রবিবার, ২৩ Jul ২০১৭ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৪ English Version

সারাদেশ - চট্টগ্রাম বিভাগ - নোয়াখালী

নোয়াখালীতে গুলিবিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী মো: ইয়াসিন মারা গেছে

নোয়াখালীত প্রতিনিধি :> নোয়াখালীতে সন্ত্রাসীর গুলিতে আহত ছাত্রলীগ কর্মী মো: ইয়াসিন ঢাকা মেডিকলে কলেজ হাসপাতালের মরা গেছেন। এই ঘটনায় এনিয়ে গুলিবিদ্ধ ৩ জনেরই মৃত্যু হলো। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, গত সোমবার অনন্তপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কুদরত উল্লার ছেলে সন্ত্রাসী সাজু কথাকাটাকাটির জের ধরে ছাত্রলীগ নেতা রাজিব, ওয়াসিম ও ইয়াসিনকে গুলি করে । চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত দুই দিনে রাজিব ও ওয়াসিমের মৃত্যু হয় আর আজ ঢাকা মেডিকেল কলেজে মারা যান ইয়াসিন। এই ঘটনায় নিহত রাজিবের মা শামছুন্নাহার বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত আরো ৭-৮ জনকে আসামি মামলা করেন। সাজুর দুই বোন মন্নি ও ফারজানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

হাতিয়ায় ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনীতে চার জনের মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি :> নোয়াখালীর হাতিয়ায় ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনীতে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া দুই জনকে আশংকাজনক অবস্থায় সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, রাতে বিদ্যুত চলে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে তারা। এসময় স্থানীয়রা ধাওয়া করে গণপিটুনি দেয়। আশংকাজনক অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে ৪ জনকে মৃত ঘোষণা করে চিকিৎসক। শুক্রবার বিকেল ৩টা। একটি ফিশিং বোটে করে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটের এলাকায় আসেন, বেশ কয়েকজন অপরিচিত মানুষ। স্থানীয়দের কাছে কেউ পরিচয় দেন, জেলে হিসেবে কেউবা কোস্টগার্ডের সদস্য। এতে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। পরে পুলিশকে খবর দিলে, আটক হয় করা ৫ জনকে। জিজ্ঞাসাবাদের পর ফিশিং বোট থেকে উদ্ধার করা হয় দা, চাকুসহ ৭টি দেশীয় অস্ত্র ও হ্যান্ডকাপ। রাতে বিদ্যুত চলে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে ডাকাতরা। এসময় তাদের গণপিটুনী দেয় স্থানীয় জনগন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে ৪জনকে মৃত ঘোষণা করে চিকিৎসকরা। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, নিহতদের বাড়ি সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোর ও গাইবান্ধা জেলায়। ডাকাতদের হামলায় আহত হন ৩ পুলিশ সদস্যও।

নোয়াখালীতে বেড়ানোর কথা বলে দুই বোনকে ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক :> নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নে বেড়ানোর কথা বলে দুই বোনকে ধর্ষণ করেছে এক প্রেমিক ও তাঁর সহযোগীরা। এই অভিযোগে পুলিশ আজ শুক্রবার সুমন নামের ওই প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া সুমন বেশ কিছুদিন ধরে নোয়ান্নই ইউনিয়নের ১৯ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে প্রেম করছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে সুমন ওই তরুণীকে বেড়ানোর কথা বলে ঘর থেকে বের হতে বলেন। ওই তরুণী তাঁর ছোট বোনকে (১৮) নিয়ে ঘর থেকে বের হন। এরপর স্থানীয় আকবর নামের আরো একজন ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি অচেনা আরো নয়জনকে খবর দেন। তারা সবাই দুই বোনকে স্থানীয় বোর্ড অফিস সংলগ্ন একটি ধানক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে ১১ জন মিলে দুই বোনকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা দুই বোনের কানে ও গায়ে থাকা সোনার অলংকার ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর দুই বোনের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এসে তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তাঁরা পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মির্জা মোঃ হাছান জানান, আসামি সুমন সহযোগীদের নিয়ে দুই বোনকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। সুমন ও দুই বোনকে জবানবন্দির জন্য নোয়াখালী বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানো হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জে বিষাক্ত গ্যাসে তিন শ্রমিকের মৃত্যু

ই-কণ্ঠ ডেস্ক:: জেলার কোম্পানীগঞ্জে সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নেমে বিষাক্ত গ্যাসে তিন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের নতুনবাজার এলাকার একটি বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- বাবুল (৩৭), জাফর (৩৫) ও জাফর (৩৩)। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি সাজিদুর রহমান সাজিদ জানান, আজ সকালে সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে নামার কিছুক্ষণ পরই তিন শ্রমিক অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

