রবিবার, ২৩ Jul ২০১৭ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৪ English Version

সারাদেশ - ঢাকা বিভাগ

মিরপুরে স্ত্রীকে হত্যা করে এসআইয়ের আত্মহত্যা

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে আবদুস সাত্তার নামে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও তার স্ত্রী সীমা আক্তারের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারনা, পারিবারিক কলহের জেরে আবদুস সাত্তার পিস্তল দিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করে নিজে আত্মহত্যা করতে পারেন। শনিবার রাতে রূপনগর আবাসিক এলাকার ২২ নম্বর সড়কের ৩২ নম্বর বাসা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এসআই সাত্তার ঢাকা মহানগর পুলিশের বাড্ডা থানায় কর্মরত ছিলেন। তার স্ত্রী সীমা আক্তার গৃহিনী ছিলেন। পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আহম্মেদ জানান, পুলিশ কর্মকর্তা সাত্তার এবং তার স্ত্রীর মাথায় গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ থেকে তারা প্রাথমিকভাবে ধারনা করছেন, সাত্তার তার স্ত্রীকে খুন করে নিজে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে তিনি তার নামে বরাদ্দ করা সরকারি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছেন নাকি অন্যকোনো অস্ত্র ব্যবহার করেছেন-তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, নিহত সাত্তারের স্বজনদের কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সাত্তার-সীমা দম্পতির সংসারে পারিবারিক কলহ ছিল। এ কারণেই খুন ও আত্মহত্যার ঘটনাটি ঘটতে পারে। কী নিয়ে পারিবারিক কলহ তা জানার চেষ্টা চলছে। রূপনগর থানার ওসি সহিদ আলম জানান, তারা ধারনা করছেন, ২২ নম্বর রোডের ৩২ নম্বর বাড়ির ষষ্ঠতলায় এসআই সাত্তার তার স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে স্ত্রীকে হত্যা ও আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। বাড্ডা থানার ওসি আব্দুল জলিল জানান, গত ২৫ জুন এসআই সাত্তার বাড্ডা থানায় যোগ দেন। এর কয়েক বছর আগে তিনি এএসআই থেকে এসআই পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন। কি কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে তা তিনি নিশ্চিত নন।

বনানীতে ফের জন্মদিনের কথা বলে অভিনেত্রীকে ধর্ষণ

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: রাজধানীর বনানীতে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে ডেকে নিয়ে এক টেলিভিশন অভিনেত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার রাতের এ ঘটনায় বুধবার মামলা করেছেন ভুক্তভোগী। ধর্ষণে অভিযুক্ত বাহাউদ্দিন ইভান পলাতক। বুধবার রাতে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই অভিনেত্রীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল মতিন জানান, বনানীর দুই নম্বর সড়কে 'ন্যাম ভিলেজ' ভবনের ৫/এ নম্বর ফ্ল্যাটে পরিবারের সঙ্গে থাকে ইভান। তার বাবা বোরহান উদ্দিন বনানীর একটি মার্কেটের কয়েকটি দোকানের মালিক। ইভানের সঙ্গে অভিনেত্রী ওই তরুণীর ফেসবুকে পরিচয় এবং তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। মঙ্গলবার জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে তাকে ন্যাম ভিলেজের ফ্ল্যাটে ডেকে নেয় ইভান। কিন্তু সেখানে গিয়ে তরুণী দেখেন, বাসায় তারা দু'জন ছাড়া আর কেউ নেই। এ নিয়ে আপত্তি করলেও ইভান এটা-সেটা বলে কাটিয়ে দেয়। একপর্যায়ে রাত দেড়টার দিকে ওই বাসার একটি ঘরে তাকে ধর্ষণ করে ইভান। এর পর রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাকে বাসা থেকে বের করে দেয়। বুধবার সকালে বনানী থানায় গিয়ে এ বিষয়ে অভিযোগ জানান তরুণী। বনানী থানা পুলিশ জানায়, ওই তরুণী একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের দীর্ঘ ধারাবাহিকে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেন। ইভান তার বাবার ব্যবসায় সহায়তা করে। এর আগে ২৮ মার্চ বনানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে ডেকে নিয়ে রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত ৬ মে বনানী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন ওই দুই তরুণী। মামলার আসামিরা হলেন- সাফাত আহমদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।

