রবিবার, ২৩ Jul ২০১৭ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৪ English Version

সারাদেশ - রাজশাহী বিভাগ - রাজশাহী

বাঘায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু! আহত দুই মেয়ে

বাঘা(রাজশাহী)প্রতিনিধি:: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার সদর পৌরসভার মুর্শিদপুর গ্রামে পাতা ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের দুই মেয়েও গুরুতর আহত হয়েছেন। গত রোববার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন-স্বামী আবুল কালাম আবু (৫৫৪৫) ও স্ত্রী আরিফা বেগম (৪০৪৫)। আহত দুই মেয়ে রুমা খাতুন (২২৩০) ও মৌসুমী খাতুন (২৩২০)। ঘটনার পর রাতেই তাদেরকে উদ্ধারকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে ছোট মেয়ে মৌসুমীর অবস্থা আশঙ্কাজনক ভেবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। রাজশাহীর বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মনিরুল ইসলাম জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ঘটনায় হাসপাতালে আসার আগেই স্বামী-স্ত্রী মারা গেছে। তবে তাদের বাঁচাতে গিয়ে দুই মেয়েও গুরুতর আহত হন। নিহতের বড় ছেলে শাহাবুল বলেন, হত্যার উদ্দেশ্যে নিজস্ব মিটারের বৈদুৎতিক হোল্ডারের সাথে বেড়া বাঁধা তার সংযুক্ত করে ফেলে রাখা ছিল। তবে যারা একাজটি করেছে,অনুসন্ধানে সেই নাম জানা যাবে। চাকুরির সুবাদে ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন না শাহাবুল। স্থানীয়দের সুত্র মতে মেয়ের পরকিয়ায় এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে গুঞ্জন চলছিল। বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মাহমুদ জানান, আবুল কালাম আবু অন্ধ ছিলেন। স্ত্রীর সহায়তায় তিনি ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। রোববার দিনগত রাতে তারা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাইরে বের হন। এ সময় ঘরের বাইরে পড়ে থাকা বেড়া বাঁধা তারে জড়িয়ে পড়েন তারা। ওই তার বাড়ির বাইরে বৈদ্যুতিক সংযুক্ত একটি হোল্ডারের সাথে সংযুক্ত ছিল। তাতে জড়িয়ে স্বামী-স্ত্রী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাদের বাঁচাতে গিয়ে দুই মেয়েও আহন হন। ময়না তদন্তের জন্য দু’জনের লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

