায়াতুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জাবি’র ৪২ শিক্ষার্থীকে পুলিশে সোপর্দ : অনির্দিষ্টকালের জন্য হল বন্ধ ঘোষণা

তুহিন আহামেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক॥ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারী ৪২ শিক্ষার্থীকে পুলিশে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শনিবার গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের বাসভবনে এক জরুরী সিন্ডিকেট মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় বলে জানান সিন্ডিকেট সদস্য ও সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক মো. আমির হোসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের নির্দেশে ৪২জন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম। তিনি আরো জানান, বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের বাসভবন ভাঙচুর করার জন্য অর্ধশত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে, রোববার সকাল ১০টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়া নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা হল ছাড়তে শুরু করেছে। হঠাৎ করে হল বন্ধ করে দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের তাৎক্ষণিক এ সিদ্ধান্ত হঠকারিতা ছাড়া কিছুই না। একাধিক বিভাগে ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আবার অনেক বিভাগের ফাইনাল পরীক্ষা ডেট রয়েছে এ মাসে, সামনে বিসিএস পরীক্ষা, চাকরী পরীক্ষা দিচ্ছে অনেকে। এমন অবস্থায় শিক্ষার্থীরা অভাবনীয় ক্ষতির সম্মুখিন হবে। এর আগে গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে আন্দোলনকারীরা। পরে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর হামলায় চালায় পুলিশ। এতে এক সাংবাদিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তাসহ ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়। এঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে রাখে এবং ভাঙচুর করে। এসময় ভাঙচুরে বাধা দিলে শিক্ষার্থীদের হামলায় ১০ জন শিক্ষক আহত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নির্দেশে পুলিশ ৪২জন শিক্ষার্থীকে আটক করে আশুলিয়া থানায় নিয়ে যায়। উল্লেখ্য, শুক্রবার ভোর ৫টায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সিঅ্যান্ডবি এলাকায় বাসের ধাক্কায় বিশ্ববিদ্যালয় আল বেরুনী হলের মার্কেটিং বিভাগের ৪৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান রানা ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের আরাফাত নিহত হয়।

দুর্নীতি ও অনিয়ম খুঁজতে মাঠে নামছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি ও অনিয়ম খুঁজতে সরাসরি মাঠে নামছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে লক্ষ্যে আগামী জুলাইয়ে ৬৪ জেলায় গণশুনানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেখানে অভিভাবকদের কাছ থেকে সরাসরি অভিযোগ নেয়া হবে। দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিক শাস্তি দেয়া হবে। গণশুনানি থেকে পাওয়া মতামত অনুযায়ী পরবর্তী কর্মপন্থাও ঠিক করবে মন্ত্রণালয়। শিক্ষা খাত অরাজকতায় ভরা নানা মহল থেকে উঠে আসে এমন মন্তব্য তদারকি করতেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্ত। অতিরিক্ত ফি আদায়, এমপিও দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। ফলে অভিযোগের সত্যতা খুঁজতে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মুখোমুখি করা হবে। গণশুনানিতে হাতেনাতে অনিয়মের প্রমাণ দিতে পারলে ব্যবস্থা নেবে মন্ত্রণালয়। শুধু অভাব-অভিযোগ নয়, শিক্ষা খাতের উন্নয়নের জন্য জনসাধারণেরও প্রস্তাব নেবে মন্ত্রণালয়। তারই ভিত্তিতে পরবর্তী নীতিমালা ঠিক করবে সরকার। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে শিক্ষাবিদরা বলছেন, এই গণশুনানির ফলে শিক্ষা খাতের আসল চেহারা উঠে আসবে। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক উপকৃত হবে এমনকি শিক্ষার মানেও ভারসাম্য ফিরে আসবে। শিক্ষাবিদারা বলছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগ সূদুর প্রসারী হওয়া দরকার। আর তাই গণশুনানি প্রতি বছর করার দাবি জানিয়েছেন তারা। খবর : ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি

প্রধান শিক্ষক পাচ্ছে ১৭ হাজার বিদ্যালয়

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: প্রধান শিক্ষক পাচ্ছে দেশের ১৭ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব স্কুলের এ পদটি সর্বোচ্চ আট বছর পর্যন্ত খালি আছে। নানা জটিলতার কারণে এতদিন এ পদে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া যাচ্ছিল না। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক বৈঠকে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, উল্লেখিত পদে আমরা আপাতত চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক নিচ্ছি। নীতিমালা অনুযায়ী এ পদে ৩৫ শতাংশ সরাসরি ও ৬৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করতে হয়। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির। এ কারণে এটি সরাসরি নিয়োগ বা পদোন্নতি যেটিই হোক পিএসসির (সরকারি কর্ম কমিশন) মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়। কিন্তু পদোন্নতির প্রক্রিয়াটি সময় সাপেক্ষ। অপরদিকে, মাঠ পর্যায়ে প্রধান শিক্ষকের অভাবে শিক্ষার মানোন্নয়ন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ বজায় রাখাসহ আনুষঙ্গিক কাজ বিঘ্নিত হচ্ছে। এ কারণে সহকারি শিক্ষকদের মধ্য থেকে জেষ্ঠ্যতা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকের পদে চলতি দায়িত্ব দেয়া হবে। বৈঠকে অন্যদের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মোহাম্মদ আসিফ-উজ-জামান, অতিরিক্ত সচিব নজরুল ইসলাম খান, গিয়াস উদ্দিন আহমদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান সংবাদ


সর্বশেষ সংবাদ

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা: ফল চ্যালেঞ্জ পৌনে ৫ লাখ উত্তরপত্রের

অগ্নিঝুঁকিতে রাজধানীর ৯৭৬ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি আবেদন শুরু

৬ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী

একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির নীতিমালা জারি

পাসের হারে রাজশাহী প্রথম ঢাকা দ্বিতীয়

কলেজে ভর্তি এবং উন্নয়ন ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার

ফের শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন পদ্ধতি

৪ মে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ


আজকের সব সংবাদ

সম্পাদক : মো. আলম হোসেন
প্রকাশনায় : এ. লতিফ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
সরদার নিকেতন
হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১১।

ফোন: ০২-৭৪৫১৯৬১
মুঠোফোন: ০১৭৭১৯৬২৩৯৬, ০১৭১৭০৩৪০৯৯
ইমেইল: ekantho24@gmail.com