রবিবার, ২৩ Jul ২০১৭ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৪ English Version

সারাদেশ - খুলনা বিভাগ - যশোর

যশোরে হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া আসামী নিহত

বেনাপোল কাস্টমসে ঈদের ছুটি বাতিল করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

যশোরকে বিভাগ ও সিটি করপোরেশন ঘোষণার দাবি কাজী নাবিলের

বৃষ্টি উপেক্ষা করে ক্রেতাদের পদচারনায় জমে উঠেছে যশোরের ঈদ বাজার

যশোরে কৌশলে মাদক চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টায় ব্যর্থ এসআই মাহবুবুর রহমান ক্লোজড

ছাত্রলীগ নেতার মোটর সাইকেল জব্দ করার প্রতিবাদে যশোর সদর ট্রাফিক অফিসে ছাত্রলীগের হঠাৎ হামলা, তিন পুলিশ সদস্য আহত

যশোরের মনিরামপুর বাজারে ফরমালিন যুক্ত ইফতারী সামগ্রী ও বিভিন্ন ফলে সয়লাব

যশোরে দুই মাদক ব্যবসায়ীর ‘গোলাগুলিতে’ নিহত ২

যশোরে সফটওয়্যার পার্কের কাজ সম্পন্ন, মে মাসে উদ্বোধন

নিজ দোকানে ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: যশোরের ঝিকরগাছায় রাজ্জান মেম্বার (৪০) নামে এক ইউপি সদস্যকে নিজ দোকানে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রাজ্জান গদখালি গ্রামের দলিল সরদারের ছেলে ও গদখালি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গদখালি বাজারের দোকানে তাকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদ করিম জানান, সকালে রাজ্জান মেম্বার গদখালি বাজারে তার দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

