শনিবার, ২২ Jul ২০১৭ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৪ English Version

রাজনীতি

মেয়র মান্নানের দায়িত্ব পালনে আইনী বাধা নেই

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে দায়িত্ব পালনে আর কোনো আইনী বাধা নেই অধ্যাপক এম এ মান্নানের। মেয়র পদ হতে তাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আজ রবিবার প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে এম এ মান্নানের পক্ষে ব্যারিস্টার এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুনানি করেন। প্রসঙ্গত, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র অধ্যাপক এমএ মান্নান ২০১৩ সালের ৬ জুলাই প্রথম মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর গত চার বছরে তিনবার বরখাস্ত এবং ২২ মাস করাভোগ করেছেন। ফলে মেয়র হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছেন মাত্র ১৮ মাস ১৯ দিন। ওই সময়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ৩০টি মামলাও দায়ের করা হয়েছে। ২৮ মাস নগর ভবনের বাইরে থাকার পর গত ১৮ জুন আদালতের নির্দেশে মেয়রের দায়িত্ব নেন তিনি। কিন্তু দায়িত্ব নেয়ার ১৯ দিনের মাথায় গাজীপুর সিটি কপোরেশন নির্বাচনের ৪র্থ বছর পূর্তির দিন ৬ জুলাই ফের অধ্যাপক এমএ মান্নানকে মেয়র পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। দুদকের দায়ের করা একটি মামলায় আদালতে অভিযোগ গৃহীত হওয়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে।

খালেদা-হাসিনা নয়, আইনের শাসন চাইলেন মাহী বি চৌধুরী

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: ‘খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার শাসন চাই না, আমি জনগণের শাসন চাই, আইনের শাসন চাই’ বলে মন্তব্য করেছেন বিকল্পধারার যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী। তিনি বলেন, এ সরকার ভোটবিহীন, প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। তারা আইনের শাসনে বিশ্বাস করে না। সেজন্য সরকারে টিকে থাকতে আজ শক্তি, ক্ষমতা প্রয়োগ করছে। আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত ‘দেশে অব্যাহত গুম-খুন-অপহরণ : শংকিত নাগরিক সমাজ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘আদর্শ নাগরিক আন্দোলন’র ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ও প্রধান আলোচক ছিলেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। মাহী বি চৌধুরী বলেন, ক্ষমতায় টিকে থাকতে মরিয়া আওয়ামী লীগ। বিএনপিও মরিয়া ক্ষমতায় যেতে। ক্ষমতায় না থাকলে যদি গুম-খুনের শিকার হতে হয়, তবে সে রাজনীতি আমাদের বন্ধ করতে হবে। জনগণের শাসন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই এর একমাত্র সঠিক পথ। এ কথা আমি হয়তো আওয়ামী লীগের মঞ্চে বলতে পারতাম না। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে, মন্ত্রীর উল্টাপথে চলা বন্ধ হবে, মন্ত্রীর ভাতিজার টেন্ডারবাজি বন্ধ হবে, ওসি দাবড়ানো, রাতে ছোট দলগুলোর চায়ের দাওয়াতের অনুষ্ঠান পুলিশ দিয়ে পণ্ড করাও বন্ধ হবে। বন্ধ হবে ইলিয়াস আলীসহ সব গুমি, আইভী রহমান ও কিবরিয়া হত্যা বন্ধ হবে। বন্ধ হবে মাজার জিয়ারত না করার অজুহাতে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের মাধ্যমে পদচ্যুত করাও। তিনি আরও বলেন, যে দলে আদর্শ সন্তানের গুরুত্ব রক্তের সম্পর্কের সন্তানের চেয়ে বেশি হবে না, সে দল আইনের শাসনের দল নয়। তাদের দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে না। আদর্শ নাগরিক আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে বৈঠকে বিশেষ অতিথি ছিলেন, গণফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, স্বাধীনতা ফোরামের চেয়ারম্যান আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহ, নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহিল মাসুদ।

