রবিবার, ২৩ Jul ২০১৭ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৪ English Version

ফিচার

‘জাকুজ্জি অব ডিসেপেয়ার’ যেখানে গেলে কেউ আর ফেরে না!

ই-কণ্ঠ ডেস্ক:: ভৌতিক সিনেমায় অথবা গল্পে অনেক জায়গার কথা শোনা যায়, যেখানে গেলে কেউ ফিরে আসে না। সেই গল্প দেখে বা শুনে ভয়ে আমাদের গাঁ শিউরে ওঠে। কিন্তু বাস্তবে এমন জায়গা রয়েছে যেখানে কোনো মানুষ বা প্রাণি একবার গেলে আর সত্যি সত্যি জীবিত ফিরে আসে না। মেক্সিকো উপসাগরের তলদেশে একটি স্থান আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। তারা জায়গাটির নাম দিয়েছেন ‘জাকুজ্জি অব ডিসেপেয়ার’। এখানকার পানি বেশ গরম এবং বিষাক্ত। মানুষ অথবা কোনো প্রাণি যদি এ জায়গা দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন সঙ্গে সঙ্গেই তার মৃত্যু ঘটে। জায়গাটি নিয়ে রয়েছে রহস্য। বিজ্ঞানীরা এর কূল কিনারাও খুঁজে বের করেছেন। তবে কোনো ভৌতিক বা অলৌকিক কারণে নয়। বিষাক্ত কিছু পদার্থের কারণেই সেখানে গেলে জীবের মৃত্যু ঘটে। ২০১৪ সালে রিমোট কন্ট্রোল রোবটের মাধ্যমে একটি সামুদ্রিক কোরাল দিয়ে পরীক্ষা চালান টেমপল কলেজের জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক এরিক করডেস। তখন তিনি এই রহস্যজনক লেকটির সন্ধান পান। এরপর ২০১৫ সালে জায়গাটি ভালো করে দেখার জন্য তিনি আরো তিনজনকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান। তিনি সেখানে কী দেখেছিলেন? এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আপনি যখন সমুদ্রের নিচে যাবেন তখন দেখবেন একটি হ্রদ অথবা নদী বয়ে যাচ্ছে। মনে হবে আপনি এই গ্রহে নয়, অন্য কোথাও আছেন। আমরা একটি গিরিখাতের মতো স্থান থেকে এটি দেখছিলাম। আমরা দেখলাম বাধের মতো লবণের স্তরযুক্ত একটি দেয়াল। এটিকে বেগুনি, সাদা ও কালো রঙের অসাধারণ একটি জলাশয় মনে হচ্ছিল।’ ওশানোগ্রাফি নামে একটি জার্নালের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই হ্রদটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩ হাজার ৩০০ ফুট নিচে। ১০০ ফুট জুড়ে অবস্থিত এই হ্রদটি ১২ ফুট গভীর। লেকটির উষ্ণতা ৬৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট। কিন্তু এর আশেপাশের পানির উষ্ণতা ৩৯ ডিগ্রী ফারেনহাইট। এর তলদেশে দেখা যায় কাঁকড়া মরে পড়ে আছে। তবে গরমে নয় বরং অতিরিক্ত লবণাক্ততার জন্য এদের মৃত্যু হয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। কর্ডেস জানিয়েছেন, সেখানকার পানি উপসাগরের পানির তুলনায় ৪-৫ গুণ বেশি লবণাক্ত। জায়গাটিতে কয়েকটি মিশ্র উপাদান রয়েছে যেমন-লবণাক্ত উপাদান, হাইড্রোজেন সালফাইড, তৈলাক্ত ভূগর্ভস্ত আকরিক, উপসাগরের তলানি ইত্যাদি। এগুলো একসঙ্গে মিশে একটি বিষাক্ত উপাদানের সৃষ্টি করে। এছাড়া এর নিচ থেকে মিথেন গ্যাসের নিঃসরণ হয়। ফলাফল অক্সিজেনের অভাব এবং বিষক্রিয়ার ফলে কাঁকড়াসহ কোনো প্রাণী সেখানে গেলে তার মৃত্যু ঘটে।

রাতের আকাশে ভেসে উঠলো চন্দ্রধনু!

