রবিবার, ২৩ Jul ২০১৭ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৪ English Version

সারাদেশ - চট্টগ্রাম বিভাগ - কক্সবাজার

কক্সবাজারে ইউপি আ’লীগের সভাপতিকে গুলি করে হত্যা

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: কক্সবাজারের মহেশখালীর কুতুবজুম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য (মেম্বার) আব্দুল গফুর ওরফে নাগু মেম্বারকে গুলি করে হত্যা করেছে জলদস্যুরা। প‍ূর্ব শত্রুতার জের ধরে রোববার দিনগত রাত ১০টার দিকে সোনাদিয়া পূর্বপাড়া মসজিদ থেকে তারাবিহ’র নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে তাকে গুলি করা হয়। তাৎক্ষণাৎ তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলেও রাত সাড়ে ১২টার দিকে মৃত্যু হয় তার। নিহত আব্দুল গফুর ওই ইউপির ২নং ওয়ার্ডের চারবারের নির্বাচিত সদস্য। তার চাচাতো ভাই জাফর আলম জানান, নাগু মেম্বারের ভাতিজা সরওয়ার ওরফে বতৈল্লার নেতৃত্বে একদল চিহ্নিত জলদস্যু তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা প্রথমে নাগু মেম্বারকে পেছন থেকে গুলি করে। এরপর কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী তাকে আহতাবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। পুলিশ সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে নাগু মেম্বারের সঙ্গে তার দুই জলদস্যু ভাতিজা মোকারম জাম্বু ও সরওয়ারের বিরোধ চলছিল। সাগরে আধিপত্য বিস্তার ও পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে এই বিরোধ চলছিল। একসময় নাগু মেম্বারও জলদস্যু ছিলেন। কিন্তু বছরতিনেক আগে তিনি দস্যুতা ছেড়ে দেন। এরপর থেকে দস্যুতা রোধে তিনি পুলিশকে সহযোগিতা করে আসছিলেন। এরই জের ধরে তাকে খুন করা হল। কুতুবজুম ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন খোকন জানান, পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই দুর্বৃত্তরা নাগু মেম্বারকে হত্যা করেছে। মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল চন্দ্র বণিক জানান, নিহত ব্যক্তির মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।

রামুতে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানকে হত্যাচেষ্টা, ২ চৌকিদার আহত, আটক ১

খালেদ হোসেন টাপু, রামু প্রতিনিধি ॥ কক্সবাজারের রামু উপজেলার রশিদ নগর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এমডি শাহ আলমকে হত্যাচেষ্টা ও দুই চৌকিদারকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় শহীদুল ইসলাম (৩২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার রশিদ নগর ইউনিয়নের মামুন মিয়ার বাজারে ঘটনাটি ঘটে। এ সময় তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে শহীদুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ। আটক শহীদুল ইসলাম উপজেলার রশিদ নগর ইউনিয়নের হরিতলা এলাকার মৃত জালাল আহাম্মদের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে শহীদুলের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা চেয়ারম্যানকে হত্যার উদ্দেশ্যে মামুন মিয়ার বাজার এলাকায় মহড়া দিতে থাকে। খবর পেয়ে চৌকিদার মো. আব্দুল মোতালেব (২৮) ও দফাদার ছৈয়দ নুর (৫০) সেখানে উপস্থিত হলে কিছু বুঝে উঠার আগেই তাদের উপর ফিল্মি স্টাইলে হামলা চালানো হয়। আহতদেরকে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় রামু থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। রশিদ নগর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এমডি শাহ আলম জানান, নির্বাচনের আগে থেকেই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী শহীদুলের নেতৃত্বে তার সহযোগিরা তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। এরই সূত্র ধরে মঙ্গলবার মামুন মিয়ার বাজারে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নেয়। রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে শহীদু নামে যুবককে আটক করা হয়। ঘটনার সাথে জড়িত এমদাদুল হক কাদেরি, ওসমানসহ অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রামুতে নিম্নমানের ওষুধে সয়লাব, খবর নেই সংশ্লিষ্টদের