যশোরে চার ভাই-বোনসহ একই পরিবারের ৬ জঙ্গি : নতুন পোষ্টারে ১১ জন

ডি এইচ দিলসান : আপন চার ভাই-বোনসহ একই পরিবারের ছয়জন জঙ্গির সন্ধান পেয়েছে যশোর পুলিশ। তারা তাদের কার্যক্রমেও চালিয়ে যাচ্ছে। জেলা পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান মঙ্গলবার স্থানীয় সংবাদকর্মীদের এ তথ্য দেন। তিনি তাদের পরিচয়ও প্রকাশ করেন।ওই চার ভাই-বোন যশোর শহরের পুরাতন কসবা কদমতলা এলাকার বাসিন্দা। তারা হলেন শহরের পুরাতন কসবা কদমতলা এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে তানজিব ওরফে আশরাফুল, তার ভাই তানজির আহমেদ, বোন মাছুমা আক্তার ও মাকসুদা খাতুন, মাকসুদার স্বামী শাকির আহম্মেদ ও মাসুমার স্বামী নাজমুল হাসান। তিনি আরো জানান, চার ভাই-বোনের দুই প্রশিক্ষকসহ আরও পাঁচ জঙ্গির কথাও জানতে পেরেছে পুলিশ। সবমিলিয়ে এই ১১ জঙ্গির ছবিসহ একটি পোস্টার মঙ্গলবার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়। আনিসুর রহমান হতাশার সুরে আরো বলেন,এদিকে এসব ‘জঙ্গি’র মধ্যে তিনজনকে বিভিন্ন সময়ে আটক করা হলেও সরকারি এ্যাড. (পাবলিক প্রসিকিউটর-পিপি) বিরোধিতা না থাকায় আদালত তাদের জামিন দিয়ে দিয়েছেন।এমনকী এক জঙ্গির পক্ষে যশোর সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ প্রত্যয়নপত্র দিয়েছেন বলেও তিনি জানান। পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান জানান, উল্লিখিত ছয় জঙ্গির মধ্যে তানজিব হিযবুত তাহরীরের মোশরেক পদে আছেন। বাকিরা একই সংগঠনের কর্মী। তাদের প্রশিক্ষক হিসেবে ঢাকার উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর রোডের ১৭ নম্বর বাড়ির মুসাব্বির ওরফে প্রকাশ ওরফে তন্ময় (৩০) এবং ঢাকার আশকোনা দক্ষিণখান ৪০১ কলেজ রোডের হারেজ আলীর (২৭) ছবি ও নামও ছাপা হয়েছে ওই পোস্টারে। এছাড়াও ওই পোস্টারে আরও যে তিন জঙ্গির নাম ও ছবি প্রকাশ করা হয়েছে তারা হলেন, যশোরের মণিরামপুরের জিএম নাজিমউদ্দিন ওরফে নকশা নাজিম, চাঁচড়া বেড়বাড়ি এলাকার মহিউদ্দিন এবং শার্শার মেহেদি হাসান ওরফে জিম ওরফে হুসাইন। পুলিশ সুপার বলেন, বিভিন্ন সময়ে জঙ্গি তানজিবের বাসায়ই জঙ্গি প্রশিক্ষক তানজিব ও হারেজ আলী তাদেরর প্রশিক্ষণ দিতো। সম্প্রতি যশোর পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করা হিযবুত তাহরীরের চার সদস্যও একই স্থানে প্রশিক্ষণ নিতো বলে জানান যশোরের পুলিশ প্রধান। তিনি বলেন, গত বছর ২০ সেপ্টেম্বর তানজিবকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সরকারি কৌশূলি তার জামিনের বিরোধিতা না করায় আদালত গত মে মাসে তাকে জামিন দেন। একইভাবে তানজিবের ভাই তানজির আহমেদ ও বোন মাছুমা আক্তারকেও পুলিশ একটি ল্যাপটপসহ আটক করে। এই দুটি মামলাতেও সংশ্লিষ্ট সরকারি কৌশূলিরা জামিনের বিরোধিতা না করায় আদালত তাদের জামিন দিয়ে দেন। তিনজনই বর্তমানে পলাতক আছেন। পুলিশ সুপার বলেন, আমরা আদালতের রায়ের অনুলিপি তুলে দেখেছি। সরকারি এ্যাডভোকেট (পিপি) জামিনের বিরোধিতা না করায় আসামিদের জামিন দেওয়ার কথা লিখেছেন বিচারক। তানজিবের পক্ষে যশোর সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ প্রত্যায়নপত্রও দিয়েছেন। এসব বিষয় সরকারকে জানানো হয়েছে বলেও পুলিশ সুপার উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, স্পর্শকাতর এ বিষয়গুলোতে পুলিশ খুবই ‘সিরিয়াস’। এসব জঙ্গিদের ধরতে আমরা একেকজনের পেছনে ৬-৭ বার করেও অভিযান চালিয়েছি। কড়া নজরদারি তো অব্যাহত আছেই। প্রসঙ্গত, এর আগে ম্যাগপাই নিউজ ২৪ ডট কম সম্প্রতি যশোরে জঙ্গিদের নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে।

সক্রিয় চামড়া পাচারকারী চক্র : বিজিবি’র ৮৯ রুট চিহ্নিত-‘নো টলারেন্স’-২১ বিজিবি কমান্ডিং অফিসার

