শনিবার, ২২ Jul ২০১৭ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৪ English Version

সারাদেশ - রংপুর বিভাগ - নীলফামারী

সৈয়দপুর যেন পাখির অভয়াশ্রম!

এম আর মহসিন, নীলফামারী প্রতিনিধি॥ গাছের ডালে-ডালে রশি বাধানো কলসিগুলোতে মুখ দিয়ে উঁকি দিচ্ছে রং বেরঙের পাখি। পাখিগুলো নিশ্চিত নিরাপত্তায় কিচির-মিচির সুরে ডাকছে তাদের কৃত্রিম বাসায়। কোন কোন বাসায় আবার বাচ্চা গুলো মা পাখিটির ঠোট হতে খাদ্য কেড়ে নিতে ডাকছে। এ দৃশ্যটি এখন সৈয়দপুরের অনেক গাছেই দেখা যাচ্ছে। যেন দশনার্থি কিংবা বহিরাগত শত্রুদের আক্রমন হতে বাচার জন্য যথার্থ একটি নিরাপদ বাসস্থান তারা পেয়েছে। আর এ মহৎ কাজটি করেছেন পাখি প্রেমি সেতুবন্ধন নামে একটি বন্ধুদের সমন্বয়ের সংগঠন। সরেজমিনে দেখা গেছে, নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার খাতা মধুপুর ইউনিয়নের খালিশা বেলপুকুর হতে খাতা মধুপুর। আবার শহরের ফাইলেরিয়া হাসপাতাল, প্রানী সম্পদ হাসপাতাল, খাদ্য গুদাম (সংরক্ষিত এলাকা), কয়ানিজ পাড়া, মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়, থানা চত্বর, খানকা শরীফসহ পুরো উপজেলা চত্তরে প্রায় পাচ হাজার গাছে বেঁধে দেওয়া হয়েছে মাটির কলস। এর মধ্যে রয়েছে বাসা তৈরির অন্যান্য উপকরণ। খবর নিয়ে জানা গেছে, ২০১৪ সালে উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর এলাকার যুবক আলমগীর হোসেন ও বন্ধুদের নিয়ে পাখি নিধন রোধে এবং বংশ বৃদ্ধির নিরাপদ ব্যাবস্থায় পাখিদের অভয়াশ্রম গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পনা করে বন্ধুদের নিয়ে একটি তহবিল গঠন করেন। এরপর তারা গত ২ বছর ধরে বিভিন্ন ভাবে সমিতির মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করে একত্রিত করেন। আর এ টাকা দিয়েই তারা কলস কিনে পাখিদের আবাসের জন্য রশি দিয়ে গাছে-গাছে লাগিয়ে দেন। গত তিন মাসে এ কলসগুলোতে নির্ভয়ে বাসা বেধেছে নানা ধরনের পাখি। শালিক, শ্যামা, ঘুঘু, পেঁচা পাখিগুলো এখন নিশ্চিত নিরাপত্তায় সেখানে রাত-দিন কিচির মিচির ডাকছে। পাখিদের নিয়ে এ ভাবনা বিষয়ে আলমগীর বলেন, পাখিরা না থাকলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে না। তাছাড়া কৃষিতে পাখিদের ভূমিকা অপরিসীম। তারা ক্ষতিকর পোকা-মাকড় খেয়ে কৃষি চাষাবাদে ভূমিকা রাখছে। সর্বপরি মানুষ সুযোগ পেলেই পাখিদের নিধন করছে। তাই বিশেষ নিরাপত্তায় আমাদের নজরদারি থাকবে যাতে অন্যায়ভাবে কেহ পাখি না ধরে। রফিকুল ইসলাম, রাশেদুর জ্জামান রিফাত, রাফি, সিরাজুল, টুইংকেলসহ সকলেই একই মতামত প্রকাশ করেন। তাই এসকল কলসের কৃত্রিম পাখির বাসার গাছটিতে সাইনবোর্ড দিয়েছেন“এসো পাখির বন্ধু হই, সুন্দর এ পৃথিবীকে বাঁচাই’। তারা আরো জানান,এটি হচ্ছে আমাদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। যার নামকরন দেয়া সেতু।আর এ কাজে সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হোমায়রা মন্ডল পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করেছেন। এ নিয়ে কথা হয় সৈয়দপুর রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি সাইফুল ইসলাম পলাশের সাথে। তিনি বলেন, এ উদ্যগটি সকলের মধ্যে থাকা উচিত ছিল। তাহলে আমাদের অনেক পাখি আজ বিলুপ্ত হত না। এ যুবকরাই এখন পাখি নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করছে। যা আমাদের প্রকৃতিসহ কৃষিতেও ভুমিকা রাখবে। এ উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুয়েল চৌধুরী বলেন, ওরা পাখি রক্ষার সংগ্রাম করে চলেছে। প্রকৃতির জন্য এধরণের উদ্যোগ ভলো। তাদের কাজের সহযোগিতা ও গাছে বেঁধে দেয়া কলস চুরির হাত থেকে বাঁচাতে এলাকার লোকজনকে সচেতন করা হচ্ছে। এই বিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হোমায়রা মন্ডল জানান, এটি খুব ভালো ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। তাদের এবং সকলের সহযেগিতায় পরিবেশ ও খাদ্য উৎপাদনে এই উদ্যোগ ভালো সুফল বয়ে আনবে বলে জানান তিনি।