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: চন্দ্রধনু। চাঁদের আলো বায়ুমণ্ডলে সূর্যের মতো রংধনু সৃষ্টি করে। তবে চন্দ্রধনু দেখেছেন, এমন মানুষ পৃথিবীতে খুবই সামান্য, তা বলা যায়। কারণ চন্দ্রধনু প্রকৃতির এক বিরল উপহার। নিসর্গবিদ কেলি গ্রোভিয়ার চন্দ্রধনু নিয়ে বিবিসিতে লিখেছেন। ব্রিটিশ কবি উইলিয়াম কোলের চন্দ্রধনু দেখার অভিজ্ঞতা উল্লেখ করেছেন তিনি। ১৭৯৯ সালে নরফোকে এক শরত সন্ধ্যায় একাকী হাঁটছিলেন কবি উইলিয়াম কোল। হঠাৎ রাতের আকাশে তিনি আবিষ্কার করেন রংধনুর মতো বর্ণিল ধনু। রংধনু সৃষ্টি হয় সূর্যের আলোয়। আর চন্দ্রধনু সৃষ্টি হয় চাঁদের আলোয়। চাঁদের আলোয় আকাশে ধনুর মতো যে আলোকচ্ছটা কবি কোল দেখেছিলেন, তার রূপ তিনি কবিতায় বর্ণনা করেছেন, যার দুটি লাইন এমন- ‘বায়ুমণ্ডলে আর্দ্র বাতাস বইছে/ঝাপসা চাঁদোয়ায় ভেসেছে চন্দ্রধুন।’ ভাষান্তরে ত্রুটি থাকতে পারে। তবে কবি কোলের চোখে চন্দ্রধনুর যে রূপ ধরা পড়েছে, তা ছিল সত্যি ও মোহনীয়। চন্দ্রধনু নিয়ে পাঠকের বিভ্রান্তি থাকতে পারে। এ জন্য কবি কোল তার কবিতার শেষে একটি নির্দেশনা জুড়ে দেন, যাতে তিনি বলেন, ১৭৯৯ সালের ‘নরফোক ক্রনিক্যাল’-এর ১৭ নভেম্বর সংখ্যায় চোখ রাখুন। এ সংবাদপত্রে চন্দ্রধনু সম্পর্কে খবর প্রকাশ করা হয়। সেই থেকে ২১৭ বছর পর চন্দ্রধনু নিয়ে আবার খবর প্রকাশিত হলো। আবার এক শরত রাতের ঝাপসা চাঁদের আলোয় উঁকি দিল চন্দ্রধনু। কবি কোলের মতো চন্দ্রধনু নিয়ে কেউ নতুন করে কবিতা লিখেছেন কি না, এখনো জানা যায়নি। তবে এবার চন্দ্রধনু নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এর রূপ নিয়ে বলা হয়েছে অনেক কথা। ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারের আকাশে ১৮ অক্টোবর কিছু সময়ের জন্য দেখা যায় চন্দ্রধনু। এর এক জোড়া ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

নিশ্চিহ্ন হবার পথে কবি জীবনানন্দ দাসের পৈতৃক নিবাস

অপরূপ রূপে দেখেছিলেন বাংলার রূপ। তাইতো রূপসী বাংলার কবি তিনি। প্রকৃতির কবি, প্রেমের কবিও জীবনানন্দ দাশ। কবির অমর সৃষ্টি বনলতা সেনের সাথে জড়িয়ে আছে নাটোরের নাম। এখানকার মানুষের সাথেও যেন এক অটুট বন্ধন জীবনানন্দের। তবে হতাশার কথা, বরিশালে তাঁর পৈত্রিক বাড়ি এখন নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে। স্মৃতি রক্ষায় পাঠাগার ও মিলনায়তন নির্মাণ করা হলেও তা খোলা হয় না নিয়মিত। আজ কবির ৬২তম প্রয়াণ দিবস। জীবনানন্দ দাশ। নামের অর্থ জীবনের আনন্দ। কিন্তু সেই আনন্দের দেখা পাননি জীবনের অধিকাংশ সময়েই। নানাবিধ সংকট কুঁড়ে কুঁড়ে খেয়েছে, আত্মগোটানো, অভিমানী আর নির্জনতাপ্রিয় এই মানুষটিকে। তাই হয়তো মৃত্যুর পরে ফিরে আসতে চেয়েছিলেন, শঙ্খচিল শালিখের বেশে। কিন্তু এই ধানসিঁড়ির অদূরে, তার জন্ম শহর বরিশালে পৈত্রিকা বাড়িটির এখন কী দশা? একসময়ের সর্বানন্দ ভবন,পরে যেটির নাম দেয়া হয় ধানসিড়ি, সেখানের দিঘি ভরাট করে গড়ে উঠেছে বহুতল ভবন। ২০১০ সালে কবিভক্তদের দাবির মুখে ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি মিলনায়তন ও পাঠাগার। যদিও বেশির ভাগ সময়ই সেটি থাকে বন্ধ। মিলনায়তন ও পাঠাগারের যখন এই অবস্থা, তখন জীবনানন্দের স্মৃতিরক্ষায় একটি জাদুঘর নির্মাণের আশ্বাস দিলেন জেলা প্রশাসক। বরিশালে বেড়ে ওঠা, তারপর জীবনের একটা বড় সময় কাটে কলকাতায়। কিন্তু নাটোরে তিনি কখনো গিয়েছিলেন কি না, তা জানা যায় না। যদিও তার স্বপ্নকন্যা বনলতা সেনের কারণে বিখ্যাত হয়ে আছে এই শহর। তাঁর প্রতি নাটোরের মানুষেরও এক গভীর মমত্ববোধ। ১৯৫৪ সালের ১৪ অক্টোবর, কলকাতায় ট্রামের নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন জীবনানন্দ দাশ। কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ২২ অক্টোবর চলে যান পৃথিবীর মায়া ছেড়ে।