ডি এইচ দিলসান: ঈদকে সামনে রেখে সক্রিয় হয়ে উঠেছে চামড়া পাচারকারী চক্র। কুরবানি ঈদে গরু ছাগলের চামড়া ভারতে পাচার করতে আগে থেকেই বিভিন্ন সীমান্তে চোরাচালান সিন্ডিকেট চক্রের চিহ্নিত ব্যক্তিদের আনাগোনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে চামড়া পাচারে বিজেবি ‘নো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। বিজিবি’র গোয়েন্দারাও সীমান্তগুলোতে নজরদারী বাড়িয়েছে। বিজিবি’র গোয়েন্দা সূত্রের এক কর্মকর্তা ফোনে জানান,ভারতে চামড়া পাচারের জন্য দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৭ জেলার ৮৯টি রুট চিহ্নিত করা হয়েছে। এ সব রুটের মধ্যে প্রধান রুটগুলো হচ্ছে,সাতক্ষীরায় ২২, যশোরে ১৯, কুষ্টিয়ায় ১০, ঝিনাইদহে ৭, বাগেরহাটে ১১ এবং মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় ২০টি করে। সূত্র আরো জানায়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার করিমপুর ও মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গী থানার ৪৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে ২৯ কিলোমিটার স্থল আর বাকী ১৭ কিলোমিটার জল সীমানা। স্থলভাগের ২৯ কিলোমিটারে কাঁটাতারের বেড়া থাকলেও নদী পথের ১৭ কিলোমিটার জলসীমায় কোনো বেড়া নেই। এছাড়া সীমান্ত এলাকার মহিষকুরি ভাগজোত মোড়, মুন্সিগঞ্জ, প্রাণপুর, চরপাড়া, রামকৃষ্ণপুর, চিলমারী ও চরচিলমারী স্থান দিয়ে ঈদ পরবর্তী সময়ে চামড়া পাচার হয়ে থাকে। এছাড়া সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারী, ঘোনা, কুশখালী, ভোমরা, হাড়দ্দাহ, কলারোয়া উপজেলার মাদ্রা, সোনাবাড়িয়া, চান্দুড়িয়া, কেড়াগাছি, কাকডাঙ্গা, ভাদিয়ালী ও হিজলদী এবং দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া, শাকরা, গাজিরহাট ও টাউন শ্রীপুর পাচারকারীদের কাছে আকর্ষনীয় রুট। পাচারকারীরা নিরাপদ রুট হিসেবে যশোরের শার্শা উপজেলার শিকারপুর, গোগা, শালকোনা, রুদ্রপুর, কায়বা ও অগ্রভুলোট, বেনাপোল বন্দর থানার গাতিপাড়া, দৌলতপুর, পুটখালী, ঘিবা, বেনাপোল আইসিপি ও রঘুনাথপুর এবং চৌগাছা উপজেলার মাশিলা, আন্দুলিয়া বিওপি, বর্ণী, শাহাজাদপুর, পুড়োপাড়া, যাদবপুর ও হিজলকে মনে করে। সূত্র জানায়,বাগেরহাটের মংলার নালা, নলিয়ান, তাতরাল পয়েন্ট, হংসরাজ চ্যানেল, বোর পয়েন্ট, হিরণ পয়েন্ট, দুবলার চর, ছোট আমবাড়িয়া খাল, জ্যাফোর্ড পয়েন্ট, ফেয়ার ওয়েবয়া ও এর আশেপাশের এলাকা দিয়ে শক্তিশালী চামড়া পাচারকারী সিন্ডিকেট রয়েছে। ঝিনাইদহের সীমান্ত থানা মহেশপুরের বাঘাডাঙ্গা,শ্যামকুড়,জুলুশী ও কুসুমপুর এলাকা দিয়েও চামড়া পাচারের আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়াও চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করেও চামড়া পাচার হয়ে থাকে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে ২১ বিজিবি কমান্ডিং অফিসার লে. কর্ণেল আরিফুর রহমান জানান, সীমান্তে বিজিবি’র প্রতিটি জওয়ানদের নিদের্শ দেয়া হয়েছে সব সময় সতর্কতার সাথে ‘ডিউটি’ করতে। চামড়া পাচার যাতে না হয় সে বিষয় তিনি কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রতিটি বিওপিকে জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন,চামড়া পাচারে বিজেবি ‘নো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।