নীলফামারীতে দুই মেয়েকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: নীলফামারীর জলঢাকায় কাঠালি ইউনিয়নের দেশীবাড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পে দুই মেয়ে শিশু সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পারিবারিক কলহের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আজ রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঘটনাস্থল থেকে মা ও দুই শিশু মেয়েসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের বাসিন্দা শ্রমিক আশরাফ আলী ফসলের ক্ষেতে কাজ করার জন্য সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। সকাল নয়টার দিকে তার দুই মেয়ে আকলিমা বেগম (৮) ও খাদিজা বেগম (৪) লাশ শয়ন কক্ষে এবং আশরাফ আলীর স্ত্রী ফেন্সি বেগমের দেহ গলায় দড়ি দিয়ে ঘরের তীরে ঝুলতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ তিনটি উদ্ধার করে। জলঢাকা থানার ওসি দিলওয়ার মোহাম্মদ হাসান ইনাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আশরাফ আলীকে আটক করা হয়েছে।

চিলাহাটি সিমান্তে তৃতীয় দফায় দুই নবজাতকসহ ১৫২ জন ভারতে গেলেন

আবু ফাত্তাহ্ কামাল, চিলাহাটি সীমান্ত থেকে ॥ ভারতী গেল ভারতে। নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি-হলদিবাড়ী অভিভাসনের ৭৮২ সীমান্তের প্রধান পিলার দিয়ে বাবা-মায়ের সাথে তিন দিনের ভারতী রানী নামের এক নবজাতকসহ মা মায়া রানী (২২), বাবা মদন বর্মন (২৫), দাদা ইশ্বর নারায়ন বর্মন (৬০), দাদী শুকবালা (৫৫), চাচা অক্ষয় বর্মন (১৮), বড় বোন ফেন্সী বর্মন (১০), পলিবর্মন (৮), কবিতা বর্মন (৩) সহ ৯ জনের পরিবারটি ভারতে গেছে। অপরদিকে, ২৮ দিনের সুবাস পরিবারের জন্য ভারতে গিয়ে সুবাতাস বয়ে আনবে এই আশায় তার নাম রাখা হয় সুবাস। তার সাথে মা সরবালা (৩৫), বাবা প্রফুল্ল কুমার (৪০), ভাই প্রদীপ রায় (১৫), উজ্জল (১৪) সহ পাচঁজনের পরিবারটি ভারতে গেছে। সরেজমিনে জানা গেছে, নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি-হলদিবাড়ি অভিবাসনের ডাংগাপাড়ার ৭৮২ সীমান্তের প্রধান পিলার দিয়ে ৩০ পরিবারের ১৫২ জন সদস্য ভারত গমন করেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা পোনে দুইটায় এরা ভারত সীমান্ত অতিক্রম করে। এদের মধ্যে ৬৩জন পুরুষ এবং ৫০ জন নারী ও ৩৯ জন শিশু ছিল। এরা সকলেই পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার বালাপাড়া খাগড়াবাড়ির বিলুপ্ত ভারতীয় ছিটমহলের বাসিন্দা ছিল। এ সময় তাদের আত্মীয়-স্বজনসহ পরিচিত জনদের মধ্যে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তারা সকলেই কান্না ভেঙ্গে পড়েছিল। এই পথে গত রবিবার পঞ্চগড় থেকে প্রথম দফায় ৪৮ জন ও দ্বিতীয় দফায় সোমবার ১৪৭ জন সদস্য ভারত গমনের করেছিল। আজ মঙ্গলবার একই পথে পঞ্চগড়ের তৃতীয় দলের ৩০টি পরিবারের ১৫২ জন সদস্য ভারত গমন করেছে। পঞ্চগড়ের এই তৃতীয় দলটি ভারতের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তরের সময় ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিহা সুলতানার নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সফিকুল ইসলাম, কাষ্টমস ইমিগ্রেশনের সহকারি কমিশনার হুমায়ুন হাফিজ, রাজস্ব কর্মকর্তা আহসান হাবিব, সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা ময়নুল ইসলাম, ৫৬ বিজিবির পক্ষে সুবেদার আব্দুল ওহাব, ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু তাহের, ডোমার থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন, কোম্পানি কমান্ডার আঃ হামিদ, চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মনছুর আলী প্রমুখ। অপরদিকে, ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কুচবিহারের জেলা শাসকের এডিএম আয়শা রানী, ঢাকাস্থ্য ভারতীয় হাই-কমিশনের ফাষ্ট সেক্রেটারী রমাকান্ত গুপ্তা, বিএসএফের ৫৮ ব্যাটালিয়ানের ডিপুটি কমান্ডার একে ঝা, কাষ্টম সুপার সন্দীপ ব্যান্যার্জী, বিডিও তাপস সিংহ রায়, হলদিবাড়ী আসি বিকাশ চন্দ্র দে প্রমুখ।