তানোরে ওয়াকফ্ সম্পত্তি তছরুপের অভিযোগ

তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধি :> রাজশাহীর তানোরের পাচন্দর ইউপির প্রাণপুর মৌজায় শুকুর মন্ডল ওয়াকফ্ এস্টেটের সম্পত্তি অবৈধ দখলে রেখে তছরুপ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে শুকুর মন্ডল ওয়াকফ্ সম্পত্তির অংশীদার সাহাদাত আলী বাদি হয়ে বাংলাদেশ ওয়াকফ্ প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। ওই ওয়াকফ্ সম্পত্তি তছরুপের ঘটনায় বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসনের কাছে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দিলেও কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি। প্রায় কয়েক কোটি টাকা মূল্যের ওয়াকফ্ সম্পত্তি অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে তছরুপের অভিযোগ থাকলেও তছরুপকারীদের বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এলাকাবাসীর মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ ও চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে । অভিযোগে বলা হয়েছে, ওয়াকফ্ আইন অমান্য করে এষ্টেটের প্রাণপুর মৌজার আরএস ৯৫ খতিয়ানের ১১০,৮৮ এবং ৮৭ হাল দাগের ১১ শতাংশ জমি ইয়াসিন আলী নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে বিনিময় রেজিষ্ট্রি দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করে। বিনিময় দলিলের পর বর্তমান মোতাওয়াল্লি রেজিয়া বিবি একই গ্রামের ইয়াসিন আলীর কাছ থেকে বিনিময় দলিল মুলে নেয়া সম্পত্তি আবার বিক্রি করেছে। গাছসহ ওই জমি প্রায় ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করলেও ওয়ারিশদের কোন হিস্যা দেয়া হয়নি। এমনকি ওয়াকফ্ এষ্টেটের কোন কাজে না লাগিয়ে ওই টাকা কোন প্রকার হিসেব ছাড়াই খরচ করেছে মোতাওয়াল্লির দু’ ছেলে। এছাড়া বর্তমান মোতাওয়াল্লি ওয়াকফ্ এষ্টেটের চাঁদা ও ভূমি রাজস্ব না দিয়ে অবৈধভাবে এলাকার প্রাণপুর স্কুল কমিটি ও প্রাণপুর মসজিদ কমিটির কাছে টাকা নিয়ে কিছু সম্পত্তি দান রেজিষ্ট্রি করে দিয়েছে। অথচ ওয়াকফ্ এষ্টেটের পূর্ব শর্তই রয়েছে ওয়াকফ্ সম্পত্তি রেজিষ্ট্রি দলিলের মাধ্যমে বিনিময় বা বিক্রি করা যাবে না। অভিযোগমতে বর্তমান মোতাওয়াল্লীর দু’ ছেলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। বর্তমান মোতাওয়াল্লী রেজিয়া বেগমের সহযোগীতায় তার ছেলে প্রায় ১০ লাখ টাকায় ওয়াকফ্ এষ্টেটের প্রায় ২০ বিঘা সম্পত্তি বন্ধক দেয় বিগত কয়েক বছরে। এছাড়াও ওয়াকফ্ সম্পত্তি থেকে শতবর্ষি কড়ই গাছ,তালগাছ ও বাঁশ বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে। লিখিত অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, ফারায়েজ অনুযায়ী মোট সম্পত্তির ১১ আনা শুকুর মন্ডলের স্ত্রী ও তার কন্যাদের ওয়াকফ্ এষ্টেট থেকে কোন হিস্যা দেয়া হয় না। এমনকি বর্তমান মোতাওয়াল্লীর বড় বোন রাবেয়া বিবি অসুস্থ থাকলেও তার ঠিকমত দেখাশুনা করা হয় না। অসুস্থ রাবেয়া বিবির ভোগদখলে থাকা আরএস ৯৫ খতিয়ানের ৫৬,৪৪ এবং ২৮১ হাল দাগের ৫ একর ৬ শতাংশ পরিমান সম্পত্তি বিক্রি করে দেয় বর্তমান মোতাওয়াল্লীর ছেলেরা, ২০০৩ সালে ১/২০০৩ নম্বর দলিলের মাধ্যমে রাজশাহী নগরীর গৌরহাঙ্গা এলাকার আজমুল সরকারের কাছে। লিখিত অভিযোগে সাহাদাত আলী বর্তমান অবৈধ মোতাওয়াল্লী রেজিয়া বেগমকে অপসারন করে তদন্তপূর্বক নতুন মোতাওয়াল্লী নিয়োগ ও অনিয়ম দুর্ণীতির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান বাংলাদেশ ওয়াকফ্ প্রশাসনের কাছে। এব্যাপারে মোতাওয়াল্লী রেজিয়া বিবি তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার প্রতিপক্ষরা সাংবাদিকদের কাছে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসকের মৃত্যু

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে মিটিং চলাকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম (৫০) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। আজ সোমবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের এনডিসি আল-ইমরান জানান, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম সকালে বিভাগীয় টাস্কফোর্সের সভায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যান। সেখানে সকাল ১০টার দিকে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে সারা জেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যু সংবাদ শুনে শত শত মানুষ তার সরকারি বাসভবনে ভিড় করছেন। উল্লেখ্য, গোপালগঞ্জ জেলার অধিবাসী মো. জাহিদুল ইসলাম চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন।

"রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে চলছে ক্ষোভ অসন্তোষ"

চাপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:: বিরাট প্রত্যাশা। দীর্ঘ অপেক্ষা ও বহু প্রতিক্ষার পর রেজাউল করিম টুটুলকে সভাপতি ও শরিফুল ইসলাম জনিকে সাধারন সম্পাদক করে রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষানা করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। নতুন কমিটি নিয়ে তৃর্ণমূল ছাত্র নেতাদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ ও হতাশা। পদবঞ্চিতদের দাবী এই কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় ভূমিকার মূল্যায়ন করা হয়নি। নিষ্ক্রিয় নেতারাই নবগঠিত কমিটিতে সক্রিয়দের পেছনে ফেলেছেন। এছাড়ও কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে নেতৃত্ব বিক্রির অভিযোগ তুলছেন একাংশের ছাত্রনেতারা। সদ্য ঘোষিত রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে চলছে সমালোচনা, ক্ষোভ আর অসন্তোষ। শোনা যাচ্ছে অপ্রত্যাশিত কমিটি হওয়াই রাজশাহী জেলা ছাত্রদলে বিভক্তির পূর্বাভাস। পদবঞ্চিতদের অভিযোগ, কমিটি গঠনে মানা হয়নি গঠনতন্ত্রের নিয়মনীতি। ছাত্রদলে যার প্রাথমিক সদস্য পদও ছিলনা এরকম দুই সন্তানের বাবা রেজাউল করিম টুটুলকে বানানো হয়েছে বৃহত্তর রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি। যেটি ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র ও নিয়মনীতির পরিপন্থি। নবগঠিত কমিটি নিয়ে সময়ের অন্যতম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে সমালোচনার ঝড়। সদ্য ঘোষিত কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম টুটুলের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। একে তো দলের দুরবস্থা, তার ওপর অাবার অযোগ্য দের দিয়ে জেলা ছাত্রদলের কমিটি! সত্যি হাস্যকর। এ ধরনের অযোগ্য কমিটি অাগামী দিনের আন্দোলন সংগ্রামে ভুমিকা রাখতে পারবে না মন্তব্য করে রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের কমিটি পুনঃবিবেচনার দাবি জানান তৃর্ণমূলের নেতাকর্মীরা।

রাজশাহীতে ট্রাকচাপায় এসআই নিহত

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: রাজশাহীতে ট্রাকচাপায় এবিএম আজাহার আলী (৪২) নামে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিহত হয়েছেন। আজ রোববার সকালে মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত এবিএম আজাহার আলী জেলার বাগমারা উপজেলার ধানশীপাড়া গ্রামের মৃত ওহাব আলীর ছেলে। তিনি রাজশাহী রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয়রা জানায়, আজ সকালে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা মোড়ে মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে দ্রুতগামী একটি ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ব্যাপারে রাজপাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ জানান, ঘটনার পর চালক পালিয়ে গেলেও ট্রাকটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। নিহতের ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