বিএনপি জাতীয় নির্বাচনে আসবে : ওবায়দুল

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সদস্য সংগ্রহের নামে বিএনপি জেলায় জেলায় যেভাবে বিশৃঙ্খলা করছে, তাতে দলটির নেতা-কর্মীদের গায়ে কাপড় থাকে না, এগুলো দেখে হাসি পায়। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্পাদকমন্ডলীর সঙ্গে এক জরুরি সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না চাইলেও বিএনপি নির্বাচনে আসবে। বিএনপির রূপকল্প বা ভিশন-২০৩০ মানেই বিভিন্ন জেলায় জেলায় নিজ দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ভীষণ মারামারি। সদস্য সংগ্রহের নামে তারা জেলায় জেলায় যেভাবে বিশৃঙ্খলা করছে, তাতে দলটির নেতা-কর্মীদের গায়ে কাপড় থাকে না, এগুলো দেখে হাসি পায়। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যেসব পদক্ষেপ নেয়া হয়, সেগুলো দেখার পর বিএনপি তা নকল করতে গিয়ে বিপাকে পড়ে। আগামী আগস্ট মাসে শোক কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে নতুন নতুন ধারা তৈরি হবে। গণতন্ত্রের দিক বিবেচনায় এটা চলুক, সেটা আমরাও চাই। শেষ না দেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রবের উত্তরার বাসায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের আনুষ্ঠানিক আলোচনায় গত রাতে পুলিশ বাধা দেয়। এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছি, আ স ম আবদুর রব ভাই আমার নেতা ছিলেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। তাঁর বাসায় উল্টাপাল্টা কিছু ঘটে থাকলে অবশ্যই খবর পেতাম। তেমন কিছু ঘটেনি। গণমাধ্যমের প্রতি, বিশেষ করে প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটি গণতান্ত্রিক দল। আমাদের ঘরোয়া গণতন্ত্র, তর্ক-বিতর্ক বিষয়ে সঠিক তথ্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করুন। এ বিষয়ে দলের মুখপাত্রের সঙ্গে কথা বলে নেয়ার অনুরোধ করে মন্ত্রী বলেন, ‘গঠনমূলক সমালোচনা করলে আমরা দল হিসেবে শুদ্ধ হতে পারি। গণমাধ্যমকে আমরা শত্রু মনে করি না।’ বিএনপি-জামায়াত সরকারের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার কারণে এখনো তাঁর নামাজ পড়তে সমস্যা হয়। অনেকে পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। আইভী রহমানসহ ২৩ জন তো জীবনই দিয়েছেন। এরপর সেই সময়ের সরকার মামলার আলামত নষ্ট করে দিয়ে তথাকথিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত জজ মিয়া নাটক, এফবি আই তদন্ত করতে না দিয়ে সাধু সাজতে চেয়েছিল। সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য চট্টগ্রামে, বরিশালের গৌরনদী, নাটোর, সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন জায়গায় হামলা হয়েছে। কই খালেদা জিয়ার ওপর তো কোনো হামলার কথা শোনা যায়নি।’ সূত্র : পার্সটুডে