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফুল!

ই-কন্ঠ অনরাইন ডেস্ক:: পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফুল কি বলতে পারেন? পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফুলের নাম রাফ্লেশিয়া আরনোল্ডি। এই ফুলটি ফুটেছে সুমাত্রায়। ব্যাংকুলুর দুটি ভিন্ন জায়গায় এই ফুল ফুটেছে। খবর : দ্য জাকার্তা পোস্টের। জানা যায়, যারা বিরল এই ফুলটি দেখতে চান তারা ব্যাঙ্কুলুর তেঙ্গা জেলার তাবা পেনানযুং বনে যেতে হবে। অথবা আপনি যেতে পারেন ক্যাপাহিয়াং জেলার তিবাত মনোক বনে। মঙ্গলবার ফোটা এই ব্যতিক্রমী ফুল দেখতে চাইলে দর্শনার্থীদের বৃহস্পতিবারের মধ্যে যাওয়ার উপদেশ দিয়েছেন বন কর্মকর্তারা। কারণ দুই দিনের মধ্যে ফুলটি চুপসে যাবে। ফুলটি বনের গভীরে ফোটেনি দেখে ফোটার শুরুর দিন থেকে অনেক দর্শনার্থী ফুলটি দেখতে আসছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান।

ঈদের ছুটিতে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের বরণ করতে প্রস্তুত বান্দরবান

বশির আহাম্মদ, বান্দরবান প্রতিনিধি:: উৎসব মানেই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বান্দরবানে ভ্রমণপিপাসু মানুষদের বাড়তি চাপ। এবারো ঈদুল আজহার লম্বা ছুটিতে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের বরণ করতে প্রস্তুত এখন পাহাড়ি জেলা বান্দরবান। এ জেলাতেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া তাজিং ডং এবং কেওক্রাডং পাহাড় অবস্থিত। প্রতিবছরই ঈদের আগে বান্দরবান শহরে হোটেল মোটেল আগাম বুকিং থাকে। এ বছরও কোরবানির ইদের টানা ছুটির সুযোগে হোটেল মোটেলগুলোতে আশানুরূপ বুকিং দিয়েছেন আগন্তুক পর্যটকরা। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের ঢল নামবে পাহাড়ি জেলা বান্দরবানে। পর্যটকদের বিনোদনের জন্যে রয়েছে মেঘলায় ঝুলন্ত সেতু, নীলাচল, নীলগিরি, মেঘলার চিড়িয়াখানা, রামজাদি, বগালেক, শৈল প্রভাত, নাফাখুমসহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র। প্রতিবছর দুই ঈদের টানা বন্ধে এসব বিনোদন কেন্দ্রে মানুষের আগমন ঘটে বেশি। হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, এবার ঈদে আগে বান্দরবানে বেশির ভাগ হোটেল বুকিং করে ফেলেছেন পর্যটকরা। তারা ভ্রমণে আসা পর্যটকদের জন্য সুযোগ সুবিধা প্রদানেও প্রস্তুত বলে জানান। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় এবারের ঈদের টানা ছুটিতে পর্যটকদের আগমনও ঘটবে বেশি। চলুন জেনে নেওয়া যাক বান্দরবান সম্পর্কে কিছু তথ্য-ইতিহাস : বান্দরবান পার্বত্য চট্টগ্রামের অংশ। এই অঞ্চলটি ১৫৫০ সালের দিকে প্রণীত বাংলার প্রথম মানচিত্রে বিদ্যমান ছিল। তবে এর প্রায় ৬০০ বছর আগে ৯৫৩ সালে আরাকানের রাজা এই অঞ্চল অধিকার করেন। ১২৪০ সালের দিকে ত্রিপুরার রাজা এই এলাকা দখল করেন। ১৫৭৫ সালে আরাকানের রাজা এই এলাকা পুণর্দখল করেন, এবং ১৬৬৬ সাল পর্যন্ত অধিকারে রাখেন। মুঘল সাম্রাজ্য ১৬৬৬ হতে ১৭৬০ সাল পর্যন্ত এলাকাটি সুবা বাংলার অধীনে শাসন করে। ১৭৬০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই এলাকা নিজেদের আয়ত্তে আনে। ১৮৬০ সালে এটি ব্রিটিশ ভারতের অংশ হিসাবে যুক্ত হয়। ব্রিটিশরা এই এলাকার নাম দেয় চিটাগাং হিল ট্র্যাক্ট্স বা পার্বত্য চট্টগ্রাম। এটি চট্টগ্রাম জেলার অংশ হিসাবে বাংলা প্রদেশের অন্তর্গত ছিলো। ১৯৪৭ সালে এই এলাকা পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এটি বাংলাদেশের জেলা হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয়। আশির দশকের শুরুতে পার্বত্য চট্টগ্রামকে তিনটি জেলা- রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে বিভক্ত করা হয়।

