শনিবার, ২২ Jul ২০১৭ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৪ English Version

সারাদেশ - চট্টগ্রাম বিভাগ - চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে ট্রেনের ধাক্কায় দুই বাসযাত্রী নিহত, আহত ২০

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: চট্টগ্রামের দুই নং গেট এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় একটি যাত্রীবাহী বাস প্রায় দুইশ গজ দূরে গিয়ে ছিটকে পড়েছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত ২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন হাসপাতালে আহত হয়ে ভর্তি আছেন আরও অন্ততপক্ষে ২০ জন যাত্রী। চট্টগ্রাম মেডিকেলে নিহত একজনের নাম বিবি মরিয়ম (৪০), অন্যজনের নাম জানা যায়নি। এখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে আরও ৪ জন। তারা হলেন- রতনা (৩৫), নুমান (৮), নুর নবী (৬০) ও সাজ্জাদ (১২)। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আজ সোমবার বেলা পৌনে ১১ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে থাকা পাচঁলাইশ থানা পুলিশের এসআই মমিনুল ইসলাম জানান, বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। কতজন মারা গেছে এটা এখনও বলা যাচ্ছে না। পরে বিস্তারিত জানানো যাবে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জহির জানান, এখন পর্যন্ত ২ জনকে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেছে। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলেও তিনি জানান।

চট্টগ্রামে দুর্বৃত্তের গুলিতে আ'লীগ কর্মী নিহত

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রচারের সময় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নূর এলাহী জুয়েল (৩২) নামে আওয়ামী লীগের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের সরকারহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নূর এলাহী জুয়েলের বাড়ি ইউনিয়নের মুহুরীহাট এলাকায়। তার বাবার নাম শেখ আহমদ। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হামিদ জানান, বৃহস্পতিবার রাতে মির্জাপুর ইউনিয়নে মোটরসাইকেল করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন জুয়েল। এ সময় দুর্বৃত্তরা সামনের দিক থেকে তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যায়। তার পেছনে থাকা নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। চমেকের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, জুয়েলের বুকে গুলি লেগেছে। রক্তক্ষরণ হয়ে তিনি মারা গেছেন। আগামীকাল শনিবার চতুর্থ ধাপে মির্জাপুর ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এবিষয়ে মির্জাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী নূরুল আফসার বলেন, এ ঘটনার জন্য বিএনপি-জামায়াত দায়ী। অপরদিকে, ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী রহিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

চট্টগ্রামে গণপিটুনিতে তিন ডাকাত নিহত

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবর শাহ থানার উত্তর কাট্টলী বেড়িবাঁধের কুতুববাড়ি এলাকায় গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন তিন ডাকাত নিহত হয়েছে। এ সময় অস্ত্রসহ আরো পাঁচ ডাকাতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে আকবর শাহ থানার ওসি সদীপ কুমার দাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নিহতরা হলেন- সাগর (৩০) ও রাসেল (২০)। নিহত আরেক জনের নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আটক হওয়া পাঁচজন হল- মো. রুবেল (১৮), আলাউদ্দিন (১৭), মনির (১৮), রানা (১৮) এবং রুবেল-২ (১৮)। ওসি বলেন, ‘প্রতিরাতে ডাকাত দল হানা দিচ্ছিল উত্তর কাট্টলী এলাকার বিভিন্ন পাড়ায়। তাই ডাকাত প্রতিরোধে পাহারা দিচ্ছেন এলাকাবাসী। খবর পেয়ে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় আট জনের একটি ডাকাতদলকে ঘেরাও করে ফেলে এলাকাবাসী। এসময় জনতার গণপিটুনিতে তিন ডাকাত ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে আরো পাঁচ ডাকাতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন এলাকাবাসী।’ এ সময় আটক ডাকাতদের কাছ থেকে দুটি দেশীয় তৈরি বন্দুক ও ৪টি ধারালো অস্ত্র (কিরিচ) উদ্ধার করা হয় বলে জানান ওসি। এলাকাবাসীর ভাষ্য, গত এক সপ্তাহে প্রতিরাতে ডাকাত দল হানা দিচ্ছিল তাদের গ্রামে। সাগর পাড় দিয়ে এসে লোকালয়ে হানা দিচ্ছিল ডাকাত দল। গত সপ্তাহে ওই এলাকার তিনটি ঘর ডাকাতি হওয়ার পর আইন-শৃংখলা বাহিনীর কোন সহযোগিতা না পাওয়ায় ডাকাতের ভয়ে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছিলেন তাঁরা।

রাঙ্গুনিয়ায় দুজনকে কুপিয়ে ও গুলি হত্যা

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে দুজনকে কুপিয়ে ও গুলি হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার গভীররাতে উপজেলার পূর্ব সরফভাটা পুদিনা বড় বাড়ি এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ওই দুজনের লাশ উদ্ধার করেছে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ। নিহতরা হলেন- মোহাম্মদ হাশেম (৩২) ও মঞ্জু (২৯)। রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি হুমায়ুন কবির হত্যাকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে রোববার গভীররাতে একই গ্রামের দুজনকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মানুষ মেরে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কেন?

