শনিবার, ২২ Jul ২০১৭ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৪ English Version

সারাদেশ - চট্টগ্রাম বিভাগ - ব্রাহ্মণবাড়ীয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কীটনাশক পানে স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যা!

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: বিয়ের পরও তাদের সম্পর্কের বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি পরিবারের সদস্যরা। তাই শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন দুজন একসঙ্গে। বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়েছে। স্বামী মো. আলম মিয়া (২৫) ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার (১৯) দুজনেই বাঞ্ছারামপুরের বাসিন্দা। আলম মিয়া পেশায় সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালক ছিলেন। আলম মিয়ার চাচা আবুল কাশেম জানান, আলম ও শারমিনের মধ্যে প্রায় পাঁচ বছর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দেড় মাস আগে তারা গোপনে বিয়ে করেন। আলম বউকে নিয়ে বাবার বাড়িতে ওঠেন। কিন্তু তারা শারমিনকে মেনে নিতে পারছিলেন না। তাদের দুজনের সঙ্গে পরিবারের অন্য কেউ তেমন কথাও বলতেন না। এ নিয়ে তারা মানসিক যন্ত্রণায়ও ছিলেন। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়িতে সবার অজান্তে তারা কীটনাশক পান করেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

বাঞ্ছারামপুরে ছয় ইউনিয়নে বিএনপির নির্বাচন বর্জন

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও কারচুপির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের ছয়টি ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাঞ্ছারামপুরে সাবেক সংসদ সদস্য এস এ খালেকের বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই ছয়জন নির্বাচন বর্জন করেন। ওই ছয় ইউনিয়নের প্রার্থীরা হলেন- ছলিমাবাদের বিল্লাল হোসেন, তেজখালীর আবদুর রাজ্জাক, রুপসদীর দেলোয়ার হোসেন, ফরিদাবাদের মো. ছালাউদ্দিন, মানিকপুরের ফজলুল হক ও দরিদাকান্দির আবদুল করিম। সংবাদ সম্মেলনে সাবেক সংসদ সদস্য এস এ খালেক অভিযোগ করে বলেন, সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী এ বি তাজুল ইসলামের নির্দেশে গতকাল সোমবার রাতেই নির্বাচনে কারচুপির সব আয়োজন সম্পন্ন করে রাখে আওয়ামী লীগ। প্রতিটি কেন্দ্রে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দিয়ে প্রকাশ্যে সরকারদলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীদের পক্ষে ভোট দেয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে বিএনপি নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নিখোঁজের একদিন পর ৩ ভাই-বোনের লাশ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :> ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের একদিন পর ৩ ভাই-বোনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে নাসিরনগর উপজেলার বোমালিয়া নদী থেকে তিন শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রতনপুর গ্রামে বোমালিয়া নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হয় ৪ বছরের শিশু বাদশা। এরপর তাকে খুঁজতে গিয়ে বাদশার বড় বোন সুলতানা ও ভাই রাজা। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিল তারা। পরে আজ দুপুরে তাদের লাশ নদীতে ভেসে উঠতে দেখে পুলিশ খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ এসে তিন শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ২০ দিন আগে তাদের ফুপুর বাড়ি নাসিরনগরে বেড়াতে আসে তিন ভাইবোন। তাদের বাবা সাত্তার মিয়া চাকুরীর কারণে সিলেটে এবং মা লেবানন প্রবাসী বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে স্বজনদের দাবি, শত্রুতার জেরে নয় নদীতে গোসল করতে নেমেই মারা গেছে তারা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের ওপর হামলা, আহত ৪