কালিয়াকৈরে অটোচালক হত্যার দায়ে তিনজনের ফাঁসি

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: কালিয়াকৈর উপজেলায় এক অটোরিকশা চালককে হত্যার দায়ে তিনজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন গাজীপুরের একটি আদালত। এ সময় তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আজ বুধবার বেলা ১১টায় গাজীপুরের জেলা জজ এ কে এম এনামুল হক আসামিদের উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন। ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া আসামিরা হলেন- আলমগীর হোসেন, দেলোয়ার হোসেন ও মেহেদী হাসান বাবু। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হারিছ উদ্দিন আহম্মদ মামলার বরাত দিয়ে বলেন, ২০১৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় কালিয়াকৈর থেকে অপহরণ করা অটোরিকশা চালক হায়দার আলীকে। এ সময় তার অটোরিকশাটিও ছিনতাই করা হয়। পরের দিন পাশের এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। হারিছ উদ্দিন আহম্মদ জানান, অপহরণের ঘটনার পর নিহতের ভাই শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় বিচারকাজ শেষে আজ তিনজনের ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেন আদালত। আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন লাবিব উদ্দিন সিদ্দিক।

বিদেশিদের জন্যে ঢাকা দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: কোন দেশে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের জীবনযাত্রার খরচ কেমন, সেই বিচারে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ব্যয়বহুল নগরী। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ‘মার্কার’ তাদের এবছরে জরিপে এই তথ্য দিয়েছে। প্রতি বছর বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল নগরীগুলোর তালিকা প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি। এর আগে গত ২৭ মার্চ ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের এক জরিপে ঢাকাকে সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর বলা হয়েছিল। এবার তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল নগরী এঙ্গোলার রাজধানী লুয়ান্ডা, আর তার পরে আছে যথাক্রমে হংকং, টোকিও, জুরিখ এবং সিঙ্গাপুর। বাংলাদেশের অবস্থান ৩৮। অথচ প্রতিবেশী ভারতের সবচেয়ে ব্যয়বহুল নগরী মুম্বাইর অবস্থান ৫৭-তে। বিদেশীদের জীবনযাত্রার ব্যয়ের বিবেচনায় ঢাকা এমনকি পেছনে ফেলেছে ভারতের মেগাসিটি মুম্বাইকেও। থিংক ট্যাংক সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বিবিসি বাংলাকে বলেন, এটা একটা সাধারণ নাগরিকের কাছে আপাত বিস্ময়ের একটি ব্যাপার হলেও অর্থনৈতিক কিছু সূচক বিশ্লেষণ করলে এটাকে খুব একটা অমূলক মনে হবে না। এখানে নির্দিষ্ট কিছু পণ্য বা সেবা যেটা একজন বিদেশীর নিত্য প্রয়োজন, সেগুলোর অভাব বা দুষ্প্রাপ্যতার কারণেই হয়তো এমনটি ঘটেছে, যে কারণে ঢাকা তুলনামূলকভাবে অন্য অনেক শহরের চাইতে ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ড. মোয়াজ্জেম অর্থনীতির সূত্র উদ্ধৃত করেই বলছেন যে, বাংলাদেশের সীমিত পরিসরের ভিতরে যেভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং একই সাথে মানুষের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে সেই তুলনায় বাসযোগ্য শহর সেভাবে বাড়েনি। সেই ধরণের শহরে যখন সীমিত পরিসরে বিভিন্ন পণ্য বা সেবা দেবার প্রয়োজন পড়ে তখন স্বাভাবিকভাবেই এগুলোর মূল্যে তার একটা প্রতিক্রিয়া ঘটে। ড. মোয়াজ্জেম এখানে আরেকটি ব্যাপারের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। তিনি বলছেন, অন্যান্য শহরগুলোতে যেমন মুম্বইতে বিদেশীদের উপস্থিতির সংখ্যা অনেক বেশী হওয়ায় তাদের চাহিদার এসব বিশেষ পণ্যের প্রাপ্যতা এবং মূল্য স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়। কিন্তু বাংলাদেশের ঢাকায় এখনো এত বেশী সংখ্যক বিদেশীর উপস্থিতি না থাকায় তাদের চাহিদার বিশেষ বিদেশী পণ্য ও সেবা গুন-মান ঠিক রেখে সরবরাহ করতে গেলে দাম অনেক বেড়ে যায়, যার প্রভাব পড়ছে এখানে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয়ে। এর আগে গত ২৭মার্চ ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের জরিপ বলেছিল দক্ষিণ এশিয়ায় ঢাকা সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর। এরপর ব্যয়বহুল শহর হচ্ছে কলম্বো ও কাঠমান্ডু। দক্ষিণ এশিয়ার বিখ্যাত শহরগুলোর মধ্যে ও্ই তালিকায় বিবেচনায় ধরা হয়েছিল নতুন দিল্লি, মুম্বাই, করাচি ও ব্যাঙ্গালুরু। জরিপে বিশ্বের ১৩৩টি শহরে ১৬০টি ভোক্তা পণ্যর বিভিন্ন মূল্য তুলনামূলক যাচাই বাছাই করা হয়। এসব পণ্যের মধ্যে ছিল খাদ্য, পানীয়, কাপড়, ঘরের প্রয়োজনীয় জিনিস, ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় দ্রব্য, বাড়ি ভাড়া, পরিবহন ব্যয়, বেসরকারি স্কুলের খরচ, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ইউটিলিটি বিল,গার্হস্থ্য সহায়তা ও বিনোদনমূলক খরচ ইত্যাদি। এশিয়ায় যখন বেশ কিছু সস্তা শহর রয়েছে তেমনি বিশ্বের ব্যয়বহুল শহর এশিয়ায় যেমন সিঙ্গাপুর, হংকংএর মত শহরগুলো। টোকিও, ওসাকা, সিওল, কাঠমান্ডুর মত শহরগুলোর বিবেচনায় এশিয়ায় ব্যয়বহুল শহর অন্তত ১০টি।

মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের ঢল

মোঃ রুবেল ইসলাম.তাহমিদ মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি॥ ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিনেও শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌ রুটের মুন্সীগঞ্জের লৌহজং ৯ উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের ভিড় লেগে আছে। আজ শনিবার সকাল থেকে শিমুলিয়া ঘাটে লঞ্চ, সিবোট আর ফেরিতে পদ্মা পাড়ি দিয়ে গ্রামের বাড়িতে ছুটছেন হাজার হাজার মানুষ। ফেরিঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় আছে ছোট বড় মিলিয়ে ২ শতাধিক যানবাহন। ছোট গাড়ির সংখাই বেশি। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে গাড়ির সংখ্যা। এদিকে যাত্রীবাহী পরিবহনের পারাপার দ্রত করার জন্য বন্ধ রয়েছে পন্যবাহী ট্রাক পারাপার। বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক খালিদ নেওয়াজ জানান, ৮টি রোরো ফেরি সহ ১৯টি ফেরি দিয়ে গাড়ি ও যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। পন্যবাহী ট্রাক পারাপার বন্ধ রেখে শুধু মাত্র যাত্রীবাহী যানবাহন পার করছি। পদ্মা নদীতে স্রোত থাকায় সময় কিছুটা বেশি সময় লাগছে। আশা করছি বিকেল নাগাদ গাড়ির চাপ কমে আসবে। এদিকে লঞ্চঘাটে ছিল ঘরমুখো মানুষের উপচে পরা ভিড়। শিমুলিয়া ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপ্যাক্টর মো সোলায়মান জানান, এ রুটে ৮৬টি লঞ্চ চলাচল করছে। সকাল দিকেই প্রচন্ড ভিড় থাকে যা বেলা বাড়ার সাথে সাথে কমতে থাকে। অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে যাতে কোন লঞ্চ চলাচল করতে না পারে সে বেপারে আমাদের সতর্ক আছি।

মাদারীপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এঘটনায় আহত হয়েছেন আরো প্রায় ১০ জনের বেশি মানুষ। আজ রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে উপজেলার কামালদি ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে নিহত ও আহতদের পরিচয় জানা যায়নি। রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান এ দুর্ঘটনার খবর জানান। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল থেকে রংপুরগামী বিআরটিসির একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা আম ভর্তি একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরো একজন নিহত হন। আহতদের মাদারীপুর সদর ও রাজৈর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ফের বনানী থেকে চার যুবক নিখোঁজ