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালি উপজেলায় কয়লাভিত্তিক একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয়রা। জীবন দিলেও বিদ্যুৎ কেন্দ্র হতে দেবেন না, তাদের কথা, এমন হলে স্থানীয়দের পরিবার উচ্ছেদ হবে, ঘটবে পরিবেশের বিপর্যয়। বাঁশখালির গণ্ডামারা ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ঘোনা এলাকায় বাংলাদেশের এস আলম শিল্প গ্রুপের এসএস পাওয়ার লি. এবং চীনের সেপকো ইলেট্রিক পাওয়ার যৌথভাবে ১৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু করে। ২০১৯ সাল নাগাদ এর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা। ২.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই প্রকল্পে ৬০০ একর ভূমি অধিগ্রহণ শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। এই অর্থের মধ্যে ১.৭৫ বিলিয়ন ডলার আসছে চীনা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে। কিন্তু কাজ শুরুর আগেই, গত চার মাস ধরে স্থানীয় লোকজন এর বিরেধিতা করে আসছিলেন। বিশেষ করে লবণ চাষী, কৃষিজীবী এবং জেলেরা এর বিরোধিতায় সেচ্চার হন। ঐ এলাকায় বসবাসরতরা পরিবেশ বিপর্যয়, পেশা হারানো এবং উচ্ছেদ আতঙ্কে প্রবল বিরোধিতা গড়ে তোলেন, যদিও স্থানীয় একটি গোষ্ঠী আকার বিদ্যুৎ প্রকল্পকে সমর্থন করছে কর্মসংস্থান হওয়ার আশায়। সোমবার বিকেলে বিদ্যুৎ প্রকল্প বিরোধীদের প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে ত্রিমূখী সংঘর্ষে মোট চারজন নিহত হন। আহত হন ১৮ জন, যাদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আছেন। ঐ ঘটনায় মঙ্গলবার বাঁশখালি থানায় মোট তিনটি মামলা হয়েছে। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যরাও আহত হয়েছেন।’ পুলিশের এএসআই বাহার মিয়া বাদী হয়ে ৫৭ জনের নাম উল্লেখ এবং তিন হাজার ২০০ জন অজ্ঞাত আসামির নামে একটি মামলা করেন। তিনি বলেন, ‘‘সংঘর্ষে জড়িত এমন তিনজনকে আমরা এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করেছি।’ ওদিকে সংঘর্ষে নিহত আনোয়ার আলীর বড় ভাই বশির আহমেদও ৬ আসামির নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত দেড় হাজার জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। অপর একটি মামলা করেন সংঘর্ষে নিহত জাকের হোসেনের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম। তিনি বাদী হয়ে অজ্ঞাত দেড় হাজার জনকে আসামি করে মামলাটি করেছেন। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বাংলা ভিশনের বাঁশখালী প্রতিনিধি শাহেদা পিয়া জানান, ‘সোমবারের ঘটনার পার এখন প্রকল্প এলাকার পরিবেশ থমথমে। তবে প্রতিবাদীরা আরো সংঘবদ্ধ হয়েছেন। তারা বলছেন, কোনোভাবেই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করতে দেবেন না। তাদের অভিযোগ, এস আলম গ্রুপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয় শিল্প করার কথা বলে কিছু জমি কিনেছিল। তবে তারও পুরো টাকা তারা দেয়নি।’ তিনি জানান, ‘‘স্থানীয়রা অভিযোগ করেন বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে পাঁচ হাজার পরিবার উচ্ছেদ হবে। লবণ চাষী এবং জেলেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। পরিবেশেরও মারাত্মক বিপর্যয় ঘটবে।’ শাহেদা পিয়া জানান, ‘‘তারা অভিযোগ করেছেন যে, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীকে অর্থের বিনিময়ে এস আলম গ্রুপ হাত করেছে। তারাই সোমবার হামলা চালায়।’ এ নিয়ে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘‘বাঁশখালির এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি অনিয়ম এবং অস্বচ্ছতায় ভরা। এখানে পরিবেশ সমীক্ষা করা হয়নি। আর সাধারণ মানুষের কাছে তথ্য গোপন করে কিছু জমি কেনা হয়েছে অথচ প্রকৃত দাম দেয়া হয়নি। শুধু তাই নয়, এখানে সাত হাজার পরিবার উচ্ছেদ হবে অথচ জেলা প্রশাসন সরকারকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বলেছে যে, দেড়শ’ পরিবার উচ্ছেদ হবে।’ তিনি বলেন, ‘‘সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন করতে হবে। বিদ্যুৎ প্রকল্পে সাধারণ মানুষের উপকার হলে তারা তার বিরোধিতা করবেন কেন? মানুষ মেরে এভাবে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা যাবে না।’ আনু মুহাম্মদের কথায়, ‘‘পরিবেশ, জীবিকা, বসতি, পেশা– এগুলো বিবেচনায় না নেয়ায় বাঁশখালিতে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।’এ সব ব্যাপারে জানতে এস আলম গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কাউকে পাওয়া যায়নি। প্রসঙ্গত, পটুয়াখালিতেও চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে আরেকটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি সই হয়। ২০১৯ সাল নাগাদ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু হওয়ার কথা। সেখানেও স্থানীয়দের বিরোধিতা রয়েছে। এছাড়া ভারতের সঙ্গে যৌথ মালিকানায় রামপালে আরো একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে, যার বিরোধিতা করছেন পরিবেশবাদীরা। উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১১ হাজার মেগাওয়াট এবং উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ সাড়ে আট হাজার মেগাওয়াট। প্রতিবছর ১০ শতাংশ বৃদ্ধি অনুসারে ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের বিদ্যুৎ চাহিদা দাঁড়াবে ২৪ হাজার মেগাওয়াটে।