বিদ্যুৎসাহী মাহতাব উদ্দিনের স্পর্শে আলোকিত সোনাপুকুর গ্রাম

এম আর মহসিন, সৈয়দপুর সংবাদদাতা॥ সৈয়দপুরের পার্শ্ববর্তী সোনাপুকুর গ্রামটি শিক্ষার সোনার আলোয় আজ আলোকিত। যেখানে শতকরা ৫জন মানুষ শিক্ষিত ছিলনা। ৩০ বছরের ব্যবধানে সেখানে ঘরে-ঘরে শিক্ষিত আর শতভাগ মানুষ এখন স্বাক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন হয়েছে। আর এর নেপথ্যের কারিগড়টি হচ্ছেন বিদ্যুৎসাহি ও জনপ্রিয় ব্যাক্তিত্ব্য আলহাজ্ব মাহতাব উদ্দিন সরকার(৮০)। একই প্রাঙ্গনে স্কুল-কলেজ-হেফজখানা ও আলিয়া মাদ্রাসা মিলে পাচটি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছেন তিনি। এর কারনে সকল শিক্ষায় শিক্ষিত দিয়ে ভরে গেছে গ্রামটি। তারপরেও সফল এ কারিগড়ের চাওয়া-পাওয়া যেন অপূর্ণই রয়েছে। জীবনের শেষ বেলায় এসে একটি দাবি সরকারের সংশ্লিষ্টরা যদি এ সকল প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে তাহলে এটি দেশের দ্বিতীয় ভিকারুন্নেছা হিসেবে দেশের বুকে সুনাম অর্জন করবে। জানা যায়, পঞ্চগড়ের করতোয়া হতে শুরু হয়ে নিলফামারী ও দিনাজপুর জেলার সিমান্ত রেখা দিয়ে যে শাখা নদীটি বয়ে গেছে তা হচ্ছে খড়খড়িয়া। এর কারনে বিভাজিত হয়েছে দুই জেলার দুই জনপদ। দিনাজপুরের পার্বতিপুর থানার বেলাইচন্ডি ১নং ইউপির ৩নং ওয়ার্ড হচ্ছে সোনাপুকুর গ্রাম। এ গ্রামটি জেলা সদর অর্ধশতাধিক মাইল আবার উপজেলা হতে ২৫ মাইল দুরত্বে অবস্থিত। আর নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলা হতে মাত্র ২৫ হাত দুরত্ব। তাই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্ম-সংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনোদন জীবন ধারনের সকল সুবিধা ভোগ করেন এ গ্রামবাসি। আর দুরত্বের কারনেই সকল নাগরিক অধিকার বঞ্চিত থেকে যায় এ এলাকাবাসি। বিশেষ করে শিক্ষায় ছিলেন একেবারে অন্ধকারে। এ গ্রামের শিক্ষিত যুবক মাহতাব উদ্দিন শিক্ষকতা পেশায় নিজেকে জরিয়ে এর মধ্য হতে ৭০ ও ৮০ এর দশকে পরপর তিনবার এলাকার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এতে জনপ্রতিনিধিত্ব ও শিক্ষকতা পেশায় বাধার সৃষ্টি হয়। তবে শিক্ষকতা পেশা ছাড়তে না পেরে এলাকাবাসিকে সাথে একে-একে পাচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে সেখানে শিক্ষকতা করেন। এভাবে এ গ্রামটিতে বাড়তে থাকে শিক্ষিতের হার। আর বর্তমানে জাতীয় ভাবে চলতি বছরের ২৩ মার্চ এ গ্রামকে নিরক্ষর মুক্ত ঘোষনা করেন গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই এলাকার নজু মেম্বার(৭৫) নামে এক প্রবিন ব্যাক্তি জানান, আমরা দুরত্বের কারনে বঞ্চিত ছিলাম। তাই অন্য জেলার এলাকা হতে সকল সুবিধা নিতে হত। বিশেষ করে আর্থিক অনটনের কারনে ৪০ বছর আগে এ গ্রামে শিক্ষিত ও সাক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন ব্যাক্তি ছিল হাজারে ১০ জন। উচ্চ শিক্ষিত বলতে আইএ পাশ। তাও দু-একজন। এখন আমাদের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা সবকিছু