অবসরে যাচ্ছেন আল্লামা শফী

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: সব সাংগঠনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম থেকে অবসরে যাচ্ছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফী। কওমি মতাদর্শীদের সর্বোচ্চ এই নেতার অবসরে যাওয়ার ফলে কওমিদের শীর্ষ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। ফলে শীর্ষ পর্যায়ের পরিবর্তন আসছে দেশের আলোচিত সংগঠন হেফাজতে ইসলাম, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বেফাক), সরকারি স্বীকৃতি নেওয়ার জন্য গঠিত কওমি শিক্ষা বোর্ড ‘আল-হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ এবং দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিচালক পদে। বড় এ পরিবর্তনের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে আজ হাটহাজারী মাদ্রাসার শূরা বৈঠকে পরিচালক থেকে অবসরে যাওয়ার ঘোষণা দিতে পারেন আল্লামা শফী। এরপর পর্যায়ক্রমে সব সাংগঠনিক ও প্রাতিষ্ঠানটি পদ থেকে অবসরে যাবেন এই প্রবীণ আলেম। আল্লামা আহমদ শফীর পুত্র, হাটহাজারী মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক ও হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা আনাস মাদানী বলেন, ‘আগামীকাল (আজ) হাটহাজারী মাদ্রাসার শূরা কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। সকাল ৯টার মধ্যে সব শূরা সদস্যকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ওই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসবে।’ নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাটহাজারী মাদ্রাসার এক শিক্ষক বলেন, ‘আল্লামা শফী দীর্ঘদিন ঢাকায় চিকিৎসা নেওয়ার পর সোমবার মাদ্রাসায় আসেন। বার্ধক্যের কারণে তিনি আগের মতো দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না। তাই বেঁচে থাকা অবস্থায় হাটহাজারী মাদ্রাসার দায়িত্ব কাউকে দিয়ে যেতে চান। তাই এ শূরা বৈঠক ডাকা হয়েছে। এ বৈঠকে তিনি হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিচালক পদ থেকেও অবসরে যাওয়া ঘোষণা দেবেন।’ কওমি মতাদর্শী একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হাটহাজারী মাদ্রাসার যিনিই পরিচালক হবেন, তিনিই আল্লামা শফী যেসব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করছেন সেসব পদে অসীন হবেন। দীর্ঘ সময় ধরে হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিচালক আল্লামা শফী দায়িত্ব পালন করেছেন বেফাকের চেয়ারম্যান হিসেবে। তাই যিনিই হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিচালক হবেন তিনিই বেফাকের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। এ ছাড়া যিনি বেফাকের চেয়ারম্যান হবেন তিনিই সরকারি স্বীকৃতি নেওয়ার জন্য গঠিত আল-হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। তাই এ মাদ্রাসার পরিচালক পদে যিনিই আসুন তিনিই বেফাক ও আল-হাইয়াতুল উলইয়ার চেয়ারম্যান হবেন। জানা যায়, হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিচালক হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বর্তমান মুহাদ্দিস ও হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। রয়েছেন আরেক মুহাদ্দিস ও হাটহাজারী মাদ্রাসার সাবেক পরিচালক মাওলানা আবদুল ওহাবের ছেলে মাওলানা আহমদ দিদার, হাটহাজারী মাদ্রাসার ফতোয়া বিভাগের শিক্ষক মুফতি মোহাম্মদ জসিম ও মুফতি নুর আহমদ। এরই মধ্যে মুফতি জসিমের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন আহমদ শফীর পুত্র আনাস মাদানী ও তার অনুসারীরা। আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন আনাসবিরোধী শিবির। হেফাজতে ইসলামের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিচালক করতে চাইছে কওমিদের একটি অংশ। আরেকটা অংশ মাওলানা আহমদ দিদার ও মুফতি জসিমের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। হাটহাজারীর অধিবাসী হওয়ায় পরিচালক পদে দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন মাওলানা দিদার ও মুফতি জসিম। সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন।

রাতে লন্ডনে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আজ শনিবার লন্ডনে যাচ্ছেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ৫৭৮ ফ্লাইটে লন্ডনের উদ্দেশে তার ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগমও যাচ্ছেন। এ ছাড়া দলের বেশ কয়েকজন সিনিয়র ও মধ্যম সাড়ির নেতা লন্ডনে যাচ্ছেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লন্ডনে চোখ ও পায়ের চিকিৎসা করাবেন খালেদা জিয়া। চিকিৎসার পাশাপাশি লন্ডনে অবস্থানরত বড় ছেলে ও দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে বেশ কিছু দিন তিনি অবস্থান করবেন। সূত্র আরো জানায়, বিএনপি চেয়ারপারসনের এবারের সফরও দীর্ঘ হতে পারে। সামনে ঈদুল আজহা, এ ঈদ উদযাপন করে দেশে ফিরতে পারেন তিনি। সর্বশেষ ২০১৫ সালে ১৬ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান। ওই সময়ে লন্ডনে দীর্ঘদিন ধরে অবস্থানরত বড় ছেলে তারেক রহমানসহ তার পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করে দেশে ফিরেন তিনি।