খালেদ হোসেন টাপু, রামু প্রতিনিধি ॥ কক্সবাজারের রামু উপজেলা জুড়ে নিম্নমানের ওষুধে সয়লাব বিভিন্ন ষ্টেশন ও হাট বাজারে। আইনের তোয়াক্কা না করে এসব ওষুধ বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সব নিম্নমানের ওষুধ বিক্রির কারণে প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতারা। উপজেলার ফতেখাঁরকুল, চাকমারকুল, কাউয়ারখোপ, কচ্ছপিয়া, গর্জনিয়া, রাজারকুল, খুনিয়া পালং, দক্ষিণ মিঠাছড়ি, জোয়ারিয়ানালা, ঈদগড়, রশিদ নগর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্টেশনের ফার্মেসীগুলোতে চেম্বার করে আসছেন ডাক্তাররা। ওই সব ফার্মেসীগুলোতে নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি করে ক্রেতাদের প্রতারিত করে প্রতিদিন মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে রামু উপজেলার চৌমুহনী ষ্টেশন, চেরংঘাটা, ফকিরা বাজার, তেমুহনী, বাইপাস, হাসপাতাল গেটসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠছে ফার্মেসী। এ সব ফার্মেসীর মালিক অতিরিক্ত মুনাফার আশায় নিুমানের কোম্পানীর ওষুধ বিক্রি করে আসছে। চৌমুহনী ষ্টেশনে এমন ডাক্তারও রয়েছেন তাঁর প্রেসক্রিপশন বা চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্রে লেখা কারও বুঝার সাধ্য নেই। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কয়েকটি ফার্মেসীতে নিুমানের কোম্পানীর ওষুধ ছাড়া আর কোন ঔষধ বিক্রি হয় না। চিকিৎসক হয়ে নিুমানের ওষুধ ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কারণে এসব অবৈধ ব্যবসা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, হাসপাতালের ডাক্তারের অভিযোগ আমরা যে ওষুধ লিখি দোকানদার সে ঔষধ দিতে চায় না। তারা নিুমানের কোম্পানির ওষুধ বিক্রি করে থাকে। আবার দোকানদার রোগীকে বলে ডাক্তার কে যে কোম্পানি টাকা বেশি দেয় তারা সে কোম্পানির ঔষধ লিখে। তাহলে আমরা সাধারণ রোগীর কি হবে? খোদ ব্যবসায়ীরাই বলছেন, বাজারে বিক্রি হওয়া ওষুধের এক তৃতীয়াংশই মানসম্মত নয়। ওষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের দূর্নীতি ও অবহেলাই এজন্য দায়ী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিদিন এসব ফার্মেসিতে বিক্রি হচ্ছে হাজার হাজার টাকার ওষুধ। বিভিন্ন জটিল ও কঠিন অসুখ নিয়ে রোগীরা আসছেন ওষুধ কিনতে। কিন্তু তারা জানেন না, দাম দিয়ে কেনা এসব ওষুধ আদৌ মানসম্মত কি না। এদিকে, রামু উপজেলার মেইন রাস্তা, প্রধান ষ্টেশন উপ-ষ্টেশন বিভিন্ন বাজারে দৃষ্টিনন্দন সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে হাতুড়ে ডাক্তাররা রোগীদেরকে নিুমানের ওষধ বিক্রি করে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে একদিকে প্রতারিত হচ্ছেন চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীরা, সাথে সাথে রোগের ক্ষেত্রে ভুল ওষুধ নির্বাচনের কারনে রোগ সারা তো দুরের কথা আরো জটিল আকার ধারণ করছে। এগুলো অহরহ ঘটলেও হাতুড়ে ডাক্তারদের হাতে সর্বশান্ত হওয়া রোগীরা পরবর্তীতে চিকিৎসার পয়সা জোগাড় করতে না পেরে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যু দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে রেজিষ্টার ডাক্তাররা (এমবিবিএস) চেম্বারে রোগী দেখাতে গেলে দেখা যায় চেম্বারের সামনে ওষুধ রিপ্রেজেনটেটিভদের দীর্ঘ মোটর সাইকেলের লাইন। কে কার আগে ডাক্তার ভিজিট করে বিনামূলে ওষুধ প্রদান করে তার কাঙ্খিত ওষুধটি যেন ডাক্তার লিখে তার অনুরোধ জানাতে দেখা যায়। এই সব রিপ্রেজেনটেটিভদের অত্যাচারে ওষুধের দোকানে ওষুধ কেনা দুরূহ হয়ে পড়েছে। ওষুধের দোকানে ওষুধ কিনতে গেলে তারা হাতে থাকা প্রেসক্রিপশনটি কেড়ে নিয়ে দেখতে শুরু করে তার ওষুধটি লিখেছে কিনা। উপজেলা সদরে এমন কোন ফার্মেসী নেই যেখানে সকাল থেকে সন্ধ্যা ওষুধ রিপ্রেজেনটেটিভদের অত্যাচারে দুরূহ হয়ে পড়েছে। কম করে হলেও শতাধিক ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেনটেটিভদের পদচারনায় রামুর প্রতিটি সড়ক মুখরিত হয়ে ওঠে। বিভিন্ন ডাক্তার ডাক্তারি মহান পেশাকে সেবার মাধ্যমে রোগীদের পাশে থেকে সঠিক ওষুধ নির্বাচন করে কোম্পানীর দেয়া লোভনীয় জিনিসপত্র এমনকি প্রস্তাবের দিকে ঝুঁকে না পড়ে স্বাস্থ্যসেবার মান আরো উন্নত করার জন্য ভুক্তভোগী মহল জোর দাবি জানিয়েছে।