আছে। গত বৃহস্পতিবার সৈয়দপুর শহরের ১০নং ওয়ার্ড সংলগ্ন এলাকা পাটোয়াড়ি পাড়ার সীমানায় খড়খড়িয়া নদীর তীরে অবস্থিত সোনাপুকুর গ্রামের চাকলাহাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সাড়ে চার একর জমির উপর সুরভী উচ্চ বিদ্যালয়, আশেকিয়া দাখীল মাদ্রসা, কওমি হেফজ খানা, সুরভী মহাবিদ্যালয়, ব্রাইট ষ্টার কিন্ডার গার্ডেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো। এছাড়া একই প্রঙ্গনে শত বছর পুরোনো একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফলে ৫ বয়স বছর হতে কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। যেন একটি শিক্ষার বাজার। এ নিয়ে কথা হয় ওই সকল প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সাথে। তারা জানান, শত ভাগ পাশের রেকর্ড আমরা করেছি। এছাড়া এতিম ও দরিদ্রদের বিনা বেতনে পড়া লেখার সুযোগ আছে। সংলগ্ন মুন্সিপাড়ার বিধবা ছালেহা বেগম জানান, আমার মেয়ে ও আমি দুজনই বিধবা। পরের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে সংসার চালাই। তাই দু নাতি-নাতনিকে পড়া লেকার কোন সুযোগ ছিলনা। সুরভী স্কুলের মাষ্টাররা এসে বাচ্চাদের নিজেরাই নিয়ে ভর্তি করায়। এতে কোন পয়সা দিতে হয় না। ওই গ্রামের আরো শতাধিক মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ সব প্রতিষ্ঠানে বেশির ভাগ শিক্ষার্থি বিনা-বেতনে লেখা করে। তাই প্রতিটি ঘওে এখন শিক্ষিতের হার বাড়ছে। একটি সূত্র জানায়, ৬ হাজার মানুষের মধ্যে এসকল প্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে হাজার ছেলে মেয়ে লেখা পড়া করে। আর এলাকার প্রায় শতাধিক শিক্ষিত যুবক শিক্ষকতা পেশায় কাজ করছেন। স্বাক্ষরজ্ঞান মিশন সফল করায় গন শিক্ষা মন্ত্রণালয় চলতি বছরের ২৩ মার্চ এ ওয়ার্ডটিকে নিরক্ষর ঘোষনা করেন। এ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মাহতাব উদ্দিন সরকারের সাথে এ নিয়ে কথা হলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, শিক্ষকতা পেশাই আমার বেচে থাকার প্রেরনা। এ প্রেরনা আমাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিমানে সহায়তা করেছে। তবে সকল ক্ষেত্রে এলাকাবাসির অবদান সবার উর্ধ্বে। তাহারা সহযোগিতা না করলে আজ এখানে এত গুলো প্রতিষ্ঠান হতে না। তাই এগুলোকে আরো উর্ধ্বে নিয়ে যেতে পারলেই শান্তি পেতাম। এ নিয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক ও গন-শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রি আলহাজ্ব এ্যাডভোকেড মোস্তাফিজারের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমার এ প্রতিষ্ঠান গুলো হচ্ছে দেশের দ্বিতিয় ভিকারুন্নেছা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ সব প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আঘামি পাচ বছরের মধ্যে দিনাজপুরকে নিরক্ষর মুক্ত করার মিশন চলছে। তাই উদহারন স্বরুপ এ সকল প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হবে।