মাকে অচেতন করে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে চিকিৎসক আটক

নোয়াখালী প্রতিনিধি :< নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে চিকিৎসা নিতে যাওয়া নারীকে অচেতন করে তার সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে আবুল কাশেম (৩৫) নামে এক পল্লী চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে ওই পল্লী চিকিৎসককে চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আটক করে রাখে স্থানীয়রা। অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক আবুল কাশেম চরফকিরা ইউনিয়নের চরকালী গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে। সোমবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজারে নিজের ফার্মেসিতে ধর্ষণকাণ্ড ঘটান তিনি। স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই নারী চিকিৎসার জন্য সকালে তার সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া কিশোরী মেয়েকে নিয়ে চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজারের জনকল্যাণ ফামের্সিতে পল্লী চিকিৎসক কাশেমের কাছে যান। অনেক আগ থেকেই ওই নারী কাশেমের কাছে চিকিৎসার জন্য যাতায়াত করতেন। ফার্মেসিতে আসার পর কাশেম তার সহকারী চাঁন মিয়ার সহযোগিতায় দোকানের পেছনের কক্ষে নিয়ে ওই নারীকে ইনজেকশন দিয়ে অচেতন করে ফেলেন। এরপর তিনি ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। তবে কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে কাশেমকে আটক করে। কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান সাজিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক কাশেমকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নোয়াখালীতে যুবলীগের হামলায় তিন এসআইসহ ৭ পুলিশ আহত

ই-কণ্ঠ ডেস্ক:: নোয়াখালীর সেনবাগে অবৈধ মোটর সাইকেল আটক করায় যুবলীগের হামলায় পুলিশের তিন উপ-পরিদর্শক (এসআই)সহ ৭ পুলিশ আহত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় সেনবাগ উপজেলা পরিষদের গেইটে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় আহতরা হলেন-সেনবাগ থানার এসআই আমিনুল ইসলাম শিকদার, এসআই মাহবুবুর রহমান, এসআই নুরুল আমিন, কনষ্টেবল খালেদ, দিলীপ, তমিজ ও গাড়ি চালক মামুন রশিদ। এর মধ্যে গুরুতর আহতাবস্থায় এসআই মাহবুবকে (৩০) সেনবাগ সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে সেনবাগ থানার ডিউটি অফিসার সাখাওয়াত হোসেন জানান, বুধবার সন্ধ্যায় সেনবাগ পৌর শহরের থানা মোড়ে সেনবাগ থানার একদল পুলিশ অবৈধ মোটর সাইকেল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করছিলেন। এ সময় উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক জাকারিয়া আল মামুনের ভাগিনা আল আমিনের মোটর সাইকেলটির কাগজপত্র না থাকায় আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। খবর পেয়ে যুবলীগ নেতা জাকারিয়া, পৌর যুবলীগ আহবায়ক রিপন, যুবলীগ নেতা তারেক, তুহিন, আলাউদ্দিন, দেলোয়ার ও সুজন এসে থানা থেকে মোটর সাইকেলটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় সেনবাগ থানার এসআই আমিনুল ইসলাম সিকদারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ থানা থেকে বের হয়ে উপজেলা গেইটের সামনে পৌঁছালে যুবলীগের কর্মীরা তাদের গতিরোধ করে অতর্কিত হামলা ও কিলঘুষি মেরে তাদেরকে আহত করে। তাৎক্ষণিক খবরটি থানায় গেলে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ সময় হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে সেনবাগ থানার ওসি মোস্তফা কামালের সঙ্গে আলাপ করলে তিনি বলেন, হামলাকারীদের গ্রেফতারে সহকারী পুলিশ সুপার এএসপি (বেগমগঞ্জ সার্কেল) সারের নেতৃত্বে অভিযান চলছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