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: রাজধানীর বনানী থেকে ফের চার যুবক নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের নিখোঁজের বিষয় জানিয়ে পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে বনানী থানায় জিডি করা হয়েছে। নিখোঁজ যুবকরা হলেন- কামাল হোসেন (২২), ইমাম হোসেন (২৭), হাসান মাহমুদ (২৬) ও তাদের বন্ধু তাওহীদুর রহমান (২৫)। এদের মধ্যে ইমাম হোসেন ও হাসান মাহমুদ ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি থেকে ইলেট্রনিক্স অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করার পর কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স করেন। আর কামাল হোসেন নিউ ইস্কাটন এলাকার দিলু রোডের জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদরাসা থেকে দাওরা হাদিস ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। নিখোঁজ ইমাম, হাসান ও কামাল বনানীর সি-ব্লকের ৪ নম্বর সড়কের ৬৭/এ, মোস্তফা ম্যানসনের ইন্টারকম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ও টেলেক্স লিমিটেড নামের আইটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। আর তাওহীদুর রহমান ওই তিন যুবকের বন্ধু বলে জানা গেছে। তবে তার বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। পুলিশ তাওহীদুরের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে। গত ৩ এবং ৪ জুন তাদের নিখোঁজ বিষয়ে বনানী থানায় পৃথক তিনটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। বনানী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বজলুর রহমান ও সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনটি জিডির দুটি এসআই বজলুর রহমান ও একটি সোহেল রানা তদন্ত করছেন বলে জানান। পুলিশ জানায়, গত ৩ জুন থেকে এই চার যুবক নিখোঁজ হন। তারা সবাই ধর্মীয় ভাবধারার ছিল। একই দিন তাদের নিখোঁজ হওয়াটা রহস্যজনক। আমরা তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ আরও জানায়, নিখোঁজ কামাল কড়াইল বড় মসজিদের মেসে থাকতো। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের উত্তর মতলবের বাড়িবান্দা। তার বাবার নাম আবুল কাশেম। তিন ভাই-বোনের মধ্যে সে সবার বড়। নিখোঁজ অপর যুবক ইমাম হোসেনের বাড়ি তেজগাঁওয়ের মনিপুরীপাড়ায়। তার বাবার নাম বিল্লাল হোসেন। তিনি সৌদি ফেরত প্রবাসী। এছাড়া নিখোঁজ হাসান মহাখালীর ওয়্যারলেস গেট এলাকার একটি বাসায় থাকতো। তার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জে। তবে তাওহীদুরের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারেনি পুলিশ। এসআই সোহেল রানার ভাষ্য, তার বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। যতটুকু জানতে পেরেছি আইটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা নিখোঁজ তিন যুবকের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব রয়েছে। এর আগে গত বছরের ১ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে একসঙ্গে চার যুবক নিখোঁজ হয়েছিলেন। তারা হলেন- সাফায়েত হোসেন, জায়েন হোসেন খান পাভেল, সুজন ও মেহেদী হাওলাদার। এদের মধ্যে সাফায়েত ও পাভেল নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী। গত ১৮ এপ্রিল মেহেদী হাওলাদার এবং ২৮ মে সুজন ও পাভেলকে মাইক্রোবাস থেকে নামিয়ে দিয়ে যায় অজ্ঞাত ব্যক্তিরা।তবে এখনো সাফায়েত হোসেন নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়াও গত বছরের ৩০ নভেম্বর ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানার মাটিকাটা এলাকা থেকে কেয়ার মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ইমরান ফরহাদ ও ৫ ডিসেম্বর বনানী এলাকা থেকে সাঈদ আনোয়ার খান নামে আরও দুই তরুণ নিখোঁজ হন। তাদের সন্ধান এখনো মিলেনি। কে বা কারা এবং কেন তাদের তুলে নিয়েছিল এ বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য মেলেনি।

আশুলিয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী হচ্ছে চানাচুর-বিস্কুট