সৈয়দপুর হাসপাতালের রোগিদের দুর্ভোগ চড়মে

নীলফামারী প্রতিনিধি॥ চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল এক্সরে ফিল্ম সরবরাহের কারনে ব্যাহত হচ্ছে সৈয়দপুর ১০০ শয্য হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা। আগত রোগিদের বাহিরে এক্সরে করতে প্রতিদিন সরকারের নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও তিন-চারগুণ অর্থ ব্যায়ের পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ বসে থেকে এক্সরে করায় রোগ যন্ত্রনাও কবলে চড়ম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছে রোগির চাহিদানুযায়ি ফিল্ম সরবরাহের চাহিদা পত্র দেয়া হয়েছে উর্ধ্বতনদের কাছে। তাই সরবরাহ পেলে এ সমস্যা কেটে যাবে। তবে আশ্বাসে নয় দীর্ঘদিনের এ দুর্ভোগ হতে মুক্তি পেতে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান এ হাসপাতালে আগত রোগিসহ এ জনপদবাসি। একটি সূত্রে জানা যায়, নীলফামারী, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাও, পঞ্চগড় জেলার কিছু এলাকা ছাড়াও সৈয়দপুর উপজেলাবাসিসহ প্রায় ২০ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবা নির্ভর করে সৈয়দপুর ১০০ শয্য হাসপাতালের ওপর। সড়ক দুর্ঘটনাসহ মারামারি ও জটিল রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসকদের নির্দেশনানুযায়ি এক্সরে করতেই হয়। না হলে চিকিৎসকরা নির্দিষ্ট করে কোন ব্যাবস্থা পত্র দেন না। তবে এক্ষেত্রে এ হাসপাতালটিতে চিকিৎসকদের কোন অবহেলা না থাকলেও শুধু পর্যাপ্ত ফিল্ম সংকটের কারনে এ সেবা ব্যাহত হচ্ছে। সৈয়দপুর ১০০ শয্য হাসপাতালের এক্সরে টেকনিশিয়ান স্বপন কুমার জানান, চাহিদানুযায়ি এ হাসপাতালে মাসে গড়ে ছোট-বড় মিলে প্রায় ৬৫০টি ফিল্ম প্রয়োজন। সেখানে সরবরাহ দেয় মাসে মাত্র ১ শতটির একটি প্যাকেট। এতে প্রতিমাসে প্রায় ৫ শতাধিক রোগি এক্সরে সেবা থেকে বঞ্চিত থাকে। আর ঘাটতির কারনে মাসের প্রায় অর্ধেকদিন এক্সরে কক্ষটি বন্ধ রেখে অলস সময় কাটাতে হয়। এ হাসপাতালের ষ্টোর কিপার মোঃ আবদুল্লাহ সাজ্জাদ ফেরদৌস জানান, প্রতি মাসে কমপক্ষে ৫শত ফিল্ম এর চাহিদা দেই নীলফামারী সিভিল সার্জন অফিসে। সেখানে তারা কেবল ১০০ ফিল্ম এর ১টি প্যাকেট দেয়। এতে আমার করার কিছুই