যানজটে নাকাল যশোরবাসী

ডি এইচ দিলসান : যশোরের একটি বেসরকারী সংস্থায় কর্মরত সুইটি বেগম। স্বামী মুজিবর রহমান সরকারি চাকরীর সুবাদে থাকেন দিনাজপুর। একমাত্র ছেলে রিফাত রহমান একটি বেসরকারি স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র। অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় আয়েশা নিজেই কাজের এক ফাঁকে অলিখিত ছুটি নিয়ে প্রতিনিয়তই ছেলেকে স্কুল থেকে বাসায় দিয়ে আবারও অফিসে আসেন। মানবিক দিক বিবেচনা করে বিষয়টি মেনে নিয়েছিলেন সহকর্মীরাও। কিন্তু গত দু-তিন মাস ধরে উদ্বিগ্ন সুইটি। ত্যক্ত-বিরক্ত সহকর্মীরাও। কারণ উল্লেখ করতে যেয়ে তিনি বলেন, আগে ছেলেকে স্কুল থেকে নিয়ে বাসায় দিয়ে অফিসে ফিরতে সময় লাগত সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট। কিন্তু সম্প্রতি অসহনীয় হয়ে ওঠা যানজটের কারণে এই কাজটি করতেই তার সময় চলে যাচ্ছে আধা ঘন্টা থেকে পোনে এক ঘন্টা। বিকল্প পথ ব্যবহার করেও মিলছে না কোন সমাধান। শুধু সুইটি বেগমই নন, যানজটের কারণে প্রতিনিয়তই নাকাল হতে হচ্ছে যশোর শহরবাসীকে। এক বছর আগেও শহরবাসী যা কল্পনাতে ভাবেনি সম্প্রতি ঘটছে সেটাই। যানজটের কারণে শুধুমাত্র দড়াটানা মোড় থেকে এম কে রোড হয়ে চৌরাস্থায় যেতেই চলে যাচ্ছে মূল্যবান ২০ থেকে ৩০ মিনিট, কোন কোন সময় আরো বেশি। দড়াটাতে ইজিবাইক বন্ধ করায় কিছুটা যানযট কম হলেও শহরের গুরুত্বপূর্ণ সব সড়কেই লেগেই থাকে যানযট। বিশেষ করে, সিভিল কোর্ট মোড়. চেত্রার মোড়, চৌরাস্থাসহ শহরের গুরুত্বপূর্ন সড়োক গুলোর অবস্থা সচোনিয়। এ ব্যাপারে প্রশাসন একাধিক পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও ফল মিলছে না। উল্টো দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে যানজট। অভিযোগ রয়েছে, যানজট নিরসনের চেয়ে ট্রাফিক পুলিশের অর্থমোহই এ সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। এছাড়াও লোকবল সংকট আর অপরিকল্পিত ট্রাফিক ব্যবস্থার জন্যও এ অবস্থা চরম আকার ধারণ করছে। সূত্রমতে, যশোরে যানজটের শুরু ৩ বছর খানেক আগে। সে সময় রব উঠেছিল, নিবন্ধন বর্হিভূত ইজিবাইকের সংখ্যা মাত্রাধিক্য হওয়ায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে বিষয়টি জেলা মাসিক উন্নয়নসভা ও আইন-শৃংখলা সভায় উঠে আসে। ওই সময় যানজট নিরসনে গৃহীত হয় একাধিক পরিকল্পনা। এর জের ধরেই শহরের দড়াটানা মোড় থেকে সরিয়ে দেয়া হয় ইজিবাইক, টেম্পু ও রিকশার মূল স্ট্যান্ড। শুধুমাত্র বাই রোটেশনে নির্ধারণভিত্তিক ওই সমস্ত কয়েকটি যান দড়াটানায় থাকার অনুমতি পায়। পর্যায়ক্রমে এ ধরণের একাধিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ওই সভাগুলোতে। সিদ্ধান্তের প্রথমদিকে কিছুটা সুফল মিললেও পরে ধোপে টেকেনি তা। এর পর সিদ্ধান্ত হলো শহর থেকে উঠে যাবে অটো রিক্সা, প্রথম প্রথম বন্ধ হলেও এখন দিদারসেই চলছে অটোরিক্সা। এখন প্রশাসনের ওই সিদ্ধান্তগুলোই গোঁদের উপরে বিষফোঁড়া হয়ে দেখা দিয়েছে। শহরের রেলরোড এলাকার অসিম দাস জানান জানান, আগে যানজট শুধুমাত্র দড়াটানা কেন্দ্রিকই ছিল। কিন্তু ইজিবাইক স্ট্যান্ড বকুলতলা, গাড়ীখানা রোড আর সদর হাসপাতাল চত্বরে সরিয়ে নেয়ায় যানজট এখন শহরের মূল কেন্দ্র জুড়েই দেখা দিয়েছে। তার উপর রিকশা চালকদের যত্রতত্র অবস্থান এ অবস্থাকে আরো অসহনীয় করে তুলেছে। নূতন খয়েরতলা এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান জানান, শহরে দিনের বেলায় প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, মিনি ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান যত্রতত্র প্রবেশ করায় যানজট আরো প্রকট হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, ওই যানগুলো নিয়ম ভঙ্গ করে ওভারটেক করতে যেয়েই সৃষ্টি করে সমস্যার। ট্রাফিক সদস্যদের সামনে এগুলো ঘটলেও অজ্ঞাত কারণে এ ব্যাপারে নীরব থাকেন তারা। বেশীরভাগ সময়ই এ ধরণের যানগুলোর কারণে তিন থেকে চারটি লাইনের সৃষ্টি হয়। এতে সংকুচিত হয়ে পড়ে বিপরীত দিকের পথ। স্বাভাবিক কারণেই সৃষ্টি হয় যানজটের। অপরদিকে, অসহনীয় এ যানজটের জন্য ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদেরই দায়ী করছেন শহরবাসীসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকেরা। তারা অভিযোগ করেছেন, বেশীরভাগ সময়ই ট্রাফিক সদস্যদেরকে যানজট নিরসনের চেয়ে অর্থ আদায়ে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। এমনকি যানজটের কারণে যখন থমকে যায় পুরো শহর তখনও দুর্নীতিগ্রস্থ ওই ট্রাফিক সদস্যদের ইজিবাইক থামিয়ে আইন অমান্য করার অজুহাত তুলে চালকদের কাছ থেকে উৎকোচ নিতেও দেখা গেছে। আর যশোর ট্রাফিকের ওসিকে মাঝে মাঝে যানজট নিরসনে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেলেও সার্জেন্টদের দেখা মেলে না তেমন। অভিযোগ রয়েছে, সার্জেন্টরা দিন-রাতের সিংহভাগ সময়ই হাইওয়েতে ব্যস্ত থাকেন মাসোহারা আদায়ে। যা যশোরের পুরো ট্রাফিক ব্যবস্থাকেই হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অভিযোগকারীরা। যে কারণে মাত্র দু’মাসের ব্যবধানেই যশোর শহর রূপ নিয়েছে পুরান ঢাকার অলি-গলিতে। অভিযোগকারীরা যানজটের নতুন এ চিত্রের জন্য ট্রাফিক বিভাগসহ প্রশাসনের অদূরদৃষ্টিকেও দায়ী করেছেন।