ডিজেভোলজা ভারুস বা শয়তানের শহর!

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: ডিজেভোলজা ভারুস সার্বিয়ার রদন পর্বতে অবস্থিত রহস্যময় একটি জায়গা। এখানে দুটি উপত্যকা রয়েছে। উচ্চতা প্রায় ২০ মিটার। মজার ব্যাপার হলো, প্রতিটি উপত্যকায় আবার টুপি পরানো। যেগুলো মাটি দিয়ে তৈরি। এই টুপিগুলো স্তম্ভের চেয়েও বড়। স্থানীয়দের মতে উপত্যকা দুটির একটি ‘শয়তানের উপত্যকা’ এবং অন্যটি ‘অভিশপ্ত উপত্যকা’। দুটি উপত্যকাকে একসঙ্গে ‘শয়তানের শহর’ বলা হয়। ডিজেভোলজা ভারুস (শয়তানের শহর) রদন পর্বতের দক্ষিণ দিকে কুরসুমলিজা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে জেবাইচ এবং ডেক গ্রামে অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা ৬৬০-৭০০ মিটার। সেখানে দুটি বিরল ধরনের ঝরনা দেখা যায়। প্রথমটা ডিজেভোলজা উপত্যকা থেকে প্রবাহিত হয়। এই প্রবাহিত পানি ‘শয়তানের পানি’ নামে পরিচিত। এর কারণও অবশ্য রয়েছে। এখানকার পানিতে অতিরিক্ত পরিমাণে এসিড রয়েছে। অন্য ঝরনা থেকে প্রবাহমান পানি স্বাভাবিক। এই পানির ধারা বসন্তকালে এলাকার চারদিকে দেখা যায়। শয়তানের শহর হিসেবে পরিচিত ডিজেভোলজা ভারুসে ২টি রহস্যময় খনিজ পদার্থ পাওয়া গিয়েছিল যা পুরাতন গির্জার ধ্বংসাবশেষ বলে মনে করা হয়। এই স্থানটি নিয়ে অনেক শিউরে ওঠার মতো ভূতুড়ে গল্প প্রচলিত আছে। ডিজেভোলজা ভারুসের গঠন প্রক্রিয়া পুরোপুরিভাবে এখনো জানা যায়নি। প্রতিদিন পাথরের স্তম্ভগুলো ভেঙে পড়ে। আবার দেখা যায় হঠাৎ অন্ধকার হয়ে যায় জায়গাটি। দেখলে মনে হবে কোনো এক অদ্ভুত রহস্যময় কিছু এখানে কাজ করছে। ডিজেভোলজা ভারুসের গঠন প্রক্রিয়া এখনো সবার কাছে অজানা। এখানকার ক্ষয়কার্য প্রতিনিয়ত চলতে থাকে। কিছু স্তম্ভ পড়ে যায় হঠাৎ করে, আবার কখনো আকার পরিবর্তন করে নতুন স্তম্ভ তৈরি হয়। স্থানীয়দের কাছে পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত আছে যে, স্বয়ং শয়তান নাকি এই কাজগুলো করে। অনেক দিন আগে দুটি ভিন্ন গ্রামের দুটি ছেলে বিয়ে করতে যাচ্ছিল অন্য এক গ্রামে। আশ্চর্যজনকভাবে তাদের দু’পক্ষের বিয়ের পাত্রী ছিল একই মেয়ে। ধারণা করা হয় তাদের এই ব্যাপারটি স্বয়ং তাদের ঈশ্বর নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। কিন্তু উভয় পক্ষ যখন বুঝতে পারল যে তাদের হবু বধূ একই তখন পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে গড়াতে যাচ্ছিল। উভয় বরযাত্রীরা একটি সবুজ উঁচু ঢিবিতে একে অন্যের দিকে এগিয়ে এসে মিলিত হয়। কটমট দৃষ্টিতে একে অপরের দিকে তাকাচ্ছিল তারা। কিছুক্ষণ পর তাদের মধ্যে কয়েকজন অস্ত্র বের করল। পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছিল। তখন ঈশ্বর চাচ্ছিলেন না যে সেখানে রক্তপাত ঘটুক। আর এ জন্য তিনি ঐ দু’দলকে উপত্যকায় রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নেন যতক্ষণ না কোনো সমাধান বের হয়। কিন্তু ঈশ্বর ব্যস্ততার কারণে বিষয়টি ভুলে গেলেন। ফলে তারা উপত্যকা হিসেবে রয়ে গেল বছরের পর বছর। এটিই হলো এলাকাটি নিয়ে প্রচলিত মিথ। এলাকাটি সত্যিই অদ্ভুত! অনেকে একে ‘ড্রাগনের ঘর’ বা ‘ড্রাগনের মাথা’ বলে। সেখানে অদ্ভুত সব তড়িৎচুম্বকীয় ঘটনা ঘটে। ১৯৫০ সালে এই জায়গায় একটা বিমান দুর্ঘটনায় পতিত হয়। এর কারণ এখনো কেউ বের করতে পারেনি।

অলিম্পিক দেখতে রিকশা চালিয়ে চীন থেকে রিও!

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট : বিমানে চড়ে নয়, বাসে কিংবা ট্রেনেও নয়। অলিম্পিক দেখতে রিকশা চালিয়ে চীন থেকে রিও ডি জেনিরোতে গেলেন ৬০ বছরের এক বৃদ্ধ। অবিশ্বাস্য এ ঘটনা যিনি ঘটিয়েছেন তার নাম চেন গুয়ানমিং। তবে এবারই প্রথম নয়। রিকশা চালিয়ে এর আগে দুবার অলিম্পিক দেখতে গেছেন গুয়ানমিং। পর পর তিনবার অলিম্পিক দেখতে গিয়ে পাড়ি দিয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি পথ। প্রথম এ কাজ তিনি করেছেন আট বছর আগে বেইজিং অলিম্পিকে। এর চার বছর পর লন্ডন অলিম্পিকে যান তিনি। আর এবার তিনি গেলেন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে। পর পর তিনবার অলিম্পিক দেখতে গেলেন রিকশা চালিয়ে। ফলে রিকশাওয়ালা দর্শক হিসেবে এরই মধ্যে বেশ পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। রীতিমতো সেলিব্রিটি বনে গেছেন এখন। গুয়ানমিংয়ের অদ্ভুত এ খেয়াল প্রথম হয়েছিল ২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিকের সময়। চীনের জুঝু শহরে বসবাস গুয়ানমিংয়ের। পেশায় তিনি কৃষক। তবে বিভিন্ন ধরনের খেলা ভালোবাসেন। আর এ থেকেই ভালোবাসা জন্মায় অলিম্পিকের প্রতি। তার দেশের রাজধানীতে অলিম্পিক আয়োজনের কথা জানার পর সিদ্ধান্ত নিলেন বেইজিং যাবেন। কিন্তু যাবেন কীভাবে? সিদ্ধান্ত নিলেন রিকশা চালিয়ে অলিম্পিক ভিলেজে যাবেন তিনি। যেই ভাবা অমনি কাজ। রিকশা নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন তিনি। জুঝু থেকে রিকশা চালিয়ে ৮০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বেইজিং পৌঁছালেন গুয়ানমিং। বেশ উপভোগ করেছেন তিনি বেইজিং অলিম্পিক। যেদিন অলিম্পিক শেষ হয় তিনি জানলেন পরবর্তী অলিম্পিক হবে লন্ডনে ২০১২ সালে। সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন লন্ডন অলিম্পিকেও যাবেন এবং তা রিকশা চালিয়েই। এরপর দুই বছরে ৬০ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে, ১৬ দেশ ঘুরে লন্ডনে পৌঁছে যান গুয়ানমিং। ঠিক সময়েই লন্ডন পৌঁছেছিলেন তিনি। অবাক করা বিষয় হলো, লন্ডন অলিম্পিকের পর সিদ্ধান্ত নিলেন রিও অলিম্পিকেও যাবেন তিনি রিকশা চালিয়ে। অবশ্য এবার কাজটা আরো কঠিন ছিল তার জন্য। গুয়ানমিং চীনে তার বাড়িতে ফিরে বিশ্রাম নিলেন। কিছুদিন পর আবার লন্ডনে চলে যান এবং সেখান থেকেই শুরু হয় তার রিও যাত্রা। এবার তিনি এই দীর্ঘ যাত্রায় পাড়ি দেন ১ লাখ ১০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি পথ। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ঘুরে দক্ষিণ আমেরিকা হয়ে আমাজনের বন পাড়ি দিয়ে গুয়ানমিং শেষ পর্যন্ত রিওতে পৌঁছান গত রোববার। সম্পন্ন হয় তার তিন বছরের যাত্রা। এদিকে রিওতেও বেশ পরিচিত হয়ে গেছেন চীনের এই অলিম্পিক প্রিয় মানুষটি। ব্রাজিলে তিনি এখন সেলিব্রেটিদের মতোই সময় কাটাচ্ছেন। লোকজন তার সঙ্গে সেলফি তুলছে। বেশ উপভোগ করছেন তিনি সময়টা। তথ্যসূত্র : ডেইলি মেইল, পিপলস ডেইলি।

ঝুলে ঝুলে বিয়ে!

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: বিয়ে নিয়ে মানুষের মনে কতইনা উন্মাদনা থাকে। বিশেষ এই দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে অনেকেই বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করেন। পানির নিচে বিয়ে, রোলার কোস্টারে বিয়ে- এমন অভিজ্ঞতার কথা আগেই শুনেছেন সবাই। এবার ভিন্ন প্রথায় বিয়ে করলেন, ভারতের দুই তরুণ-তরুণী। মহারাষ্ট্রের কোলহারপুরের জেহদির এবং রেশমা তাদের বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করার চিন্তা করেন। কিন্তু তারা কোনো বড় অনুষ্ঠান বা ওয়েডিং প্ল্যানারের সাহায্য নেননি। বরং করেছেন পাগলামি। হ্যাঁ, এটিকে আপনি হয়তো পাগলামিই বলবেন। কেননা তারা বিয়ের জন্য বেছে নিয়েছেন ২৯৫ ফুট উঁচু স্থান। শুধু তাই নয়, সেখানে ঝুলে ঝুলে বিয়ে করেছেন তারা। আর হ্যাঁ, পুরোহিতকেও কিন্তু ঝুলে ঝুলেই মন্ত্র পড়াতে হয়েছে। এ সম্পর্কে জেহদির ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘আমি আমার বিয়েতে একটু ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে চেয়েছিলাম।’ ট্রেকিং করতে গিয়ে এ দম্পতির প্রথম দেখা হয়। তারা দুজনই ট্রেকিং পছন্দ করেন। সেই থেকেই দড়িতে ঝুলে বিয়ে করার চিন্তা মাথায় আসে তাদের। অবশ্য বিয়ের দিন মারাঠি ঐতিহ্যবাহী বিয়ের পোশাকেই হাজির হয়েছিলেন এ জুটি। এমনকি পুরোহিত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কোমরে নিয়ে দড়িতে ঝুলেছেন। মালা বদল, শুভ দৃষ্টি কোনো কিছুই বাদ যায়নি। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিতে ভুল করেননি তারা। তাদের এ স্মরণীয় মুহূর্ত ফ্রেমবন্দি করতে ফটোগ্রাফারও উপস্থিত ছিল বিয়েতে। সাধারণ বিয়ের মতো এই বিয়ের বিভিন্ন মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে।

পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তপ্ত স্থান আফার!