নেই। সৈয়দপুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এক্সরে বিভাগের সরকারনির্ধারিত ফি বেরিয়াম মিল (ঔষধ ছাড়া) ২৫০, বেরিয়াম সোয়ালো (ঔষধ ছাড়া) ২৫০, সি এক্স আর/ কে ইউ বি/এ বি ডি/ এল- এস/(১৪ সাইজ) পেলভিস ৭০, এসকলের ১৫ সাইজের মূল্য একই। আবার পি এন এস/এস কিউ এল এল/সি সি(১২ থেকে ১০ সাইজ) ৫৫ টাকা একই ব্যায় হয় এ সকল এক্সরের ১০-৮ সাইজের। রোগিরা জানায়, এ হাসপাতালে যে কোন এক্সরের ব্যায় বাবদ বাহিরে ৩ থেকে ৪ গুন অর্থ বেশি নেয়। মাহবুবা নামে এক রোগি জানায়, গত ৫ দিন বন্ধ ছিল এ হাসপাতালের এক্সরে কক্ষ। আর বাহিরে এ পরীক্ষা বেশি হওয়ায় অর্থের অভাবে মাথার এক্সরে করতে পারিনি। পরে শুধু পি এন এস এক্সরে করতে বাহিরে ক্লিনিকে ৪শ টাকা ব্যায় করতে হয়। একই ধরনের অভিযোগ করেন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগি মামুন, মিন্টু, নাজমুল এবং মারামারিতে চিকিৎসাধীন ১০ জন রোগি। তারা আরো বলেন, মারাত্বক অসুস্থ্যতা নিয়ে শহরে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থেকে অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে এ পরীক্ষা করতে হয়। এতে চড়ম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ নিয়ে সৈয়দপুর ১০০ শয্য হাসপাতালের আর এম ও আঃ রহিমের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সরবরাহ বাড়লে এ কষ্ট আর থাকবে না। নীলফামারী সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুর রশিদ বলেন,এক্সরে ফিল্ম এর চাহিদানুযায়ি বরাদ্দ বাড়ানোর চাহিদা পত্র সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বত্বনদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত সরবরাহ পেলে এ সমস্যা আর থাকবেনা। এ হাসপাতালের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের সাথে একই দাবি করেন এ জনপদবাসি সহ এ হাসপাতালে আগত রোগিরা। এর সাথে দির্ঘ দিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। তাই দ্রুত এক্সরে ফিল্ম সরবরাহ বাড়িয়ে অগ্রাধিকার ভিক্তিত্বে শত ভাগ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের কাছে যথাযথ ব্যাবস্থা নেয়ার তাগিদ দেন তারা।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে রংপুরে আটক -৭

