শনিবার, ২২ Jul ২০১৭ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৪ English Version

জাতীয়

রাজধানীর তিন নদীর তীরে হচ্ছে ওয়াকওয়ে, ইকোপার্ক

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: রাজধানী ঢাকার তিনটি নদীর তীরভূমিতে ৫০ কিলোমিটার ওয়াকওয়েসহ নানা অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি সৌন্দর্য ও নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর কাজ শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। ইতিমধ্যেই সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে ওয়াকওয়ের রুট চূড়ান্ত হয়েছে। রুটটি হবে আব্দুল্লাহপুর থেকে ধউর-বিরুলিয়া-গাবতলী-রায়েরবাজার-বাবুবাজার-সদরঘাট-ফতুল্লা-চাষাঢ়া-সাইনবোর্ড-শিমরাইল-পূর্বাচল সড়ক হয়ে তেরমুখ পর্যন্ত। প্রাথমিকভাবে ওয়াকওয়ের সঙ্গে তিনটি ইকোপার্ক, বিনোদনকেন্দ্র, বসার বেঞ্চ, ফুডকোর্ট ও প্রয়োজনীয় টয়লেট নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি সবুজায়নে বৃক্ষরোপণ ও পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে নদীর তীরভূমিতে চারপাশের বাঁধের ওপরে ১০ দশমিক ২৭ কিলোমিটার এবং কলামের ওপর প্রায় ছয় কিলোমিটার মনোমুগ্ধকর ওয়াকওয়ে নির্মিত হবে। বাকি অংশটুকু হবে সাধারণ ওয়াকওয়ে। এ ছাড়া থাকছে প্রায় আধাকিলোমিটার পায়ে হাঁটার দৃষ্টিনন্দন সেতু, ১০০টি সিঁড়ি, ১৯টি জেটি ও ১০ হাজার সীমানা পিলারও। জানা গেছে, প্রকল্পটির আওতায় ঢাকার চারপাশের পরিবেশের উন্নয়ন এবং বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা ও তুরাগ নদীর তীরভূমির সৌন্দর্য বাড়ানোসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এসব তীরভূমির রক্ষণাবেক্ষণে প্রয়োজনীয় জনবলও নিয়োগ করবে সরকার। সূত্র আরো জানায়, প্রকল্প প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করে ইতিমধ্যেই পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আগামী বুধবার প্রকল্পটি নিয়ে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা আহ্বানও করেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ভৌত অবকাঠামো বিভাগ। এ ব্যাপারে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম প্রধান (পরিকল্পনা উইং) এনায়েত হোসেন বলেন, 'ঢাকার চারপাশের ৯১ কিলোমিটার নৌ-রুট তীরবর্তী বিস্তীর্ণ জনপথের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে যা যা করার দরকার, সবই করব। ইতিমধ্যেই নৌ-মন্ত্রণালয় থেকে প্রকল্প চূড়ান্ত করে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছি। আশা করি, দ্রুততম সময়ে এটি অনুমোদন হবে। ' চলতি সময় থেকে ২০২১ সালের জুন মেয়াদে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিএ)। আর সমন্বিতভাবে এ কাজ এগিয়ে নেবে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ।

বেসরকারি হজযাত্রীদের ভিসার আবেদন গ্রহণ শুরু

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের ভিসার আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে আশকোনা হজ অফিস। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সাইফুল ইসলাম (পরিচালক, হজ) স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসন্ন হজে বেসরকারি ব্যবস্থাপনাধীন হজযাত্রীদের ভিসা প্রাপ্তির জন্য হজ অফিস, ঢাকা হতে ডিও গ্রহণ করতে হবে। ভিসাপ্রাপ্তির কমপক্ষে সাতদিন আগে পাসপোর্টেসহ কাগজপত্র জমা দিতে হবে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে পাসপোর্টসহ ডিও এর জন্য আবেদন করতে হবে। ডিও’র জন্য যে সকল কাগজপত্র হজ অফিসে জমা দিতে হবে পাসপোর্টের বারকোড ও এজেন্সির স্টিকার লাগানো, অফসেট পেপারে হজযাত্রীদের দুই সেট তালিকা, পেনড্রাইভে হজযাত্রীদের তালিকা নিয়ে আসা ও ডাটা বেইজের ক্রমিকের সঙ্গে মিল রেখে পাসপোর্ট সিরিয়াল করে জমা দিতে হবে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইসির রোডম্যাপ ঘোষণা