তুহিন আহামেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক॥ আশুলিয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী হচ্ছে চানাচুর, বিস্কুট, নিমকি, কটকটিসহ শিশুদের নানা মুখরোচক খাদ্য। নোংড়া ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এসব বেকারী খাদ্য তৈরী ও বাজারজাত করা হলেও তদারকি নেই সংশ্লিষ্ট্য কর্তৃপক্ষের। অভিযোগ রয়েছে সাভার উপজেলা সেনেটারী ইন্সপেক্টর এসব বেকারী খাদ্য তৈরীর কারখানা মালিকদের কাছ থেকে মাসুয়ারা নিয়ে থাকেন। ফলে নোংড়া ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী এসব খাদ্য সহসাই করছে বাজারজাত। আশুলিয়ার পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে বড় বড় দোকানে এসব বিস্কুট, চানাচুর, নিমকি ও কটকটি বিক্রি হচ্ছে প্রকাশ্যেই। কিন্তু কখনো কি কেউ ভেবে দেখেছেন এসকল খাদ্যগুলো কোথা থেকে আসছে? কোথায় তৈরী হচ্ছে? কিভাবে-কি দিয়ে তৈরী হচ্ছে এসব খাবার? এসব খাদ্যপণ্যের মান নিয়ন্ত্রন ও যাচাই করার দায়িত্বে যারা আছেন তারা কি তাদের দায়িত্ব পালন করছেন? এক কথায় না। সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউপি’র গণকপাড়া (আমতলা বন্দর) এলাকার সুমন সাহা (বাঁধন), গোবিন্দ সাহা এবং তুষ্ট ঘোষ চানাচুর, নিমকি, কটকটি ও বিস্কুটসহ বিভিন্ন শিশু খাদ্য তৈরী করে বিভিন্ন নামে বাজারজাত করছে। কিন্তু এসব পন্য তৈরী হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে। যা শিশুসহ জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরুপ। স্যাঁতস্যাঁতে নোংরা পরিবেশে ভেজাল ও নিম্ননের উপকরন দিয়ে অবাধে তৈরী করা হচ্ছে এসব বেকারী সামগ্রী। কারখানার ভেতর যেখানে তৈরীকৃত বেকারী খাদ্য রাখা হয়েছে সেখানেই আটা, ময়দার গোডাউন ওমেয়াদোত্তীর্ন পামওয়েল রাখা হয়েছে। এসব পণ্য তৈরী করতে ব্যবহার করা হচ্ছে ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ এবং পাম ওয়েলে। এছাড়া তৈরীকৃত চানাচুর, নিমকি, কটকটি ও বিস্কুটগুলো স্যাতস্যাতে মেঝেতে রাখা হয়েছে। আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নানা ধরনের তৈরী পণ্য। শ্রমিকরা খালি গায়ে ও হাতে এসব পণ্যের কাচামাল বানাচ্ছে এবং খালি পায়ে এসব পণ্যের পাশ দিয়ে হাঁটাহাটি করছে। আটা ময়দা প্রক্রিয়াজাত করানোর কড়াইগুলো ও ডিস (বল) অপরিস্কার ও নোংরা। সেই সাথে খালি গায়ে থাকার ফলে শ্রমিকদের শরীরের ঘাম এসে পড়ছে আটার উপর। মেয়াদোত্তীর্ণ আটা-ময়দা-পাম ওয়েল ও রাসায়নিক পদার্থগুলো মিক্সড করে রাখা পাত্রগুলোতে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছি ভন ভন করছে। উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ন তারিখ ছাড়াই বাহারি রকমের আকর্ষণীয় মোড়কে চানাচুর, বিস্কুট, নিমকি ও কটকটি উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছে। এসব পণ্য তৈরীর কারখানাগুলোর নেই কোন বিএসটিআই এর অনুমোধন। তবে উপজেলা সেনেটারী ইন্সপেক্টর কর্তৃক সাক্ষরিত বাৎসরিক সার্টিফিকেট রয়েছে। এছাড়া রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স। এসবের উপর ভিত্তি করেই তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে আশুলিয়ার শিমুলিয়ার গণকপাড়া (আমতলা বন্দর) এলাকার চানাচুর, বিস্কুট, নিমকি ও কটকটি তৈরীর কারখানাগুলো বসতবাড়ির ভেতরেই। বসতবাড়ির ভেতরেই তারা বছরের পর বছর ধরে এসব অনুমোধনহীন বেকারী খাদ্যের কারখানাগুলো চালানোর পরেও অজ্ঞাত কারণে সংশ্লিষ্ট্য কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এখানকার তৈরীকৃত চানাচুর, নিমকি, বিস্কুট ও কটকটি আশুলিয়ার জিরানী বাজার, শিমুলিয়া, আমতলা বাজার, গোহাইলবাড়ি বাজার সহ বিভিন্ন স্থানে এসব পণ্য বিক্রি করে থাকে। তবে এসব পণ্যের মোড়কের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ এর তারিখ লেখা নেই। কত তারিখে উৎপাদন হয়েছে বা মেয়াদ কবে শেষ হবে তার কোন উল্লেখ নেই। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ভেজাল কেমিক্যাল ও নিম্নমানের উপকরন দিয়ে তৈরী করা এসব খাবার সামগ্রী খেলে মারাত্মক স্বাস্থ্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি হতে পারে। পেটব্যাথা, শরীর দূর্বলসহ জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি রয়েছে। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর এসব ভেজাল খাদ্য উৎপাদন বন্ধ করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার কোন বিকল্প নেই। এব্যাপারে (বাঁধন) চানাচুর, বিস্কুট ও নিমকি এর কর্ণধার সুমন সাহা জানান, দীর্ঘদিন ধরে আমরা এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি, কোন সমস্যা হয়নি। তবে মাঝে মধ্যে উপজেলা সেন্টোরী ইন্সপেক্টর মাঝে মধ্যে আসে দেখে চলে যায়। সুমন সাহা আরো জানান, ‘আপনারা রিপোর্ট করতে আসছেন রিপোর্ট করেন গিয়া। অরকম কত সাংবাদিক দেখলাম। দেড়’শ সাংবাদিকের সাথে আমার চেনা জানা। আপনে রিপোর্ট করেন গা।’ সাভার উপজেলা সেনেটারী ইন্সপেক্টর মো. মোজাম্মেল হোসেন জানান, আশুলিয়ার শিমুলিয়ার গণকপাড়া এলাকার চানাচুর কারখানায় আমি গত বছর গিয়েছিলাম। তখন পরিবেশ ভাল ছিল। কিন্তু এ বছর যাওয়া হয়নি তাই কিছু বলতে পারছিনা। তবে খুব শীগ্রই সেখানে যাব এবং খারাপ অবস্থা থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানীতে নব্য জেএমবির ৬ সদস্য আটক