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: পৃথিবীতে যেমন সবচেয়ে শীতল জায়গা আছে তেমনি সবচেয়ে উত্তপ্ত জায়গায়ও আছে। যেখানে সূর্য এতটাই প্রখর হয়ে তাপ বিকিরিত করে যে দোদুল্যমান মরিচীকা সবসময় চোখে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। পৃথিবী নামক গ্রহে ইথিওপিয়া ডানাকিল ডিপ্রেশন এমনি একটি উত্তপ্ত এবং শুষ্কতম জায়গা যা পৃথিবীর আর কোথাও নেই বললেই চলে। ইথিওপিয়ার আর একটি অঞ্চল যার নাম আফার। এটি উত্তরপূর্ব ইথিওপিয়ার ইরিত্রিয়া সীমানার কাছে অবস্থিত। এখানকার জলবায়ুর বৈরিভাবের কথা বর্ণনার বাইরে। কিন্তু আশ্চর্য হলেও সত্য যেখানে সূর্যের দাপটে একবিন্দু টিকে থাকা সম্ভব না সেখানে বাস করে কিছু অদ্ভুত মানুষ। স্থানীয়দের কাছে যারা আফার জাতিগোষ্ঠি নামে পরিচিত। আফাররা এটাই তাদের আবাসস্থল বলে মনে করেন। আফার পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তপ্ত স্থান। এখানকার তাপমাত্রা সবসময় ৩৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার চেয়ে বেশি। বৃষ্টির দেখা পাওয়া খুবই দূরহ ব্যাপার। এখানে বছরে একবার বৃষ্টি হয়। যার মাত্রা সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়। এটা পৃথিবীর সবচেয়ে নিম্নতম স্থান হিসেবেও বলা হয়ে থাকে যা প্রায় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪১০ ফুট নীচে অবস্থিত। সবকিছু মিলিয়ে এখানকার পরিবেশ মানুষ বসবাসের অনুপযোগী বলে বিবেচনা করা হয়। ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, বহুবছর আগেও এখানকার জলবায়ু মানুষ বসবাসের জন্য যথেষ্ট ছিল না। ভৌগোলিক ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে অনেকের কাছে এই স্থানটি অ্যালিয়ান ল্যান্ড নামে পরিচিত ছিল। কারণ এত উত্তাপের মাঝে এখানে মানুষ বসবাস মোটেও সম্ভব ছিল না। এই স্থানটির চারপাশে ঘুরে বেড়ালে মনে হবে এটা যেন পৃথিবী নয় বরং অন্য কোন গ্রহ। এখানে যে লাভা লেকগুলো আছে তা সবসময় ফুটন্ত অবস্থায় থাকে এবং বিভিন্ন রঙ্গের বিকিরণ সৃষ্টি করে। আফার ট্রাইঅ্যাঙ্গেলের উত্তরাংশই হচ্ছে ডানাকিল ডিপ্রেশন। ভৌগোলিক দিক থেকে দেখলে দেখা যাবে এখানে একটি ত্রিপল জাংশন আছে যা তিনটি টেকটনিক প্লেটস নামে পরিচিত। ডিপ্রেশন সীমানা অতিক্রম করলেই ইরিত্রিয়া, দিবোউতি এবং সবশেষে ইথিওপিয়ার আফার এলাকা। আর এটা বৃহত্তর পশ্চিম আফ্রিকার রিফ্ট (ফাঁটল) উপত্যকারই একটি অংশ। রিফ্ট উপত্যকা এই টেটোনিক প্লেটসকে দূরে সরিয়ে সেখানে নতুন ভূত্বক তৈরি করেছে। আর এই কারণেই এখানে প্রতিবছর এক থেকে দুই সেন্টিমিটার গভীরতার তিনটি ফাটল দেখা দেয়। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, লক্ষ্যবছর পরে এই প্লেটসগুলো দূরে সরে যাবে এবং লবণাক্ত পানির সৃষ্টি হবে যা লোহিত সাগরে ছড়িয়ে পরবে। এই স্থানে একটি নতুন মহাসাগরের দৃশ্যপট হবে যা আগে কেউ কখনো দেখেনি। ডানাকিল ডিপ্রেশনই হবে ওই নতুন মহাসাগরের জন্মস্থান। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় যে, ১৯৭৪ সালে ডোনাল্ড জনসন এবং তার সহকর্মীরা এই স্থানটি খুঁজে পায়। ধারণা করা হয় এই স্থানটিতেই প্রথম প্রাণের জীবাশ্ম পাওয়া যায় সেই সঙ্গে এই স্থানটিকেই মানবতার শৈশবস্থানও বলা হয়ে থাকে। এত বর্ণনার শোনার পর আপনি ভাবতেই পারেন এই জায়গা কোনভাবেই মানুষ বা কোন প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য অসম্ভব। কিন্তু অসম্ভব হলেও সত্য আফার জাতি এখানে দিনের পর দিন বসবাস করে আসছে। যখন সূর্যের প্রখন তাপে বাইরে থেকে যাওয়া কারও প্রাণ ওষ্ঠাগত এমনকি পানির জন্য ছটফট করতে থাকে এমন পরিস্থিতিতে আফারদের দেখায় একদম শীতল ও স্বাচ্ছন্দ্যময়। আর এটার একমাত্র কারণ তারা বহুদিন ধরে এখানে বসবাস করে আসছে। তাদের দেহ এমন বৈরি পরিবশে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিয়েছে। তাই প্রখর গরম হোক আর যাই হোক তারা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে এখানে থাকতে পারে। আফার জনগোষ্ঠির প্রধান জীবিকা নির্ভর করে লবণের উপর। তাদের কাছে লবণ হলো টাকার মতো। তারা বিভিন্ন স্থান থেকে লবণ সংগ্রহ করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে। আর এসব লবণ পরিবহনের জন্য তারা উট ও গাধা ব্যবহার করে। লবণ স্থানীয় বাজারে বিক্রি করার জন্য তারা একসঙ্গে উটের পাল নিয়ে লবণ সংগ্রহ করতে রওয়ানা হয়। আর সঙ্গে নিয়ে নেয় এক সপ্তাহের জন্য রুটি ও পানি। অবশেষে এই বলা যায় আফার জাতি এখানে খুব মৌলিকভাবে জীবনযাপন করে। মূলত তারা এই স্থানের যাযাবর গোষ্ঠি। একজায়গা থেকে অন্য জায়গা জীবিকার সন্ধানে তারা ঘুরে বেড়ায়। সঙ্গে নেয়ার জন্য উট, গাধা, ছাগল ছাড়া আর কোন সম্বলই তাদের নেই বললেই চলে। এই এলাকায় একটি মাত্র নদী আছে যার নাম আওয়াশ। যার পানি খেয়েই তারা বেঁচে থাকে। আওয়াশ হলো পৃথিবীর সব নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম। অন্যতম হওয়ার কারণ হলো এই নদীর পানি কখনোই সমুদ্রে গিয়ে মিলিত হয় না। এটি শুধুমাত্র ইথিওপিয়ার উচ্চভূমিতে প্রবাহিত হয়ে ডানাকিল ডিপ্রেশনের লেকে গিয়ে শেষ হয়। যদিও ডিপ্রেশন একটি শুষ্ক ও অনুর্বর স্থান কিন্তু এই নদীটির জন্যই মূলত এখানে মানুষের বসবাস। দিনের বেলা যত প্রখরই থাকুক না কেন রাতের বেলা নদীর পারের চাঁদের আলো যেন সরাদিনের ক্লান্তি জুরিয়ে দেয়।

প্রধান সংবাদ


সর্বশেষ সংবাদ

বামন বলে কি ভালবাসতে নেই!

মাটির সাথে মিশে যাচ্ছে মহারাজার বাড়ি

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইফতারের আসর মসজিদে নববী

জ্যৈষ্ঠ মাসের এই গরমে রোজা, সুস্থ থাকতে কী খাবেন?

ব্রাজিল সুন্দরীর ফুটবল নৈপুণ্য

খেঁজুরের অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো জেনে নিন

অসহ্য গরম দূর করতে এসি জ্যাকেট!

পানির তলদেশে সন্ধান মিললো মিশরের দুটি শহর

বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজ হারমনি অব দ্য সিস


আজকের সব সংবাদ

সম্পাদক : মো. আলম হোসেন
প্রকাশনায় : এ. লতিফ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
সরদার নিকেতন
হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১১।

ফোন: ০২-৭৪৫১৯৬১
মুঠোফোন: ০১৭৭১৯৬২৩৯৬, ০১৭১৭০৩৪০৯৯
ইমেইল: ekantho24@gmail.com