৭ ইউপিতে বিএনপি প্রার্থীর ভোট বর্জন

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ৭ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ করে ভোট বর্জন করেছেন বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) ভোটগ্রহণ শুরুর ৫ ঘণ্টার মাথায় দুপুর ১টার দিকে এ ঘোষণা দেন তারা। বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সাংসদ মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থীদের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের সন্ত্রাসীরা। এছাড়া ব্যালট ছিনিয়ে নিয়ে নৌকা মার্কার পক্ষে সিল মারছে। যে কারণে দলের সিনিয়র নেতাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিএনপি মনোনীত সাত প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন। মেহেন্দিগঞ্জের আন্ধারমানিক ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রহমান, লতা ইউনিয়নে বিএনপির নাজমুল হক তিনু, জয়নগর ইউনিয়নে বিএনপির দুলাল বেপারী, চরএককরিয়া ইউনিয়নে বিএনপির কামাল উদ্দিন আহম্মেদ, গোবিন্দপুর ইউনিয়নে বিএনপির আব্দুল মোতালেব দেওয়ান, আলিমাবাদ ইউনিয়নে বিএনপির মাইনুদ্দিন মৃধা এবং শ্রীপুর ইউনিয়নে বিএনপির কাজী সাখাওয়াত হোসেন রুবেল নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।

রাতে স্থায়ী কমিটির সঙ্গে খালেদার বৈঠক

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাওয়ার আগে দলের নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আজ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি নেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠক হবে। বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দলীয় সূত্র জানায়, আগামী শনিবার বিএনপি নেত্রী লন্ডনে যাবেন। চোখ ও হাটুর চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাচ্ছেন তিনি। লন্ডনে অবস্থানরত তার বড় ছেলে ও দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসায় উঠবেন খালেদা জিয়া। তবে লন্ডন সফর শেষে খালেদা জিয়া কবে নাগাদ দেশে ফিরবেন তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। চিকিৎসা এবং তারেক রহমানের সঙ্গে দলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েই দেশে ফিরবেন বিএনপি নেত্রী। ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়ার লন্ডন সফরকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে মনে করছেন দলে নেতা-কর্মীরা। এতে ভবিষ্যতে দলের গতিপথ, নির্বাচন, সহায়ক সরকার নিয়ে দলের অবস্থানসহ একাধিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে গত বছর ১৫ সেপ্টেম্বর চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন। সেখানে তিনি চোখ ও বাতের চিকিৎসা নেন। দুই মাসের বেশি সময় লন্ডনে অবস্থান শেষে গত বছরের ২১ নভেম্বর দেশে ফেরেন।

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাজবন্দিদের মুক্তি দিতে হবে : দুদু

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: ক্ষমতাসীন দলকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘আপনারা সারাদেশে নৌকা মার্কায় ভোট চাইবেন, আর আমরা কোর্টের বারান্দায় ঘুরব; এটা সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষণ নয়। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে সব রাজবন্দিদের মুক্তি দিতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ বিরোধীদলের সব নেতাকর্মীদের ওপর দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং দেশে ভয়হীন, আতঙ্কমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।’ আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন ফারুকের মুক্তি দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন নামে এক সংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এম জাহাঙ্গীর আলম। মানববন্ধনে দুদু বলেন, ‘দেশের চলমান সংকট নিয়ে আলোচনার দায়িত্ব বিএনপি নেবে না। সময় বেশি দিন নাই, অনতিবিলম্বে দেশের চলমান সংকট নিয়ে বিএনপিসহ সব বিরোধীদলের সঙ্গে আলোচনায় বসুন। এটা ব্যর্থ হলে যে আন্দোলনের ঝড় উঠবে, তাতে আপনারা তছনছ হয়ে যাবেন। এ আন্দোলন ২০১৪ সালের মত নয়, এটি হবে দেশে সত্য প্রতিষ্ঠিত করার আন্দোলন।’ দুদু অভিযোগ করেন, ‘সরকার আবারও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মত একদলীয় নির্বাচনের পাঁয়তারা করছে। খালেদা জিয়াকে প্রতি সপ্তাহে দু’বার কোর্টে নিয়ে কারাগারে নেওয়ার যাবতীয় ব্যবস্থা করছে।’ বিএনপি নির্বাচনে যাবে, তবে কোনো অবস্থাতেই শেখ হাসিনার অধীনে নয়-বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। দুদু বলেন, ‘ক্ষমতাসীন সরকার ব্যাংকের টাকা লুটপাট করছে। যখন যাকে খুশি গুম-অপহরণ করছে। শুধু ঢাকা নয়, সারাদেশ এখন আতঙ্কের দেশে পরিণত হয়েছে। আমরা সংবিধান মানি কিন্তু যে সংবিধান দেশের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পারে না, এমন সংবিধান মানি না। যে সংবিধান ভোটাধিকার নিশ্চিত করবে, আমরা তার পক্ষে দাঁড়াতে চাই।’ মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, স্বাধীনতা অধিকার আন্দোলনের সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনির, এনডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর হোসেন ঈশা, জাতীয়তাবাদী নাগরিক দলের সভাপতি শাহজাদা মো. ওমর ফারুক প্রমুখ।