৪ বছরেও কোম্পানিগঞ্জে চাঞ্চল্যকর কিশোর মিলন হত্যার ন্যায় বিচার হয়নি

নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জে চাঞ্চল্যকর কিশোর মিলন হত্যার ৪ বছর পেরুলেও ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত আজও তার পরিবার। উল্টো মামলাটিতে আসামিদের কোন সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে কাউকে অভিযুক্ত না করে সম্প্রতি চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এদিকে, মিলনের মা অভিযোগ করেছেন, পুলিশ ও প্রভাবশালীদের চাপে আদালতে মামলা না চালানোর আবেদন জানাতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। অন্যদিকে ক্ষোভ প্রকাশ করে মামলার পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়েছেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি। ২০১১ সালের ২৭ জুলাই আটকের পর ডাকাত বলে মিলনকে জনতার হাতে তুলে দেয় পুলিশ। লাথি-ঘুসি ও ইট দিয়ে থেঁতলে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় তাকে। ২০১১ সালের এ দিনে নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জের চর ফকিরা'র গিয়াসউদ্দিনের ছেলে শামছুদ্দিন মিলনকে চরকাকড়া এলাকায় আটকের পর স্থানীয় ইউপি সদস্য জামালউদ্দিন ও এক ইউপি সদস্যা'র স্বামী নিজাম উদ্দিন মানিক ডাকাত সাজিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। স্থানীয়ভাবে মোবাইলে ধারণকৃত চিত্রে দেখা যায়, তৎকালীন কোম্পানিগঞ্জের এসআই আকরামউদ্দীন, কনস্টেবল আব্দুর রহিম ও হেমা রঞ্জন চাকমা জনতার হাতে তুলে দিলে লাথি-ঘুষি, পিটিয়ে ও ইট দিয়ে থেঁতলে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় মিলনকে। এ ঘটনায় নিহতের মা কোহিনুর বেগম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। কিন্তু ভিডিও দেখে গ্রেপ্তার করা ৯ জন ও সংশ্লিষ্ট পুলিশদের নাম বাদ দিয়েই গত ৫ জুলাই আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে মামলার পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়েছেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি। নোয়াখালী আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এ বি এম জাকারিয়া বলেন, 'এখানে এক-দুই আসামির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি জবানবন্দি ছিল। এই ঘটনায় পুলিশ নিজেরা জড়িত তারা নিজেদের বিরুদ্ধে নিজেরা মামলায় চার্জশিট দিবে না, এটা নিশ্চিত হয়েই তারা বাদিকে চাপ সৃষ্টি করে মামলা প্রত্যাহারের জন্য একটি দরখাস্ত দাখিল করেছে।' এদিকে, পুলিশ ও প্রভাবশালীদের চাপের মুখে আদালতে মামলা না চালানোর লিখিত আবেদন করতে বাধ্য হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন, মামলার বাদি মিলনের মা কোহিনুর বেগম। অন্যদিকে, ঘটনাটি নির্মম স্বীকার করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান ভূঁইয়া জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া সম্ভব হয়নি। তবে গত ৪ বছরেও পুলিশের কোন আসামিকে শনাক্ত করতে না পারাটা দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন সরকারি কৌশলী অ্যাডভোকেট মহিবউল্ল্যাহ। ২০১১ সালের ৩ আগস্ট নোয়াখালীর ২ নম্বর আমলী আদালতে ২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত মিলনের মা কোহিনুর বেগম। এরপর গ্রেপ্তার হওয়া শাহআলমের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীর ভিত্তিতেই ভিডিও ফুটেজ দেখে পুলিশ পরে আরও ৮জনকে গ্রেপ্তার করে।

হাতিয়ায় নদী ভাঙ্গনে তিন সহোদর নিহত

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় নদী ভাঙ্গনে একই পরিবারের তিন সহোদর নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে হাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নের কেরিং চরের কোল্ড ষ্টোর বাজারের পার্শ্বে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রিয়াজ (১১), রিহাদ (৮) ও রাহাদ (৭) স্থানীয় হাছান উদ্দিনের তিন ছেলে। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নূরুল হুদা জানান, মাছ ধরার জন্য বাড়ির পাশে নদীর পাড়ে দাঁড়ালে মাটি ভেঙ্গে নদীতে তলিয়ে যায়। পরে দুপুরে ৩ ভাইয়ের লাশ উদ্ধার করে জেলেরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছেন বলেও জানান ওসি নূরুল হুদা। সংবাদ পেয়ে স্থানীয় সাংসদ আয়েশা ফেরদাউস নিহতদের দাফনের জন্য নগদ অর্থ প্রদান করেন এবং পূনর্বাসনের আশ্বাস দেন।

মায়ের সাথে অভিমান করে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সোন্দলপুর ইউনিয়নের সোন্দলপুর গ্রামে মায়ের সাথে অভিমান করে আব্দুর রহমান তাসফি (১২) নামের এক স্কুলছাত্র আত্মহত্যা করেছে। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তাসিফ বেলাল হোসেনের ছেলে। সে করমবক্স আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। জানা গেছে, বন্ধুদের সাথে খেলাধূলা শেষে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে তাসফি। পরে পড়তে না বসে আবারো সে বাজারে যায়। বাড়িতে ফিরলে পড়তে না বসায় তাসফিকে বকাঝকা করেন তার মা। এতে মায়ের সাথে আভিমান করে সবার অজান্তে ঘরের বাহিরের অংশের একটি আঁড়ির সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে তাসফি। কবিরহাট থানার ওসি মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। কোন অভিযোগ না থাকায় মৃতদেহ নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সম্পাদক : মো. আলম হোসেন
প্রকাশনায় : এ. লতিফ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
সরদার নিকেতন
হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১১।

ফোন: ০২-৭৪৫১৯৬১
মুঠোফোন: ০১৭৭১৯৬২৩৯৬, ০১৭১৭০৩৪০৯৯
ইমেইল: ekantho24@gmail.com