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রোববার বেলা পৌনে ১২টায় আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এ নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়। সাতটি কর্মপরিকল্পনা সামনে রেখে বই আকারে এই রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে ইসি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দেড় বছর আগে এ রোডম্যাপ প্রকাশের পর তা সব রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানোর কথা জানিয়েছে কমিশন। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বলেন, নির্বাচনী রোডম্যাপের এই দলীলই সর্বশেষ নয়। সময় ও বাস্তবতার নিরীখে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে কমিশন কর্মকর্তারা আরো বাস্তবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সময়ের প্রয়োজনে ঘোষিত রোডম্যাপে পরিবর্তন আসতে পারে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের আয়োজনের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ আস্থাশীল। নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে বিদ্যমান আইনেই যথেষ্ট বলেও দাবি করেন সিইসি। ইসি সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্'র সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। দশম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি। সেক্ষেত্রে ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ইসির রোডম্যাপে যে সাতটি কর্মপরিকল্পনা রয়েছে সেগুলো হচ্ছে- আইনি কাঠামোগুলো পর্যালোচনা ও সংস্কার। নির্বাচন প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট সবার পরামর্শ গ্রহণ। সংসদীয় এলাকার নির্বাচনী সীমানা পুনঃনির্ধারণ। নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও সরবরাহ। বিধি অনুসারে ভোট কেন্দ্র স্থাপন। নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন এবং নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নিরীক্ষা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট সবার সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণ। রোডম্যাপ অনুযায়ী, ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে শুরু হবে সংলাপ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে চলবে এ ধারাবাহিক সংলাপ। এছাড়া ৩০০ আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণের কার্যক্রম জুলাইয়ে শুরু হয়ে শেষ হবে ডিসেম্বরে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইন আরপিও ও অন্যান্য আইন এবং বিধিমালা সংশোধন কার্যক্রম জুলাইয়ে শুরু হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আইন সংস্কারের প্রাসঙ্গিক খসড়া প্রস্তুত করা হবে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে আইন প্রণয়নের ব্যবস্থা করবে ইসির আইন অনুবিভাগ ও নির্বাচনী সহায়তা ও সরবরাহ অধিশাখা। নতুন দল নিবন্ধন কার্যক্রম অক্টোবরে শুরু হয়ে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। আগামী বছরের মার্চে নতুন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন শর্তাদি প্রতিপালন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করা হবে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম ২৫ জুলাই থেকে শুরু হয়ে চলবে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সবার সক্ষমতা বাড়াতে জুলাই থেকে ভোট গ্রহণ পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। রোডম্যাপে আগামী নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে জন-আকাঙ্খা পূরণের লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলসহ ছয় ধরনের অংশীজনের সঙ্গে সংলাপ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশের সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া, রাজধানীর মতো বড় শহরের আসন সীমিত করে নির্দিষ্ট করে দেয়া, আরপিও-সীমানা নির্ধারণ অধ্যাদেশ বাংলায় রূপান্তরের প্রস্তাবও থাকছে কর্মপরিকল্পনায়। আইন সংস্কারের বিষয়ে এতে বলা হয়েছে, নির্বাচন পরিচালনায় বিদ্যমান আইন-বিধি প্রয়োগ করে অতীতে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব হয়েছে। এখন আইনি কাঠামোর আমূল সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে ইসি বিবেচনা করে না। তবে পরিবেশ-পরিস্থিতির পরিবর্তনের মুখে এগুলো আরও যুগোপযোগী করার সুযোগ রয়েছে। যাতে ভোট প্রক্রিয়া আরও সহজতর ও অর্থবহ হয়।