সোহেল হত্যা: সোহানসহ ১৬ ছাত্রকে স্থায়ী বহিষ্কার

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: চট্টগ্রামের প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাছিম আহমেদ সোহেল হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে ইব্রাহীম ওরফে সোহানসহ ১৬ ছাত্রকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে আরও সাত শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে বলে আজ মঙ্গলবার প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আহমদ রাজীব চৌধুরী জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদ প্রশাসনে গত ২৯ মার্চ হওয়া সংঘর্ষের পর তদন্তের প্রেক্ষিতে ১৬ জনকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। “আরও সাত শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কারের পাশাপাশি কেন তাদের স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না তা ১০ এপ্রিলের মধ্যে জানতে চেয়ে নোটিস দেওয়া হয়েছে।” সাজা পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে তিন জন ছাড়া বাকিরা বাণিজ্য অনুষদের শিক্ষার্থী। প্রসঙ্গত, গত ২৯ মার্চ নগরীর ওয়াসার মোড়ে বেসরকারি প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে বিরোধের জের ধরে নাসিম আহমেদ সোহেলকে একদল শিক্ষার্থীর মারধরের মধ্যে তাদের একজনের ছুরিকাঘাতে নিহত হন। পরদিন সোহেলের বাবা আবু তাহের তার ছেলেরই এক সময়ের বন্ধু মো. ইব্রাহীম ওরফে সোহানসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে চকবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন, যাতে অজ্ঞাতনামাদেরও আসামি করা হয়। পরে ভিডিও ফুটেজে সোহানকে ছুরি বের করে সোহেলকে আঘাত করতে দেখা যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