এম আর মহসিন,নীলফামারী :< বহুল আলোচিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে রংপুরে ডাক্তার, শিক্ষকসহ সাতজনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত রংপুর নগরীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাপীড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান-১৩ (র‌্যাব) তাদের আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে কোচিং সেন্টারের ৩ জন শিক্ষক, ৩ জন ডাক্তার এবং একজন কোচিং সেন্টারের পরিচালক বলে জানা গেছে। এরা হলেন, ডাঃ শরীফুল হাসান অন্ত, ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান পাভেল, ডা. জিল্লুর রহমান রনি। এরা সবাই রংপুর মহাবিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের ডাক্তার। অন্যন্যরা হলেন, এ ওয়ান কোচিং সেন্টারের শিক্ষক জামিল উদ্দীন, আতিকুর রহমান আদিল, সাজরাতুল ইয়াক্কিন রানা ও প্রাইমেট মেডিকেল কোচিং সেন্টারের পরিচালক মন্জুর রহমান। মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে রংপুরে অবস্থিত র‌্যাব-১৩ এর কোম্পানি কমান্ডার ক্যাপ্টেন আশরাফ আলী পিপিএম জানান, সোমবার দুপুরে সিটি বাজার এলাকায় অবস্থানকালে র‌্যাবের সদস্যরা কয়েকজন অবিভাবকের সন্ধান পান যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাধ্যমে তাদের সন্তানদের মেডিকেলে ভর্তির চেষ্টা চালিয়েছেন। র‌্যাব ওই অবিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারে যে, নগরীর চেকপোস্ট এলাকার এ ওয়ান কোচিং সেন্টারের ওই তিন শিক্ষক এবং বাংলাদেশ ব্যাংক সংলগ্ন প্রাইমেট কোচিং সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ রংপুর মেডিকেলের তিন চিকিৎসক এ প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত। পরে র‌্যাব অনুসন্ধান চালিয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস জালিয়াতি চক্রের ওই সাত সদস্যকে আটক করে। তিনি আরও জানান, আটকরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকারোক্তিতে জানিয়েছেন তারা।

২০১৯ এর আগে জাতীয় নির্বাচন হবে না -মোঃ নাসিম

এম আর মহসিন,নীলফামারী :> স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী মোঃ নাসিম বলেন,খালেদা জিয়া যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন ছিমহলবাসীদের মুক্ত করতে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। দেশজুড়ে চালিয়েছে লুটপাট আর জ্বালাও পোড়াও । অথচ শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে নিরলশভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি স্বাস্থ্য সেবা কে গ্রামে-গ্রামে মানুষের দোরগড়ায় পৌচ্ছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছেন। আজ তিনি বাংলাদেশের নতুন ভু-খন্ড প্রতিটি বিলুপ্ত ছিটমহলে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের ঘোষনা দিয়েছেন। আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রতিটি বিলুপ্ত ছিটমহলে কমিউনিটি ক্লিনিক গড়ে তোলা হবে বলে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী কারো কান কথা না শোনার কথা উল্লেখ করে বলেন, যে যাই বলুক ‘২০১৯ সালের আগে এই দেশে জাতীয় নির্বাচন হবে না। সেই নির্বাচনে তিনি শেখ হাসিনার পক্ষে বিলুপ্ত ছিটবাসীর কাছে ভোট চান। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যানমন্ত্রী মোঃ নাসিম ১১১টি বিলুপ্ত ছিটমহলের মধ্যে বুধবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহল কোট-ভাজনিয়ায় সাড়ে ৫ হাজার মানুষের সর্বপ্রথম স্বাস্থ্য সেবার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক ও ক্রিমি নিয়ন্ত্রণ এবং ফাইলেরিয়া সনাক্ত করন কর্মসুচীর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধোধন কালে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