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকা থেকে নব্য জেএমবির ছয় সদস্যকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপির) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। আজ সোমবার সকালে ডিএমপির উপ-কমিশনার (ডিসি, মিডিয়া) মাসুদুর রহমান এ খবর জানিয়েছেন। তিনি জানান, রবিবার দিবাগত রাতে নিউমার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ বিষয়ে আজ সকাল ১১টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

প্রধান সংবাদ


সর্বশেষ সংবাদ

বাড্ডা থানার ওসিসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীতে মাসিক বেতনে ভাড়াটে চোর

রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির ১১ সদস্য আটক

মুন্সীগঞ্জে আ.লীগের দু'গ্রুপে সংঘর্ষ, নিহত ১

শোরুম খোলার অনুমতি পেলো আপন জুয়েলার্স

রাজধানীতে ১০ অস্ত্র ও গুলিসহ আটক ১

রাজধানীতে জেএমবি’র ৩ সদস্য আটক

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পানির জন্য হাহাকার

সাভারে জঙ্গি আস্তানায় পৌঁছেছে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল


আজকের সব সংবাদ

সম্পাদক : মো. আলম হোসেন
প্রকাশনায় : এ. লতিফ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
সরদার নিকেতন
হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১১।

ফোন: ০২-৭৪৫১৯৬১
মুঠোফোন: ০১৭৭১৯৬২৩৯৬, ০১৭১৭০৩৪০৯৯
ইমেইল: ekantho24@gmail.com