বাঁশখালীতে প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত ৫, আহত ৪৫

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রতিবাদে ১৪৪ ধারা ভেঙে স্থানীয়দের করা মিছিলে গুলি চালিয়েছে পুলিশ। এঘটনায় পাঁচজন নিহত এবং ১৪ জন পুলিশসহ কমপক্ষে ৪৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা গুরুত্বর। বর্তমানে এলাকাটিতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সোমবার বেলা ৩টায় সংঘর্ষ বাধলেও এই উত্তেজনা সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত বিরাজ করে। এদিকে, আন্দোলনকারী গন্ডামারার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী দাবি করেন গ্রামের ৯ জন লোক পুলিশের গুলিতে মারা গেছেন। অবশ্য সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো লাশ পুলিশ উদ্ধার করতে পারেনি। স্থানীয় ইউপি সদস্যরাও পুলিশ কোনো লাশের তথ্য দিতে পারেনি বলে জানিয়েছে। বাঁশখালী হাসপাতালে ১৪ জন পুলিশ, ১জন ব্যাটালিয়ন আনসার ও ৪ জন গ্রামবাসী চিকিৎসা নিয়েছেন। তম্মধ্যে ব্যাটালিয়ন আনসার আবদুল মোতালেব (২৬), গ্রামবাসী আব্দুল খালেক, আহমদ ছগির, জহির ও আহমদ ছগির নামের ৪ জনকে আশংকাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ, গ্রামবাসী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২ এপ্রিল বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় ১ কোটি টাকা চাঁদা দাবিতে বহুমুখী হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এই হামলার প্রেক্ষিতে এস আলমের পক্ষে মামলা দায়ের করে। গত ৩ এপ্রিল রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গন্ডামারা থেকে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। সেই গ্রেপ্তারের প্রেক্ষিতে গন্ডামারার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের ছেড়ে দেয়ার জন্য মুজিব কেল্লা এলাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ করে। এর বিপরীতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শামশুল আলম মাষ্টার একই স্থানে পাল্টা সমাবেশ ডাক দেন। এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মাইকিং করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. শামসুজ্জামান মুজিব কেল্লা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন। সোমবার বেলা ৩টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বাঁশখালী থানার ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে ১৪৪ ধারা জানানোর জন্য গেলে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুঁড়লে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এই গুলির আওয়াজে ঘটনাস্থল থেকে দুই কিলোমিটার দূরে গন্ডামারা ব্রিজ এলাকায় পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট পিছু হটে। এদিকে, এ ঘটনায় চারদিকে গুজব রটে যায় পুলিশের গুলিতে অন্তত ২০ জন মারা গেছে। এর পর ঘটনাস্থলে সাতকানিয়া সার্কেল এ এসপি এ কে এম এমরান ভূঁইয়া অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে উপস্থিত হয়।

প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দুটি পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

অনলাইন ডেস্ক :> চট্টগ্রামের প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে পরস্পরবিরোধী দুটি পক্ষের সংঘর্ষে নাছিম আহমেদ সোহেল নামে এক শিক্ষার্থী মারা গেছেন। এ সময় সংঘর্ষে আহত হয়েছে আরো চার শিক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়টির নগরীর বিবিএ ওয়াসা ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রবর্তক ক্যাম্পাস ভাঙচুর করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, আগামী ৩১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩ তম র‍্যাগ ডে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এ আয়োজনকে সামনে রেখে বেশ কিছুদিন ধরে বিবিএ ওয়াসা ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের দুটি পক্ষের মধ্যে বিবাদ চলছিল। এ থেকেই অসন্তোষের সৃষ্টি। এর জের ধরে আজ দুপুরে শিক্ষার্থীদের দুটি পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রতিপক্ষ এমবিএ শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী নাছিম আহমেদ সোহেলকে ছুরিকাঘাত করে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সোহেল মারা যান। সোহেলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবর্তক ও ওয়াসা ক্যাম্পাস ভাঙচুর করেছে। এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা যানবাহন, বিভিন্ন ভবনের জানালা ও মূল্যবান জিনিস ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন বলেন, এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের অবরোধ সরিয়ে নিয়েছে। প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়টি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন হলেও উচ্চ আদালতের রায় নিয়ে সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী তা পরিচালনা করছেন।

চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোড়ারগঞ্জ থানার তিতাবটগাছ নামক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও দুই ছেলেসহ একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ রবিবার ভোর ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মা ও দুই ছেলে। তাদের তিনজনের বাড়ি মহাজনহাট নামক স্থানে। তবে প্রাথমিকভাবে তাদের নাম জানা যায়নি। তারা ঢাকা থেকে বারৈয়ারহাট নেমে সিএনজিযোগে বাড়িতে ফিরছিলেন। হঠাৎ বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি পিকআপ সিএনজিকে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলে দুইজন ও একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

প্রধান সংবাদ


সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রামে হিমেল হত্যার দায়ে ছয় জনকে মৃত্যুদণ্ড

পুলিশের বিরুদ্ধে এবার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ

চট্টগ্রামে ১০ লাখ পিস ইয়াবাসহ ৮ জনকে আটক

টেকনাফে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় সংঘর্ষে নিহত -১

চট্টগ্রামের ১০ পৌরসভায় পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি

সাতকানিয়ায় ভোটকেন্দ্রে গোলাগুলি: যুবদলকর্মী নিহত

রাউজানে ১৯ কেন্দ্রে ধানের শীর্ষের এজেন্টদের বের করে দিয়েছে সরকার দলীয় ক্যাডাররা

চট্টগ্রামে অস্ত্র-গুলিসহ তিন জেএমবি গ্রেপ্তার


আজকের সব সংবাদ

সম্পাদক : মো. আলম হোসেন
প্রকাশনায় : এ. লতিফ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
সরদার নিকেতন
হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১১।

ফোন: ০২-৭৪৫১৯৬১
মুঠোফোন: ০১৭৭১৯৬২৩৯৬, ০১৭১৭০৩৪০৯৯
ইমেইল: ekantho24@gmail.com