ইসির রোডম্যাপ প্রকাশ আজ

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ আজ প্রকাশ করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সাতটি কর্মপরিকল্পনা সামনে রেখে এটি বই আকারে প্রকাশ করার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে কমিশন সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দেড় বছর আগে এ রোডম্যাপ প্রকাশের পর তা সব রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে কমিশন। দশম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি। সেক্ষেত্রে ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ইসির রোডম্যাপে যে সাতটি কর্মপরিকল্পনা রয়েছে সেগুলো হচ্ছে- আইনি কাঠামোগুলো পর্যালোচনা ও সংস্কার। নির্বাচন প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট সবার পরামর্শ গ্রহণ। সংসদীয় এলাকার নির্বাচনী সীমানা পুনঃনির্ধারণ। নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও সরবরাহ। বিধি অনুসারে ভোট কেন্দ্র স্থাপন। নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন এবং নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নিরীক্ষা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট সবার সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণ। রোডম্যাপ অনুযায়ী, ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে শুরু হবে সংলাপ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে চলবে এ ধারাবাহিক সংলাপ। এছাড়া ৩০০ আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণের কার্যক্রম জুলাইয়ে শুরু হয়ে শেষ হবে ডিসেম্বরে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইন আরপিও ও অন্যান্য আইন এবং বিধিমালা সংশোধন কার্যক্রম জুলাইয়ে শুরু হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আইন সংস্কারের প্রাসঙ্গিক খসড়া প্রস্তুত করা হবে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে আইন প্রণয়নের ব্যবস্থা করবে ইসির আইন অনুবিভাগ ও নির্বাচনী সহায়তা ও সরবরাহ অধিশাখা। নতুন দল নিবন্ধন কার্যক্রম অক্টোবরে শুরু হয়ে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। আগামী বছরের মার্চে নতুন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন শর্তাদি প্রতিপালন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করা হবে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম ২৫ জুলাই থেকে শুরু হয়ে চলবে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সবার সক্ষমতা বাড়াতে জুলাই থেকে ভোট গ্রহণ পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। রোডম্যাপে আগামী নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে জন-আকাঙ্খা পূরণের লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলসহ ছয় ধরনের অংশীজনের সঙ্গে সংলাপ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশের সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া, রাজধানীর মতো বড় শহরের আসন সীমিত করে নির্দিষ্ট করে দেয়া, আরপিও-সীমানা নির্ধারণ অধ্যাদেশ বাংলায় রূপান্তরের প্রস্তাবও থাকছে কর্মপরিকল্পনায়। আইন সংস্কারের বিষয়ে এতে বলা হয়েছে, নির্বাচন পরিচালনায় বিদ্যমান আইন-বিধি প্রয়োগ করে অতীতে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব হয়েছে। এখন আইনি কাঠামোর আমূল সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে ইসি বিবেচনা করে না। তবে পরিবেশ-পরিস্থিতির পরিবর্তনের মুখে এগুলো আরও যুগোপযোগী করার সুযোগ রয়েছে। যাতে ভোট প্রক্রিয়া আরও সহজতর ও অর্থবহ হয়।

শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ। ২০০৭ সালের এই দিনে (১৬ জুলাই) তিনি গ্রেফতার হন। এদিন ভোরে র‌্যাব, পুলিশ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা শেখ হাসিনার ধানমন্ডির বাসভবন সুধা সদনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। সেনা সমর্থিত তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুর্নীতি বিরোধী অভিযান চলাকালে দুর্নীতির অভিযোগে বঙ্গবন্ধু কন্যা এবং তৎকালীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাকে নিম্ন আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়ার পর পরই শেখ হাসিনাকে সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে বন্দি রাখা হয়। গ্রেফতারের আগে তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি দুর্নীতির মামলা করা হয়। ওইসব মামলায় দীর্ঘ ১১ মাস তাকে কারাগারে আটক রাখা হয়। ওই বিশেষ কারাগারের পাশেই সংসদ ভবন চত্বরে অস্থায়ী আদালত স্থাপন করে তার বিচার প্রক্রিয়াও শুরু হয়। এদিকে কারাবন্দি অবস্থায় শেখ হাসিনা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। কারাগারের মধ্যেই তার চোখ, কানসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা চলতে থাকে। গ্রেফতার হওয়ার প্রাক্কালে শেখ হাসিনা দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, বর্ষীয়ান রাজনীতিক সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানকে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব দেন। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনার মুক্তি এবং নির্বাচনের দাবিতে সংগঠিত হতে থাকে। সরকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় সংগঠিত, প্রতিবাদ ও ধীরে ধীরে আন্দোলন গড়ে তোলে। দলের সভাপতির অনুপস্থিতি ও প্রতিকূল পরিবেশ-পরিস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমান নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখেন এবং নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। আবার কারাবন্দি অবস্থায় শেখ হাসিনা নিজেও বার বার দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তার আইনজীবী ও চিকিৎসকরা তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাদের মাধ্যমে তিনি দলকে এ ব্যাপারে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে নেতাদের কাছে বার্তা পাঠান। অনেক ক্ষেত্রে বন্দি সভাপতি শেখ হাসিনার পরামর্শ নিয়েই দল পরিচালনা ও বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ সময় কারা অভ্যন্তরে শেখ হাসিনার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি অবস্থার মধ্যে আওয়ামী লীগ ও এর সব সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শ্রেণি-পেশার মানুষের পক্ষ থেকে তাকে বিদেশে পাঠানোর দাবি ওঠে। এক পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে ২০০৮ সালের ১১ জুন ৮ সপ্তাহের জামিনে মুক্তি দেয়া হয় শেখ হাসিনাকে। মুক্তি পেয়েই শেখ হাসিনা চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যান।

