রবিবার, ২৩ Jul ২০১৭ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৪ English Version

ফিচার

গ্রাম বাংলার কুপিবাতি বা কুপি এখন শুধুই স্মৃতি

Published: 2015-09-10, 18:11:29 PM Updated: 2015-09-10, 18:11:29 PM

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :< গ্রাম বাংলার কুপিবাতি বা কুপি, এখন শুধুই স্মৃতি। গ্রাম বাংলার প্রতি গৃহের অতি প্রয়োজনীয় কুপি আজ বিলীন হওয়ার পথে। গ্রামের অমাবশ্যার রাতে মিটি মিটি আলো জ্বালিয়ে মানুষের পথচলার স্মৃতি এখনো।

একটা সময় ছিল যখন বাহারি ধরনের কুপিই ছিল মানুষের অন্ধকার নিবারণের অবলম্বন। কিন্তু কালের বিবর্তনে কুপি বাতির স্থান দখল করে নিয়েছে বৈদ্যুতিক বাল্ব, চার্জার, হ্যারিকেনসহ আরো অনেক কিছুই। ফলে ক্রমে বিলীন হয়ে যাচ্ছে আবহমান গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যময় এই নিদর্শনটিও।

এই কুপিগুলোও ছিল বাহারি ডিজাউনের ও রংয়ের। কোনটি ছিল মাটির, কোনটি লোহার, কোনটি কাঁচের আবার কোনটি ছিল পিতলের তৈরী। নিজ নিজ সামর্থ অনুযায়ী লোকজন কুপি কিনে সেগুলো ব্যবহার করত। বাজারে সাধারণত দুই ধরণের কুপি পাওয়া যেত ছোট ও বড়। কুপি হতে বেশী আলো পাওয়ার জন্য ছোট কুপি গুলোর জন্য কাঠ, মাটি বা কাঁচের তৈরী গছা (ষ্ট্যান্ড) ব্যবহার করা হতো। এই গছা গুলোও ছিল বিভিন্ন ডিজাউনের। কিন্তু বর্তমানে গ্রাম বাংলায় বিদ্যুতের ছোঁয়ায় কুপির কদর হারিয়ে গেছে। বিদ্যুৎ না থাকলেও অবশিষ্ট সময় মানুষ ব্যবহার করেছে বিভিন্ন ধরণের চার্জার ও হ্যারিকেন।

গ্রাম বাংলার আপামর লোকের কাছে কুপির কদর হারিয়ে গেলেও এখনও অনেক লোক আছেন যারা আঁকড়ে ধরে আছেন কুপির এই স্মৃতিকে। সৌখিন অনেকে এখনও কুপি ব্যবহার করেছেন আবার কেউ সযত্নে এটি সংরক্ষণ করেছেন আবহমান গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যময় নিদর্শন হিসাবে। কুপির কদর ও ব্যবহার ক্রমে যে হারে লোপ পাচ্ছে এতে করে নিকট ভবিষ্যতে কুপি বাতির স্মৃতি ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না বলে মনে করেছেন বিজ্ঞজনরা।

আবহমান গ্রাম বাংলার কুপি বাতির মতো অনেক ঐতিহ্যময় নিদর্শন আজ প্রযুক্তির কল্যাণে বিলীন হওয়ার পথে। কিন্তু এক সময় ছিল বাংলার প্রকৃত স্বরুপ ও ঐতিহ্য ছিল গ্রাম বাংলার এই নিদর্শন গুলো। তাই নব প্রজন্মকে অতীত ইতিহাস সঠিকভাবে জানানোর স্বার্থে কুপি বাতি গ্রামের ঐতিহ্যময় নিদর্শন গুলো সংরক্ষণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু উদ্যোগ গ্রহণ জরুরী বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন সচেতন মহল।

 

 

সাম্প্রতিক খবর

গাছের সাথে গাছের বিয়ে

আশুলিয়ায় ছাই থেকে তৈরি হচ্ছে পিতলের তৈজসপত্র

স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চায় মৌচাষী ওবাইদুল আলম ববির

এক যুগ পর হলেও এমপিও হয়নি ছয়রশিয়া উচ্চ বিদ্যালয়

কালের গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম সিনেমা হল

মঙ্গলগ্রহে সন্তান জন্ম দিতে চান যুক্তরাজ্যের ম্যাগি লু

যশোরে মাছের সাথে কুল চাষ করে প্রায় ৫শতাধীক কৃষক সাবলম্বী

গঙ্গাচড়ায় তামাক চাষে জড়িত নারী ও শিশু শ্রমিক

কালের বিবর্তনে বিলুপ্ত প্রায় ফাগুনে আগুন লাগানো রক্তলাল শিমুল গাছ

কালীগঞ্জে চাষ হচ্ছে সুস্বাদু স্ট্রবেরী !

অপূর্ব নিদর্শন ঝিনাইদহের জোড়াবাংলা মসজিদ

ফুল যতই ফুটছে, কান্না ততই বাড়ছে

সম্পাদক : মো. আলম হোসেন
প্রকাশনায় : এ. লতিফ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
সরদার নিকেতন
হাসনাবাদ, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১১।

ফোন: ০২-৭৪৫১৯৬১
মুঠোফোন: ০১৭৭১৯৬২৩৯৬, ০১৭১৭০৩৪০৯৯
ইমেইল: ekantho24@gmail.com