কেশবপুরে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে বন্যার পানি

শেখ শাহীন, কেশবপুব(যশোর)প্রতিনিধি:: যশোরের কেশবপুরের একমাত্র বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রেটি বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। প্রতিদিন ওই পানি বেড়েই চলেছে। এ ছাড়া মনিরামপুর থেকে ১৪ কিলোমিটার ৩৩ কেভিসহ উপজেলার প্রায় ৩শ’ কিলোমিটার বিদ্যুৎ সরবারাহ লাইনের খুঁটি জলমগ্ন হয়ে পড়ায় ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা। জরুরী ভিত্তিতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোন মূহুর্তে বন্ধ হয়ে যেতে পারে উপজেলার ৪২ হাজার গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতায় যশোর গ্রীড থেকে মনিরামপুর হয়ে কেশবপুরের আলতাপোল ১০ এমভিএ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়ে থাকে। মনিরামপুর থেকে ১৪ কিলোমিটার ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ সরবারাহ লাইনের মাধ্যমে আলতাপোল উপকেন্দ্রে ওই বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। ওই লাইনের প্রায় ৪ কিলোমিটার বিভিন্ন মাছের ঘেরের মধ্যে স্থাপিত হওয়ায় ঘের খননের সময় খুঁটির গোড়া থেকে মাটি কেটে নেয়। এ ছাড়া ঘেরে মাছের খাদ্য হিসেবে রাসায়নিক সার ব্যবহার করায় মাটি নরম হয়ে সামান্য ঝড়বৃষ্টি হলেই খুঁটি হেলে পড়ার কারণতো আছেই এছাড়া ইতি মধ্যে ওই খুঁটি গুলি পরিবর্তন করার সময় কোন খুঁটিতে টানা দেওয়া হয়নি। এমনকি খুঁটি গুলি ৬ ফুট গর্ত করে র্নিমাণ করার কথা থাকলেও নিয়ম ভঙ্গকরে খুঁটি গুলি ৩ থেকে সাড়ে ৩ ফুট গর্তে পোতা হয়েছে। যে কারনে খুঁটি গুলি বেশির ভাগ হেলে পড়েছে। সম্প্রতি বৃষ্টি ও উজানের পানিতে কেশবপুর ও মনিরামপুর এলাকা প্লাবিত হওয়ায় আরও ৬ কিলোমিটার ৩৩ কেভি সরবরাহ লাইন জলমগ্ন হয়ে পড়ায় নতুন করে ঝুঁকি বেড়েছে। প্রতিদিন পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যকুল এলাকায় বিদ্যুৎকর্মীরা নৌকা ও ডুবুরিদের সহযোগিতায় মোড়ল মৎস্য ঘেরের মধ্যে স্থাপিত ৩৩ কেভি সরবরাহ লাইনের খুঁটিতে ঠেসপোল (অতিরিক্তি খুঁটি) দিয়ে ঝুঁকিমুক্ত রাখার চেষ্টা করে চলেছেন কর্তপক্ষ। এ ছাড়া আলতাপোল উপকেন্দ্র থেকে সরবরাহকৃত বিভিন্ন এলাকার ১১ কেভি ও ৬ দশমিক ৩৫ কেভি লাইনের ৮শ’ কিলোমিটারের মধ্যে মাছের ঘের ও বিল সহ নিম্নাঞ্চলের প্রায় ৩শ’ কি.মি. লাইনে খুঁটির গোড়ায় জলাবদ্ধতার কারণে উপজেলার অভ্যন্তরে বিদ্যুৎ সরবরাহ ঝুঁকি আরও বেড়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ কেশবপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম ছিদ্দিকুর রহমান জানান, কেশবপুর পৌর এলাকায় প্রতিদিন বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বায়সা সড়কস্থ বিদ্যুৎ অফিস ও আলতাপোল ১০ এমভিএ উপকেন্দ্রেটি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় উপকেন্দ্রে আরও ৩ ইঞ্চি পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উপকেন্দ্রে পাওয়ার ট্রান্সফরমার, রেডিয়েটরসহ স্থাপিত যন্ত্রাংশের প্যাডের উপর পানি উঠেছে। মঙ্গলবার প্যাডের চারপাশে বালির বস্তা দিয়ে পানি থেকে যন্ত্রপাতি রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে যে কোন মূহুর্তে ওই উপকেন্দ্রে মনিরামপুর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিতে হতে পারে। ফলে বন্ধ হয়ে যাবে কেশবপুরের ৪২ হাজার গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ। যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর প্রকৌশলী আমিরুল ইসলাম জানান, সোমবার থেকে প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটিতে ঠেসপোল দেয়া হচ্ছে। এই দুর্যোগের মধ্যে কেশবপুরে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখতে আলতাপোল উপকেন্দ্রে এসিআর ও এবিএস অপারেশনের জায়গায় বালির বস্তা দিয়ে উঁচু করা হয়েছে। তবে রেডিয়েটরে পানি ঢুকলেই পাওয়ার ট্রান্সফরমার চালু রাখা সম্ভব হবে না। সে ক্ষেত্রে ওই উপকেন্দ্র চালু রাখতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী।

যশোরে গুলিবিদ্ধ দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক :> যশোরে আলাদা দুটি জায়গা থেকে গুলিবিদ্ধ দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, শহরের পৌর পার্ক এলাকা থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে উদ্ধার করা হয়। তবে, তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে মেলে, নম্বর বিহীন একটি মোটরসাইকেল। যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নতুনহাট গেঞ্জির মিলের পাশ থেকে উদ্ধার হয় আরেকজনের মরদেহ। চিকিৎসক জানিয়েছেন, দুজনের মাথায়ই গুলির চিহ্ন রয়েছে। পুলিশের ধারণা, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এ হত্যা।