রামুর ৬ ইউপিতে ভোটগ্রহন শনিবার

খালেদ হোসেন টাপু, রামু প্রতিনিধি ॥ কক্সবাজারের রামু উপজেলার বাকি ৬ ইউনিয়নে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল শনিবার। ৬ষ্ঠ ও শেষ ধাপেউপজেলার ফতেখাঁরকুল সদর, রাজারকুল, চাকমারকুল, দক্ষিণ মিঠাছড়ি, খুনিয়া পালং ও জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এসব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২৯ জন,সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৫৯ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ২১২জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন। ইতোমধ্যে এসব প্রার্থীরা ভোটারদের মন জয় করতে নানান প্রতিশ্রুতি ও প্রচার প্রচারণায় ব্যস্থ সময় পার করেছেন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত ছিল প্রচার-প্রচারণার শেষ সময়। এদিকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বেগম সেলিনা কাজী বলেন, সুষ্ট ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহন সম্পন্ন করতে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সাধারণ ভোটারদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া হবে। কোন অবস্থাতেই ব্যালেট বক্স ছিনতাই, জালভোট প্রয়োগ, ভোট কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করতে করতে দেওয়া হবে না। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের প্রস্তুতি রয়েছে। রামু উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ বেদারুল হোসেন জানান, ছয়টি ইউনিয়নের ৫৪টি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলবে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণনের জন্য ৫৪ জন প্রিজাডিং অফিসার, ২৬৬ জন সহকারী প্রিজাডিং অফিসার ও ৫৩২ জন পোলিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ফতেখাঁরকুল সদর ইউনিয়নে ১৯ হাজার, ৯৪৪ জন, জোয়ারিয়ানালায় ১৬ হাজার ৪৫৮ জন, রাজারকুলে ১১ হাজার ৭৩০ জন, দক্ষিণ মিঠাছড়িতে ১৪ হাজার ১১৯জন, খুনিয়া পালংয়ে ১৯ হাজার ৯০৮ জন, চাকমারকুলে ৯ হাজার ৭২৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। রামু থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন, সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন করার জন্য আইন শৃংখলা বাহিনীর যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে। ওইদিন পুলিশের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে।

কক্সবাজারে বাস ও অটোরিকশা সংঘর্ষ : আইনজীবীসহ নিহত ২

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: কক্সবাজারের লিঙ্ক রোডে যাত্রীবাহী বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে আইনজীবীসহ দুজন নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লিঙ্ক রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, সৌদিয়া পরিবহনের একটি বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে কক্সবাজার বারের আইনজীবী হুমায়ুন নিহত হন। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে তিন অটোরিকশার যাত্রীকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একজনের মৃত্যু হয়। তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহত শাহাবউদ্দিন (২৮) ও মুফিজুর রহমানকে (৩২) কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতদেহ দুটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

টেকনাফে আনসার ক্যাম্পে দুর্বৃত্তদের হামলা, কমান্ডার নিহত

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: কক্সবাজারের টেকনাফে মুচনী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আনসার ব্যারাকে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তাদের প্রতিহত করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন এক আনসার কমান্ডার। এ সময় আনসারদের ব্যবহৃত ১১টি অস্ত্র লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম আলী হোসেন (৫৫)। তিনি টাঙ্গাইলের শফিপুর এলাকার মৃত শুক্কুর আলীর ছেলে। পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে মুচনী রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাহাড়ের কাছে সি ও ডি ব্লকে অবস্থিত শালবাগান আনসার ক্যম্পে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে আনসার ক্যাম্পের দায়িত্বরত কমান্ডার আলী হোসেন আহত হন। তাকে উদ্ধার করে ক্যাম্প হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা আনসার ব্যারাক থেকে ১১টি অস্ত্র লুট করে নিয়ে গেছে। শরণার্থী ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ মোহাম্মদ কাসেম আনসার সদস্য নিহত এবং ১১টি অস্ত্র লুটের কথা স্বীকার করে বলেন, খবর পেয়ে অস্ত্র উদ্ধার ও দুর্বৃত্তদের আটক করতে পুলিশ-বিজিবি আক্রান্ত ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ে অভিযান চালাচ্ছেন। টেকনাফ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মজিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা। দুর্বৃত্তদের আটক করতে পুলিশ-বিজিবি যৌথ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