চলছে প্রতিমা তৈরির শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি

আব্দুল হানিফ, বাঘা(রাজশাহী)প্রতিনিধি:: ভোরের আবছা শিশির, নদী তীরে সাদা কাশফুলের ভেলা, বাতাসে শেফালী ফুলের ঘ্রাণ আর নীল আকাশ জানিয়ে দেয় শরৎ এসে গেছে। আর শরৎ মানেই বছর ঘুরে আবারও সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে মাতৃসম দুর্গতিনাশীনি দেবী দুর্গার আগমন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শ্রী শ্রী শারদীয় দুর্গোৎসব। শারদ উৎসব বাঙালির ঐতিহ্য ও পরম্পরা বহন করে চলেছে। বাঙালিদের কাছে দুর্গাপূজা সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। 'যা দেবী সর্ব্বভূতেষু শক্তিরূপেণ, সংস্থিতা নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ'। এই আগমনী মন্ত্রের মাধ্যমেই শ্রী শ্রী মহামায়া দুর্গাকে স্বাগত জানিয়ে ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে পালিত হবে এ উৎসব। দুর্গা পূজাকে সামনে রেখে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো বাঘাতেও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা পূজার প্রস্তুতি শুরু করেছে। পূজাকে লক্ষ্য করে তৈরি হচ্ছে মন্ডপ। চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। সংগ্রহ করা হচ্ছে পূজা-অর্চনার সব উপকরণ। পূজার প্রধান উপকরণ হচ্ছে মহামায়া ভগবতী মা দুর্গার প্রতিমা। সঙ্গে থাকবে অসুর ও গণেশ। যে কেউ ইচ্ছে করলেই মায়ের প্রতিমা তৈরি করতে পারে না। যারা প্রতিমা তৈরির কাজ করেন তাদের কেউ বলে দেড়ি শিল্পী, কেউ বলে মৃৎশিল্পী। তেমনই এক মৃৎ শিল্পী উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের পাকুড়িয়া গ্রামের আনন্দ মালাকার। আনন্দের গোষ্ঠীর লোকজন বংশপরম্পরায় এ কাজের সাথে সম্পৃত্ত। ছেলে গনেশ চন্দ্র মালাকারও শুরু করেন প্রতিমা তৈরির কাজ। গনেশ জানান, ২০ বছর ধরে তিনি প্রতিমা তৈরির সঙ্গে সম্পৃৃক্ত থাকলেও দশ বছর আগে থেকে নিজে কাজ শুরু করেন। মূলত বাবার কাজ দেখেই এ কাজের প্রতি আগ্রহ জাগে এবং হাতেখড়ি। বাবা আনন্দই গনেশের গুরু। এক পর্যায়ে মা দুর্গাকে ভালোবেসেই মায়ের প্রতিমা তৈরি শুরু করেন। তার মতে, নিজ হাতে মনের মাধুরী মিশিয়ে মাকে তৈরির সৌভাগ্য ক'জনের ভাগ্যে হয়! মহামায়া ভগবতী মা দুর্গার আশীর্বাদেই গনেশ এ পেশাতে এসেছেন। তিনি জানান, চুক্তি ও মজুরি দুইভাবেই তিনি প্রতিমা তৈরি করেন। প্রতিমা বানাতে প্রয়োজন পরিমাণমতো কাঠ, বাঁশ, পেরেক বা তারকাঁটা, সুতলি বা রশি, খড়কুটো, এঁটেল ও বেলে মাটি, রঙ, ধুতি, চুল, হাতিয়ার। আবার শুধু খড়কুটো ও মাটি দিয়েও প্রতিমার কাজ করা যায়। তিনি জানান, একটি প্রতিমা সর্বনিম্ন ৪ হাত এবং সর্বোচ্চ চাহিদানুযায়ী তৈরি করা যায়। সাধারণত ১২/১৪ হাতের প্রতিমা তেমন একটা বানানো হয় না। ১২ হাতের একটি প্রতিমা বানাতে খরচ পড়ে ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা। চাহিদানুযায়ী বেশিও পড়ে। ৪ হাতের একটি প্রতিমা তৈরিতে খরচ পড়ে ১৫-২০ হাজার টাকা। একটি ১২ হাতের প্রতিমা তৈরি করতে একার ৮-১০ দিন সময় লাগে। আর ৪ হাতের প্রতিমার ক্ষেত্রে ৩-৪ দিন। এ বছর তিনি মোট ২২টি প্রতিমা তৈরির কাজ পেয়েছেন। প্রতিমাগুলো গ্রাহকদের চাহিদানুযায়ী ক্যাটালগ দেখে, কখনও নিজের মনের মতো তৈরি করেন। তবে ক্যাটালগ দেখে তৈরি করতে পরিশ্রম একটু বেশি হয়। মাটির কাঠামোর কাজ প্রায় শেষ। শুরু হয়েছে রঙের প্রলেপ ও অন্য সাজসজ্জার কাজ। এরপর দুর্গা দেবীকে নিয়ে যাওয়া হবে মন্ডপে। সপ্তাহখানেক পর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গাপূজা। তাই শেষ মুহূর্তের কাজ সম্পন্ন করতে ব্যস্ত মৃৎ শিল্পীরা। চলতি বছর বাঘা উপজেলায় ৩৭ টি পূঁজামন্ডপে দুর্গাপূঁজার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিমা তৈরির মধ্য দিয়ে পূজার প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। প্রতিমা তৈরি শেষে শুরু হবে পূজার আনুষ্ঠানিকতা। পূজার আনুষ্ঠানিকতা করেন পুরোহিতরা। বাঘা উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের পুরোহিত বিশ্বনাথ পান্ডে ওরফে বিশা ঠাকুর জানান, পূজা করতে মোট একশ' উপকরণ প্রয়োজন। ফলে আগেভাগেই সেসব উপকরণের ব্যবস্থা করে থাকেন। যেসব পণ্য জোগাড় কষ্টসাধ্য, সে উপকরণগুলো ঢাকার তাঁতীবাজার থেকে সংগ্রহ করেন। তিনি জানান, মহালয়ার মধ্য দিয়ে দশভুজা দেবী কৈলাশের স্বামীগৃহ থেকে ঘোটকে চড়ে রওনা দিবেন বাবার বাড়ির উদ্দেশে। শুরু হবে দেবীপক্ষের ক্ষণ গণনা। ৭ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে পূজা শুরু হবে এবং ১১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে পূজা শেষ হবে। এবার ৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় মহামায়া দেবী আগমন করে ঘটস্থাপন করবে। পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন হবে সপ্তমী, অষ্টমী এবং নবমী পূজা (দুর্গা পূজার অংশ)। আর মহামায়া মা ভগবতী যখন স্বর্গ থেকে আসেন তখন তিনি কখনও অশ্ব (ঘোড়া), কখনও হস্তী (হাতি) আবার কখনও বা নৌকায় চড়ে আসেন। তবে, তিনি যেভাবে আসেন ঠিক সেভাবেই যান। তিনি জানান, পূজা করতে যে একশ' উপকরণ প্রয়োজন তা হলো- সিঁদুুর, শাঁখা, ফলা, সুগন্ধি তৈল, অগুর, সেন্ট, সোনা, রুপা, আসনাঙ্গরী, ষড়াঙ্গরী, দর্পণ, সাদা সুতার রিল, লাল সুতা, মাইটা সিঁদুুর, বড় ঘট, ছোট ঘট, স্নানের পাতিল, সহস্র ধারা ঘট, মাইটা মুচি, ধুপতি বড়, প্রদীপ গাছা, পঞ্চপ্রদীপ, চামর, কর্পূর, দর্পণ বিসর্জনের পাতিল, ছোট পাতিল, ফুল, দূর্বা, তুলসী, চন্দন লাল ও সাদা, বেলপাতা, অষ্টমীর পদ্মফুল, ফুলের মালা, অষ্টমীর বেলপাতার মালা, দূর্বা, প্রিন্টের শাড়ি, ধুতি কাপড়, বড় গামছা, ছোট গামছা, চী পূজার লাল কাপড়, লংক্লথ সাদা, নবঘটের পতাকার টুকরো কাল কাপড়, লাল-নীল-সাদা ও বিচিত্র পুরোহিত বরণ ধুতি কাপড়, চাদর, প্রত্যেক ঘটের আস্ত নারিকেল, কবরি কলার ফানা, ঘটের তীর, ঘটের পাঁচ ফল ও ফল-ফলাদি বহুবিধ, বেলের ডালা, জোড়া বেল, সশী ডাব, দধি, দুগ্ধ, মধু, চিনি, ঘি, ধান, তিল, হরীতকি, শ্বেত শস্য, মাষকলাই, যব, স্টিলের থালা, মধুপর্কের স্টিলের বাটি বড়, স্টিলের বড় গ্নাস, পাটি, বালিশ, চাদর (বেডশিট), পৈতা, তুলা, ফল-ফলাদি নানা প্রকার ৪দিনের, পান, সুপারি, পানের মসলা, বাতাসা, সন্দেশ, গুড়, নকুল, শাগু, সুজি, আতপ চাল, সিদ্ধ চাল, মুগ ডাল, মটর ডাল, মরিচ, হলুদ, বুটের ডাল, লবণ, ভোজ্যোর তরকারি নানা প্রকার ৪ দিনের, নারিকেল, গেণ্ডারী, সন্দেশ, কিশমিশ, মেস্ত্রী নারিকেল লাড়ূ, খৈইয়ের মুড়কি, ধূপ, গুলগুল ধুপ, আগরবাতি, মোমবাতি, তিল তৈল, বিঞ্চু তৈল, সরিষার তৈল, কুলা, কাঁচা হলুদ, পঞ্চ শস্য, গাছকোটা, আয়না, কাঠের চিরুনি, সীলা ও নুরী, ছোট ঘট, যজ্ঞের বলি, পাটখড়ি, আমখড়ি, গোময়, কুশ, ঘৃত, বেলপাতা, শালু কাপড়, পান, পূর্ণ পাত্র। পঞ্চ শস্যমুগ, যব, তিল, পঞ্চগব্য- গোচনা, গোময়, দধি, মধু ও দুগ্ধ, পঞ্চমৃত- দধি, দুগ্ধ, ঘৃত, মধু ও চিনি, পঞ্চকষাই- জাম, শিমুল, বেড়েলা, কুল ও বকুল, সর্বৌষধি- মুরা, মাংসী, বচ, কুট, শলের, হরিদ্রা, দারুহরিদ্রা, শটি, চম্পক ও মুথা, পঞ্চরত্ন- মণি, মুক্তা, প্রবাল, স্বর্ণ ও রুপা, নবধাতু- লৌহ, তাম্র্র, সোনা, রুপা, সিসা, দস্তা, পিতল ও কাঁসা, পঞ্চগুঁড়া- হরিদ্র গুঁড়া, চালের গুঁড়া, তুষপোড়া গুঁড়া, বিল্বপত্র গুঁড়া, আবির। সব উপকরণ সংগ্রহের পর প্রার্থনা মন্ত্র 'সর্ব্বমঙ্গলা সঙ্গল্যে শিবে সর্ব্বার্থ সাধিক্যে। শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরী নারায়ণী নমোহুস্তে' পড়ে পূজা শুরু করা হয়। শারদীয় দুর্গা পূজায় প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত যে পূজা হয় তার প্রতিটির রয়েছে আলাদা তাৎপর্য। ষষ্ঠী : ষষ্ঠী পূজা করতে হয় বেলতলায়। সেখানে ভক্তরা মন-প্রাণ দিয়ে উপাসনা করে। কৈলাস থেকে মহাদেব স্বর্র্গের ভক্তিতে আহ্বান করে। সেখানে ভগবতী মর্ত্যধামে এসে জীবের মনোবাসনা পূর্ণ করে। সপ্তমী : এইদিন মাকে তার ভক্তরা আহ্বান করে। ভক্তদের ডাকে মা এসে নিজ গুণে ভক্তদের নিয়ে আনন্দ করে। অষ্টমী : সবাই মিলে পূজার আয়োজনে আনন্দ করে। মহানবমী : মহানবমীতে ভক্তরা প্রদীপ জ্বেলে সংসারের যাবতীয় মঙ্গল কামনা করে। ভগবতী মা ভক্তদের আশীর্বাদ করেন। দশমী : ভগবতী সকল জীবের আশীর্বাদ করে মঙ্গল কামনা করে পুনরায় স্বর্গে ফিরে যান। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ,বাঘা থানা শাখার সভাপতি কৃষ্ণ কোমল পান্ডে বলেন, শারদ উৎসবের শুভলগ্নে আবেগ আর সম্প্রীতির গভীর মিলনমেলার প্রতীক্ষায় পুরো দেশ। নানা আয়োজনে পূজার সময়টুকু নিজেদের এক সূত্রে বেঁধে রাখেন।

রাজশাহীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস ঘরে, ঘুমন্ত দম্পতির মৃত্যু

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: রাজশাহীর বহরমপুর সিটি বাইপাস মোড়ে কেয়া পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলগেটের গার্ড রুম গুড়িয়ে দিলে ঘুমন্ত স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত আরো ১৫ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, একই এলাকার বশির (৪০) ও রেশমা (৩৮)। বর্তমানে তাদের মরদেহ রামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তবে আহতদের নাম পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা কেয়া পরিবহনের একটি বাস নগরীর বহরমপুর সিটি বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেল গেটের গার্ডরুম গুড়িয়ে দেয়। এসময় ওই রুমে থাকা ঘুমন্ত স্বামী-স্ত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় আরো ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ব্যাপারে রাজপাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ জানান, ঘাতক বাসটিকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে বাসের ড্রাইভার পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয় নি। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।

ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের বেহাল দশা, ঝুকিপূর্ণ ভবনে ডিজিটাল সেবা

ফারুক আহমেদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে:: পাকিস্তান আমলে নির্মিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ১১নং ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে লাগেনি উন্নয়নের কোন ছোঁয়া। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে পরিষদের সকল কার্যক্রম। জরাজীর্ণ ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের একটি খুপচি ঘরে সচিবের কার্যালয়। একই রকম ঘরে ডিজিটাল তথ্য সেবা কেন্দ্র। পরিষদ সংলগ্ন অনুরূপ ভবনেই চলছে পোস্ট অফিস ও ভূমি অফিসের কার্যক্রম। এছাড়াও পরিষদ গুদামঘর, গ্রাম সালিশ কক্ষ দুটিরও বেহাল দশা। উপর থেকে প্রতিনিয়ত ভেঙ্গে পড়ছে ছাদের বালু সিমেন্ট, বেশকিছু জায়গায় বেরিয়ে পড়েছে রড। বর্তমান সরকারের আমলে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে বেশকিছু ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালের রাজকীয় নতুন ভবন নির্মিত হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কারও নজর পড়ছে না এই ভবনটির উপর। পরিষদ কার্যালয়ে নেই কোন সীমানা প্রাচীর। অরক্ষিত ভবনের আশপাশে ময়লা আবর্জনার স্তুপ। কার্যালয়ের সামনে সিটিজেন চার্টার সহ একাধিক সাইনবোর্ডে জমে আছে ধূলোময়লা। ময়লা আবর্জনা ও নোংরা পরিবেশের জন্য পরিষদ কর্তৃপক্ষের উদাসিনতাকেই দায়ী করছেন এলাকাবাসী। জানা যায়, ইতোমধ্যে নতুন ভবন নির্মানের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের নামে রেকর্ডভুক্ত সম্পত্তি প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মোঃ ইলাহী জানান, যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়ার ভয় মাথায় নিয়ে অফিসের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। অন্য প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, এর আগে দু’বার সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রকৌশল বিভাগ ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মানের জন্য প্রস্তাবিত জায়গা মাপজোক করে গেছেন। তবে কেন শুরু হচ্ছে না ভবন নির্মাণ কোথায় বাধা? আমার জানা নেই। এছাড়াও ইসলামপুর ইউ.পি ডিজিটাল তথ্য সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা মোবারক হোসেন ও উপ সহকারী ভূমি অফিসার মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম জানান ভাঙ্গাচুরা ভবনেই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। নিরুপায় হয়ে চরম আতঙ্কের মাঝে চালিয়ে যেতে হচ্ছে অফিসের কার্যক্রম। এ বিষয়ে ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান টিপু জানান, নতুন ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মানের জন্য প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঢাকায় পাঠিয়েছি। আশাকরছি খুব দ্রুতই শুরু হবে ভবন নির্মাণের কাজ।

নিজ কক্ষ থেকে রাবি’র অধ্যাপক লাশ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক :> রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকতার জাহানের (৪৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরি ভবনের ৩০৩ নম্বর কক্ষ থেকে ওই শিক্ষিকার লাশ উদ্ধার করা হয়। জুবেরি ভবন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আবাসস্থল। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার রানা জানান, কক্ষটি বাইরে থেকে বন্ধ ছিল। তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আকতার জাহানের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই ভবনে একাই থাকতেন। তবে কীভাবে তিনি মারা গেছেন এ ব্যাপারে এখনো কিছু জানা যায়নি। তাঁর লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছে পুলিশ। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বিকেলে বলেন, ঘরের বিছানার মশারির ভেতরে আকতারের লাশ পড়ে ছিল। তাঁর মুখ দিয়ে লাল ঝরার দাগ ছিল। তবে কীভাবে তিনি মারা গেছেন ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে। আকতার জাহান গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক সভাপতি তানভীর আহমেদের প্রাক্তন স্ত্রী। বছর তিনেক আগে তাঁদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। তাঁদের আয়মান ফুয়াদ আহমেদ নামে একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। সে ঢাকায় পড়াশোনা করে।

প্রধান সংবাদ


সর্বশেষ সংবাদ

কর্মস্থলে পৌঁছার আগেই লাশ হয়ে বাড়ী ফিরলো মিলটন

অনিয়ম আর দূর্নীতির আখড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারাগার

চাঁপাইনাবাবগঞ্জে ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় বিচারের দাবীতে মানববন্ধন

গ্রামীন ব্যাংক দেওপাড়া শাখায় লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

মিথ্যা মামলা থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক ফারুক

গোদাগাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় রিক্সা চালক নিহত

রাজশাহীতে পুলিশের গুলিতে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু

রাজশাহীতে পদ্মায় নৌকাডুবি, ২ বাংলাদেশি ও ৫ ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু

প্রথা ভেঙ্গে গ্রামের রাস্তায় চালকের আসনে নারী!


আজকের সব সংবাদ

সম্পাদক : মো. আলম হোসেন
প্রকাশনায় : এ. লতিফ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
সরদার নিকেতন
হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১১।

ফোন: ০২-৭৪৫১৯৬১
মুঠোফোন: ০১৭৭১৯৬২৩৯৬, ০১৭১৭০৩৪০৯৯
ইমেইল: ekantho24@gmail.com