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় একজন উপ-পরিদর্শকসহ ৪ পুলিশ আহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পুলিশ ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গ্রেফতারের ভয়ে অনেকে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। আহতরা হলেন- পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইদ্রিস মিয়া, কনস্টেবল ইব্রাহিম, আযম খান ও ছিদ্দিকুর রহমান। পুলিশ জানায়, আশুগঞ্জ সার কারখানা রোডের একটি চাতালকলে বসে মেঘনা নদীতে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদে সেখানে অভিযান চালাতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় দুজনকে আটক করা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর সার্কেল এএসপি শাহরিয়ার আল মামুন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সার কারখানা এলাকায় অভিযান চালাতে গেলে ১০/১২ জনের সশস্ত্র ডাকাতদল পুলিশের উপর হামলা চালায়। এতে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইদ্রিস মিয়া, কনস্টেবল ইব্রাহিম, আযম খান ও ছিদ্দিকুর রহমান আহত হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রতন মিয়া (৩৫) নামে এক ‘ডাকাত’ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সরাইল থানার ওসি মো. আলী আরশাদ ও এসআই আবদুল আলীমসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে পুলিশ দাবী করেছে। শনিবার মধ্যরাতে সরাইল-নাসিরনগর সড়কের বড্ডাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, চার রাউন্ড কার্তুজ, চারটি বল্লম ও চারটি রামদা উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানায়। নিহত রতন মিয়া উপজেলার চুন্টা উত্তরপাড়া গ্রামের গোলাপ মিয়ার ছেলে। পুলিশ বলছে, শনিবার মধ্যরাতে সরাইল-নাসিরনগর সড়কের বড্ডাপাড়া এলাকায় একদল স্বশস্ত্র ডাকাতদল রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়া পুলিশের একটি টহল গাড়িকে লক্ষ্য করে ডাকাতরা গুলি চালালে পুলিশও নিজেদের ‘আত্মরক্ষার্থে’ পাল্টা গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই ডাকাত দলের সদস্য রতন মিয়া মারা যান।

উত্তপ্ত বি.বাড়িয়া, বুধবার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক::মাদ্রাসা ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ত্রিমুখী সংঘর্ষে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উতপ্ত হয়ে ওঠেছে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকা। সোমবার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদ্রসা ছাত্রের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনার পর আজ মঙ্গলবার ভোরে হাফেজ মাসুদুর রহমান (২০) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু হলে এলাকা আবারো উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে। এর পরিপেক্ষিতে জামিয়া ইউনিছুয়া মাদ্রাসাসহ জেলার শীর্ষস্থানীয় আলেমগণ মাদ্রাসায় বৈঠক করে আগামীকাল বুধবার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেন। মঙ্গলবার ভোরে জেলা সদর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত মাসুদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের ভাদুঘর এলাকার হাফেজ ইলিয়াস মিয়ার ছেলে। তার জানাযা আজ বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। নিহত মাসুদের সহপাঠীরা জানান, সোমবার রাতে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় মাসুদ পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে হাসপাতালে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মাসুদকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল থেকেই শহরের টিএ রোড, হাসপাতাল রোড, কান্দিপাড়ার মোড়সহ বেশ কয়েকটি স্থানে অবরোধ সৃষ্টি করে মাদ্রাসা ছাত্ররা। তারা মঠের গোড়া এলাকায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শহরে চার প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। শহরে বিজিবি মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল নজরুল ইসলাম। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার সহকারী পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ বলেন, বিজিবির পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এর আগে, সোমবার রাতে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের ২০ সদস্যসহ অর্ধশত ব্যক্তি আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েকশ’ রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করেছে। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকশ’ ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটেছে।

বি.বাড়িয়ায় ত্রিমুখী সংঘর্ষে আহত মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ত্রিমুখী সংঘর্ষে আহত হাফেজ মাসুদুর রহমান (২০) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে জেলা সদর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত মাসুদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের ভাদুঘর এলাকার হাফেজ ইলিয়াস মিয়ার ছেলে। নিহত মাসুদের সহপাঠীরা জানান, সোমবার রাতে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় মাসুদ পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে হাসপাতালে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মাসুদকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে পুলিশের গুলিতে মৃত্যুর অভিযোগ অস্বীকার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) তাপস রঞ্জন ঘোষ বলেন, একজন মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যুর খবর আমরা শুনেছি। তবে কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা ডুবে তিনজনের মৃত্যু