কেশবপুরে সেপটিক ট্যাংকের বিষক্রিয়ায় পাঁচ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক :> যশোরের কেশবপুর উপজেলার বরণডালি গ্রামে আজ সোমবার নির্মাণাধীন একটি সেপটিক ট্যাংকের বিষক্রিয়ায় পাঁচ নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন একজন। যশোর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পরিমল কুণ্ডু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আজ বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পাঁচজনই বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান বলেও জানান ফায়ার সার্ভিসের এই সহকারী পরিচালক। বরণডালি গ্রামের বাসিন্দা আবদুস সালাম জানান, নিহত ব্যক্তিরা হলেন গ্রামের আহাদ আলী গাজী (৪৫) ও শফিকুল ইসলাম (২৩) এবং পাশের সাহাপুর গ্রামের আবদুল হামিদ (২২), ইকবাল হোসেন (৩৫) ও ইবাদ হোসেন (২৮)। খবর পেয়ে মণিরামপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করেন এবং আহত একজনকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সরসকাটি ডিগ্রি কলেজের পূর্ব পাশে বরণডালি গ্রামের ওজিয়ার রহমানের বাড়িতে কয়েকদিন আগে নতুন একটি সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ করা হয়। আজ বিকেল ৫টার দিকে সেপটিক ট্যাংকের ঢালাইয়ের বাঁশ খোলার জন্য নির্মাণশ্রমিকরা একে একে ভেতরে নামছিলেন, কিন্তু কেউ উঠে আসছিলেন না। পরে বিষয়টি টের পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। এ ব্যাপারে জানতে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে কল দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

যশোরে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: যশোরে বিএসএফের গুলিতে শহীদুল (৩৩) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত শহীদুল পুটখালী গ্রামের ছবেদ আলীর ছেলে। আজ শনিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে বেনাপোলের পুটখালী গ্রামের বিপরীতে ভারতের আংরাইল সীমান্তের ইছামতী নদীর ধারে এ ঘটনা ঘটে। পুটখালী বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার শামসুর রহমান জানান, শহীদসহ কয়েকজন যুবক ভারত থেকে গরু নিয়ে ফিরছিলেন। তারা আংরাইল সীমান্তের ইছামতী নদীর ধারে পৌঁছালে বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এতে শহীদ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

কালাজ্বর নির্মূলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১২ সদস্যের টিম এখন যশোরে ১শ ৫০ জনের রক্ত সংগ্রহ

বিশেষ প্রতিনিধি : যশোর সদরের নূরপুরে কালাজ্বরে আক্রান্ত গৃহবধূ তাসলিমা খাতুনের বাড়িতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দুটি টিম বৃহস্পতিবার দিনভর সেখানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়েছে। সহকারী পরিচালক ডা. তৌহিদুর রহমানের নেতৃত্বে টেকনিক্যাল কনসালটেন্ট ডা. একেএম আব্দুল কাইয়ুম, কীটতত্ত্ববিদ ডা. সৈয়দ আহমেদ আব্দুল্লাহসহ ১২ সদস্যের ২টি টিম ৬০টি পরিবারের ১শ ৫০ জন সদস্যের প্যাথলজি পরীক্ষার জন্য রক্ত সংগ্রহ করেন এবং তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। ৬৯ বছর পর গত জুনে নূরপুর গ্রামে গৃহবধূ তাসলিমার শরীরে কালাজ্বর ধরা পড়ে। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. গৌতম আচার্য এ কালাজ্বর শনাক্ত করেন। এরপর যশোর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগসহ গোটা বাংলাদেশে তাসলিমা খাতুনকে নিয়ে সাড়া পড়ে যায়। ঢাকা মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের কর্মকর্তাগণ তাসলিমা খাতুনের কাছে ছুটে আসেন এবং সরকারিভাবে তার ব্যয়বহুল চিকিৎসার ভার গ্রহণ করেন। স্বাস্থ্য অধিপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সহকারী পরিচালক ডা. তৌহিদুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বেলেমাছি এ কালাজ্বরের বাহক। তাই ওই গ্রামে বেলেমাছির ঘনত্ব নির্ণয় এবং আর কোন কালাজ্বরের রোগী আছে কী না তা অনুসন্ধান অব্যাহত রাখা হয়েছে। গবেষণাগারে প্যাথলজি পরীক্ষা করার জন্য নমুনা হিসেবে অনেকের শরীর থেকে রক্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ নমুনা ঢাকায় গবেষণাগারে প্যাথলজি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রিপোর্ট দেয়া হবে। এ অনুসন্ধান অভিযানে নূরপুরবাসী উপকৃত হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, কালাজ্বরে চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। দরিদ্র মানুষ কাঁচা দেয়াল, ফাটা ও ঝুঁপড়ি ঘরে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে বসবাস করে। এসব জায়গায় থাকে কালাজ্বরের জীবাণু বাহক বেলেমাছি। ওই বেলেমাছিতে কামড় দিলে মানুষ কালাজ্বরে আক্রান্ত হয়। তাসলিমা খাতুন এমন পরিবেশ থেকে কালাজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ২৫ জুন হতে ১২ জুলাই পর্যন্ত তাসলিমা চিকিৎসা নিয়েছেন। সেখানে বিনামূল্যে সরকারি খরচে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ থেকে তাকে চিকিৎসা করানো হয়। ৭টি এ্যাম্পুলের সমন্বয়ে কালাজ্বরে আক্রান্ত রোগীকে একটি ইনজেকশন দিলে রোগী সুস্থ হয়। একজন রোগীর পেছনে এ ইনজেকশনের মূল্য পড়ে ৬ লাখ টাকার বেশি। দরিদ্র তাসলিমা খাতুন সেই চিকিৎসা পেয়েছেন। দরিদ্রদের ক্ষেত্রে নিজস্ব খরচে এ চিকিৎসা করা সম্ভব নয় বলে উল্লেক করেন ডা. তৌহিদুর রহমান। এদিকে কালাজ্বরে আক্রান্ত তাসলিমা খাতুন সাংবাদিকদের জানান, তিনি ওই ইনজেকশন নেয়ার পর অনেকটা সুস্থ হয়ে ওঠেছেন ।