ভোটের মালিক জনগণ, তারাই ভোট দিবে : প্রধানমন্ত্রী

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভোটের মালিক জনগণ, তারাই ভোট দিবে। আমরা চাই উন্নতি করে যেতে। যেহেতু আমাদের উন্নয়ন একটি ধারায় যেতে পেরেছে তাই আমরা এত বড় বাজেট দিতে পেরেছি। আজ শনিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণকে দেওয়া ওয়াদা পূরণেই কাজ করে যাচ্ছে সরকার। পৃথিবীর কোথাও এমনটি নেই যে, ১২২ শতাংশ বেতন বাড়ানো হয়েছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর যেভাবে আগুনে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করা হয় সেটা কীভাবে রাজনীতি হতে পারে সেটা আমার কাছে বোধগম্য নয়।

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মাম-খোবার হাইওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহত দুজনের নামই হানিফ। একজনের বাড়ি টাঙ্গাইল, অপরজনের বাড়ি কুমিল্লায়। তারা মেসার্স ফারেস নাজদ কনস্ট্রাকশন নামের একটি কম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তাদের মরদেহ দাম্মাম সেন্ট্রাল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাম্মাম অঞ্চলে দায়িত্বরত বাংলাদেশ দূতাবাসের আইন সহায়তাকারী মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ।

ফরহাদ মজহার স্বেচ্ছায় ঢাকা ছেড়েছেন : আইজিপি

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার অপহরণ ইস্যু নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক বলেছেন, তিনি স্বেচ্ছায় ঢাকা ছেড়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর পুলিশ সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। ফরহাদ মহজার এটা অপহরণ নাটক করেছেন কিনা- সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘আমার ধারণা এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে এটাই ক্লিয়ার। আমাদের ধারণা সরকারকে বিভ্রান্ত করতেই এমন ঘটনা ঘটেছে। উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই (সোমবার) ভোরে শ্যামলীর রিং রোড ১ নং হক গার্ডেনের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ফরহাদ মজহার। পরবর্তীতে তিনি স্ত্রীকে মোবাইলে ফোনে জানান, কে বা কারা তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তাকে মেরেও ফেলা হতে পারে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়বার ফোন করে ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়ে মোবাইল ট্রাকিং করে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। ১৯ ঘণ্টা পর যশোরের অভয়নগরের একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরেরদিন মঙ্গলবার তাকে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তিনি আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দি শেষে আইনজীবীর মাধ্যমে নিজ জিম্মায় যাওয়ার আবেদন করলে আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে ‘নিজ জিম্মায়’ বাসায় ফেরার অনুমতি দেন। আদালত থেকে বাসায় ফেরার পথে অসুস্থতা বোধ করলে তার পরিবার তাকে ঢাকা বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করেন। এখন তিনি সেখােনেই রয়েছেন। এই মামলায় সাক্ষী হিসেবে গত বৃহস্পতিবার আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন খুলনার শিববাড়ি মোড় হানিফ পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার নাজমুল সাদাত সাদি। ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলমের আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ফরহাদ মজহার তার কাছ থেকে গফুর পরিচয়ে বাসের টিকিট কাটেন বেল জানান সাদি।

পশম, পাট ও সুতার তৈরি বস্ত্র প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ও পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত দেশি ভেড়ার পশম, পাট ও সুতার মিশ্রণে তৈরি বস্ত্রসামগ্রী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় প্রাণিসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে দুধ, ডিম ও মাংসের উৎপাদন বাড়ানোর যে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় সমাজভিত্তিক ও বাণিজ্যিক খামারে দেশি ভেড়ার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই প্রযুক্তি দেশে ভেড়ার মাংসের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি ভেড়ার পশম ও পাটের বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করবে। বেসরকারি উদ্যোক্তারাও এক্ষেত্রে এগিয়ে আসবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি

প্রধান সংবাদ


সর্বশেষ সংবাদ

শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি মাইথ্রিপালা সিরিসেনা ঢাকায়

শাহজালালে সিগারেট ও মেমোরি কার্ডসহ আটক ২

শাহজালালে ল্যাপটপ ভেঙে ৯টি স্বর্ণের বার উদ্ধার

আরো ৫৮ শব্দসৈনিককে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি

১৩ জুলাই ঢাকায় আসছেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট

রায়ের পক্ষেই বললেন তিন সংবিধান বিশেষজ্ঞ

সচিব হলেন প্রশাসনের ৯ কর্মকর্তা

মালয়েশিয়া প্রবাসীদের ভাগ্য নির্ধারণে বৈঠক আজ

ভারতের ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ হল


আজকের সব সংবাদ

সম্পাদক : মো. আলম হোসেন
প্রকাশনায় : এ. লতিফ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
সরদার নিকেতন
হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১১।

ফোন: ০২-৭৪৫১৯৬১
মুঠোফোন: ০১৭৭১৯৬২৩৯৬, ০১৭১৭০৩৪০৯৯
ইমেইল: ekantho24@gmail.com