সৈয়দপুর বিমানবন্দরের রানওয়েতে ছিটকে পড়লো ইউএস বাংলার বিমান

নীলফামারী প্রতিনিধি ॥ ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ইউএস বাংলার বিমানটি সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরনের সময় চাকা পাংচার হয়ে রানওয়েতে ছিটকে পড়ে। এসময় বিমানে থাকা ৭৬ যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজন বিকট শব্দে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তবে এ দুর্ঘটানায় ৭৬ যাত্রীর সকলেই মারাত্মক দুর্ঘটনা থেকে প্রানে বেঁচে যায়। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় এ ঘটনা ঘটে। পরে সকল যাত্রীকে নিরাপদে অবতরনের পর গন্তব্যে পৌছানো হয়। জানা যায়, ইউএস বাংলা বিমানটি ঢাকা থেকে ৭৬ যাত্রী নিয়ে সৈয়দপুরের দিকে ছেড়ে আসে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ও গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির কারণে রানওয়ে পিচ্ছিল থাকায় ওই বিমানটি রানওয়েতে অবতরনের সময় হঠাৎ বিমানটির চাকা পাংচার হয়ে বিকট শব্দ হয়। ওই শব্দে এলাকার লোকজন ছুটে যায় ঘটনাস্থলে। পরে খবর পেয়ে সৈয়দপুর সেনাবাহিনী ও সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌছে যাত্রীদের উদ্ধার কাজে বিমানবন্দর ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতা করে। এদিকে ঢাকা থেকে ইউএস বাংলার এমডি ও ইঞ্জিনিয়ার জরুরী হেলিকপ্টারে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে এসে পৌছেন। এ ব্যাপারে কথা হয় সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক শাহিন আলম শাহিনের সাথে। তিনি সাংবাদিকদের জানান, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ও গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির কারণেই রানওয়ে পিচ্ছিল হয়ে এ দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ ঘটনায় ঢাকাগামী ৭৬ জন যাত্রীকে গন্তেব্যে পৌছতে সংশ্লিষ্টরা সহায়তা করেছে বলে জানা যায়। তবে এ অনাকাঙ্খিত ঘটনায় যাত্রীরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বেও সৈয়দপুর বিমানবন্দরের রানওয়েতে ইউএস বাংলার বিমান কয়েকবার একই ধরণের দূর্ঘটনার শিকার হয়েছিল। তারপরেও টনক নড়েনি ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষের। ফলে প্রানহানীর ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে যাত্রীরা। এ বিষয়ে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলতে গেলে তাদের অফিস বন্ধ বিধায় কোন মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

নীলফামারীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত

ই-কণ্ঠ ডেস্ক:: নীলফামারীর সৈয়দপুরে এবং কুড়িগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরও ৩৬ জন। আজ শনিবার সকালে এই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। জানা যায়, সৈয়দপুরের কামারপুক‍ুর ইউনিয়নের কলাবাগান এলাকায় মালবাহী ট্রাক একটি ভটভটিকে ধাক্কা দিলে একজনের মৃত্যু হয়। একই সময় কামারপুকুর ব্রিজের কাছে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলে এক শিশু নিহত হয়। এ ঘটনায় বাসের আরও ১০ যাত্রী আহত হন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্যদিকে, কুড়িগ্রাম হেনাজের তল এলাকায় নিউ লিটল স্কুলের পাশে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আরও ২৬ জন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রধান সংবাদ


সর্বশেষ সংবাদ

লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ: সভাপতি-সম্পাদকসহ আহত-৪

সৈয়দপুরে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

সৈয়দপুরে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা ফুটবল প্রতিযোগিতা ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবর্ধনা পেল ভোরের ডাক প্রতিনিধি এম আর মহসিন

নীলফামারীতে এক বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধার

নীলফামারীতে স্ত্রীকে হত্যার পর সন্তানদের নিয়ে স্বামী পলাতক

নীলফামারীতে সাত ইউপিতে আ.লীগ, পাঁচটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত

সৈয়দপুরে বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে স্বামীর নিহত ও স্ত্রীর অবস্থা সংকটাপন্ন

সৈয়দপুরে শালিসে প্রতিপক্ষের হামলায় অর্ধশতাধিক আহত, গুরুতর-৩


আজকের সব সংবাদ

সম্পাদক : মো. আলম হোসেন
প্রকাশনায় : এ. লতিফ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
সরদার নিকেতন
হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১১।

ফোন: ০২-৭৪৫১৯৬১
মুঠোফোন: ০১৭৭১৯৬২৩৯৬, ০১৭১৭০৩৪০৯৯
ইমেইল: ekantho24@gmail.com