ই-কণ্ঠ ডেস্ক:: দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নৌকা ডুবে তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও অন্তত ছয়জন। সরাইল উপজেলার ইউএনও মো. এমরান হোসেন জানান, আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অড়য়াইল ইউনিয়নের ছেত্রা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- অড়য়াইল ইউনিয়নের ডুবাজাইল গ্রামের আবদুল কাহার (৫০), একই গ্রামের ফাতেমা বেগম (৪৫) ও তার মেয়ে শেফালী আক্তার (২)। তবে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ ব্যক্তিদের কোন নাম-পরিচয় জানা যায়নি। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ইউএনও জানান, আজ সকালে উপজেলার অড়য়াইল বাজার থেকে একটি যাত্রীবাহী নৌকা ওই উপজেলার রাণীদিয়া গ্রামে যাচ্ছিল। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছেত্রা নদীতে নৌকাটি ডুবে গিয়ে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পরপরই নদী থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। অনেকে সাঁতরে তীরে ওঠেন। নৌকায় কতজন ছিলেন তা জানা না গেলেও বেলা দেড়টা পর্যন্ত অন্তত ছয়জন নিখোঁজ ছিলেন বলে ইউএনও এমরান জানিয়েছেন।

লিবিয়ায় নিহত মোসলেহ’র বাড়িতে শোকের মাতম

আইএস জঙ্গিদের হাতে লিবিয়ায় নিহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোসলেহ উদ্দিনের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। প্রিয় মানুষের মৃত্যুর খবরে যেন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন স্বজনরা। এখন শুধু প্রিয়জনের লাশ শেষবারের মতো দেখতে চান পরিবারের সদস্যরা। পরিবারে সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে ২০০৮ সালে সুদানে পাড়ি জমান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার মোসলেহ উদ্দিন। পরে ২০১২ সালে লিবিয়া যান তিনি। গত ২১ জুলাই লিবিয়ার একটি শহরে আইএস জঙ্গিদের গুলিতে তিনি নিহত হন বলে দাবি মোসলেহ উদ্দিনের পরিবারের। মৃত্যুর খবরটি তার পরিবার এবং সংবাদ মাধ্যমকে জানান লিবিয়া প্রবাসী রফিক উদ্দিন। এদিকে, এ খবর জানার পর থেকেই দাঁত মণ্ডল গ্রামে চলছে শোকের মাতম। তাদের দাবি, যত দ্রুত সম্ভব মোসলেহ উদ্দিনের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক। এদিকে লাশ দেশে ফিরিয়ে আনতে তার পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলে জানালেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রফিজ মিয়া। গত মঙ্গলবার লিবিয়ার নিয়ার আজ দাবিয়া এলাকায় ঘুরতে যান মোসলেহ উদ্দিনসহ আরো ৩ জন। সেখানে আই এস জঙ্গিদের কবলে পড়েন তারা। সেখান থেকে দ্রুত পালাতে গিয়ে আইএসের গুলিতে দুই যুবক নিহত হন।

প্রধান সংবাদ


সর্বশেষ সংবাদ

আশুগঞ্জে ট্রেনের ৫ বগি লাইনচ্যুত

নাসিরনগরের ইউএনও প্রত্যাহার

তালাবদ্ধ ঘর থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার

উত্যক্ত করায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

রামুতে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

নবাবগঞ্জে একটি বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নৌকা ডুবে নিহত -৩

মাইক্রোবাসের ধাক্কায় অটোরিকশা খাদে, একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ


আজকের সব সংবাদ

সম্পাদক : মো. আলম হোসেন
প্রকাশনায় : এ. লতিফ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
সরদার নিকেতন
হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১১।

ফোন: ০২-৭৪৫১৯৬১
মুঠোফোন: ০১৭৭১৯৬২৩৯৬, ০১৭১৭০৩৪০৯৯
ইমেইল: ekantho24@gmail.com