হুমকির মুখে রামুর প্রাচীন দংদীঘি

খালেদ হোসেন টাপু, রামু প্রতিনিধি ॥ কক্সবাজারের রামু উপজেলায় ময়লা আবর্জনা ফেলার কারনে হুমকির মুখে পড়েছে শত বছরের প্রাচীন দংদীঘি। দীর্ঘ বছর ধরে দংদীঘির চারপাশে অবস্থিত ফিলিং ষ্টেশন, মুদি ও হোটেলসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ময়লা অবর্জনা ফেলার কারনে দীঘির ছোট বড় মাছ মরে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। এছাড়া দিনের পর দিন দীঘির পাড়ে ব্যাঙের ছাতার মত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠায় সৌন্দর্য হারিয়েছে ঐতিহ্যবাহী দংদীঘি। জানা গেছে, বিশাল জমি জুড়ে এ দীঘির ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বে থাকা লোকজন এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের বিভিন্ন সময় দীঘিতে ময়লা আবর্জনা না ফেলার জন্য অনুরোধ করলেও মানছেন না ব্যবসায়িরা; এমনই অভিযোগ করলেন স্থানীয় বাসিন্দা ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম বাবুন। তিনি জানান, এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী এ দীঘির পানি বাড়ির রান্না-বান্নার কাজে ব্যবহার ও গোসল করাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় গৃহস্থলি কাজে ব্যবহার করে আসছেন এলাকার শত শত মানুষ। দংদীঘিতে রীতিমত ময়লা আবর্জনা ফেলার কারনে দীঘির পানি মারাত্মক ভাবে দূষিত হওয়ায় বিভিন্ন রোগব্যধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। এরই ফলে দীঘিতে চাষ করা লক্ষাধিক টাকার মাছও মারা যায় বলে জানান রাশেদুল ইসলাম বাবুন। এদিকে, দংদীঘির ঐতিহ্য ধরে রাখা, মানুষের স্বাস্থ্যহানী রোধ ও পরিবেশ রক্ষায় দংদীঘিতে ময়লা ফেলা বন্ধ করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

কক্সবাজারে ২৬ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১

অনলাইন ডেস্ক :> কক্সবাজার বিমানবন্দরে ২৬ হাজার ইয়াবাসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তি নিজেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রাণালয়ের উপসচিব দাবি করলেও পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন, ইয়াবা পাচারের সুবিধা নিতে তিনি ভুয়া পরিচয় দিয়েছেন। বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিটে ৪ জন যাত্রী নিয়ে নভো এয়ারের একটি ফ্লাইট ঢাকায় আসার কথা ছিল। ফ্লাইট ছাড়ার আগে স্ক্যানিং সময়ের ওই যাত্রীর সঙ্গে থাকা ব্যাগে ইয়াবা শনাক্ত হয়। এ সময় সেই ব্যক্তি নিজের নাম খোরশেদ আলম এবং পদবি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব বলে দাবি করেন। একটি ভিজিটিং কার্ডও দেখান। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ভুয়া পরিচয় দেয়ার কথা স্বীকার করেন তিনি।

কক্সবাজারে বিজিবি কর্তৃক মাদকদ্রব্য ধ্বংস

কক্সবাজার প্রতিনিধি :: কক্সবাজারের টেকনাফে ‘৪২ কোটি ৫৫ লক্ষ ২৪ হাজার ৮৩৬ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বিজিবি (২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ান)। আজ বরিবার দুপুরে বিজিবি কর্ণেল মোঃ তানভীর আলম খাঁন’ এর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে বর্ডার গার্ড কার্যালয়ের সম্মুখে এসব মাদক ধ্বংস করা হয়। চলতি বছরের ১ ফ্রেরুয়ারী থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত মালিকবিহীন জব্দকৃত এসব মাদকের মধ্যে ছিল, ইয়াবা, বিভিন্ন বোতল জাতীয় মদ, ফেন্সিডিল, বিয়ার, গাঁজা, চোলাইমদ ও মিয়ানমারের সিগারেট।

প্রধান সংবাদ


সর্বশেষ সংবাদ

কক্সবাজারে বিমানের নিখোঁজ দুই আরোহীর লাশ উদ্ধার

মহেশখালীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সন্দেহভাজন ডাকাত নিহত

কক্সবাজারে বোনকে হত্যার দায়ে ভাইয়ের ফাঁসি

কক্সবাজারে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ছাত্রলীগ নেতা নিহত

অবশেষে মালয়েশিয়া থেকে লাশ হয়ে ফিরছেন নজরুল

এবার কক্সবাজারে পুলিশ চেকপোস্টের পাশে দুই লাশ

টেকনাফে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

অপহৃত কিশোরী উদ্ধারে পুলিশের মুক্তিপন দাবি!

প্রধানমন্ত্রী ছাড়া দেশের কোন মন্ত্রীই সফল নয়- ওবাইদুল কাদের


আজকের সব সংবাদ

সম্পাদক : মো. আলম হোসেন
প্রকাশনায় : এ. লতিফ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
সরদার নিকেতন
হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১১।

ফোন: ০২-৭৪৫১৯৬১
মুঠোফোন: ০১৭৭১৯৬২৩৯৬, ০১৭১৭০৩৪০৯৯
ইমেইল: ekantho24@gmail.com