প্রধান সংবাদ

যশোরে হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া আসামী নিহত

বেনাপোল কাস্টমসে ঈদের ছুটি বাতিল করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

যশোরকে বিভাগ ও সিটি করপোরেশন ঘোষণার দাবি কাজী নাবিলের

বৃষ্টি উপেক্ষা করে ক্রেতাদের পদচারনায় জমে উঠেছে যশোরের ঈদ বাজার

যশোরে কৌশলে মাদক চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টায় ব্যর্থ এসআই মাহবুবুর রহমান ক্লোজড

ছাত্রলীগ নেতার মোটর সাইকেল জব্দ করার প্রতিবাদে যশোর সদর ট্রাফিক অফিসে ছাত্রলীগের হঠাৎ হামলা, তিন পুলিশ সদস্য আহত

যশোরের মনিরামপুর বাজারে ফরমালিন যুক্ত ইফতারী সামগ্রী ও বিভিন্ন ফলে সয়লাব

যশোরে দুই মাদক ব্যবসায়ীর ‘গোলাগুলিতে’ নিহত ২

যশোরে সফটওয়্যার পার্কের কাজ সম্পন্ন, মে মাসে উদ্বোধন


সর্বশেষ সংবাদ

পুলিশ যখন পশু !

যশোরে পুত্রবধূর বটির কোপে মৃত্যুমুখে শ্বশুর

চলতি বছর ঈদের ছুটিতে বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে রেকর্ড সংখ্যক পাসপোর্ট যাত্রীর যাতায়াত-নয় দিনে প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ টাকা রাজস্ব আয়

যশোরে ঝিকর গাছায় ৩শ’ বছরের পুরাতন বাজার উন্নয়নে ২৭ কোটি টাকার কাজ শুরু

যশোর শহরে বোমাবাজির ঘটনায় ২৮ সন্ত্রাসীর নামে পুলিশের মামলা ॥ বোমা, গুলি জালের কাটি উদ্ধার

প্রেম মানে না বয়স কিংবা ধর্ম বর্ণ

সারা বিশ্বের ন্যায় যশোরেও পালিত হলো বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস

যশোরে পুলিশের গুলিকে মৃত্যুর মুখোমুখি এক ব্যাক্তি

যশোরেও পবিত্র জুমাতুল বিদা পালিত হয়েছে


আজকের সব সংবাদ

সম্পাদক : মো. আলম হোসেন
প্রকাশনায় : এ. লতিফ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
সরদার নিকেতন
হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১১।

ফোন: ০২-৭৪৫১৯৬১
মুঠোফোন: ০১৭৭১৯৬২৩৯৬, ০১৭১৭০৩৪০৯৯
ইমেইল: ekantho24@gmail.com