সবাই সহায়ক সরকার চায় : ফখরুল

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: প্রধানমন্ত্রীর অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না বলেই বিএনপি সহায়ক সরকার চায় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ সোমবার দুপুরে নয়াপল্টনের ভাসানী ভবনে নগর বিএনপি(উত্তর) সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম ২০১৭ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না এই দাবি অতীতে আওয়ামী লীগের ছিল। দেশের রাজনীতিতে সংস্কৃতি চালু হয়ে ছিল যে নির্বাচনকালিন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জনগণ যাকে ইচ্ছে তাকে ভোট দিতে পারতো। কিন্তু এরা (আওয়ামী লীগ) অনির্বাচিতভাবে ক্ষমতায় এসে সেই তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করেছে। তাই সরকারকে বলবো দাম্ভিকতা ও অহংকার ছেড়ে মানুষের কথা চিন্তা ভাবনা করে আলোচনার ব্যবস্থা করুন। কারণ সবাই এখন সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, বিরাজনীতিকরণের মাধ্যমে দেশকে গণতন্ত্র ও রাজনীতির বাইরে নিয়ে যেতে এই সরকার উঠে পড়ে লেগেছে। এদের চরিত্র দ্বিমুখী।মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে আর কাজ করে আরেক। তর্ক-বির্তক-যুক্তি বিশ্বাস করে না, পেশী শক্তি বিশ্বাস করে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমান সর্ম্পকে কটু কথা বলে অথচ জিয়াউর রহমানেই আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন করেছিল। দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য বিএনপির মহাসচিব বলেন, সরকারের প্রধান অস্ত্র হচ্ছে মিথ্যা মামলা। দেশে কোনো সরকার নাই। চলছে একব্যক্তির দুঃশাসন, একব্যক্তির শাসন। এ থেকে বেরিয়ে আসতে সবাইকে রুখে দাড়াতে হবে। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ভয় দেখিয়েও কোনো লাভ নেই। তাই আসুন ঐক্যবদ্ধ। এখনও কোনো ভেদাভেদ নাই। একটাই কাজ এই সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ চুতর্থ সংশোধীনার মাধ্যমে ৭২ এর সংবিধানে বিচারপতি অভিসংশনের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দিয়ে ছিল।

প্রধান সংবাদ


সর্বশেষ সংবাদ

দুর্নীতি মামলা : খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন পেছাল

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ২৫২ জন

জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায় : ফখরুল

রামপালের জন্য ছোট শর্ত দিয়েছে ইউনেস্কো : ওবায়দুল কাদের

খালেদা জিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী মমতাজ না মন্টু?

রাজনীতিবিদরা দেশকে বিপথে নিয়ে যাচ্ছেন : এরশাদ

নতুন সদস্য সংগ্রহে মনোযোগ বিএনপির

আদালতের রায় বিপক্ষে যাওয়ায় ফরহাদ মজহারকে অপহরণ

দেশে ফিরেছেন মির্জা ফখরুল


আজকের সব সংবাদ

সম্পাদক : মো. আলম হোসেন
প্রকাশনায় : এ. লতিফ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
সরদার নিকেতন
হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১১।

ফোন: ০২-৭৪৫১৯৬১
মুঠোফোন: ০১৭৭১৯৬২৩৯৬, ০১৭১৭০৩৪০৯৯
ইমেইল: ekantho24@gmail.com