মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন

গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙ্গনে প্রতিরক্ষা বাঁধের অর্ধেকাংশ নদীগর্ভে বিলীন

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি::

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় গত কয়েকদিনে তিস্তার তীব্র ভাঙ্গনে নদীর বাম তীরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ একটি বাঁধের অর্ধেকাংশসহ হাজার হাজার একর ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙ্গন রোধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে শেখ হাসিনা সেতু সংযোগ সড়কসহ লক্ষ্মীটারী ও কোলকোন্দ ইউনিয়নের চরাঞ্চলের ৪-৫টি গ্রাম নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শনিবার তিস্তার বাম তীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের চর বিনবিনা, লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের চর ইচলী, চর শংকরদহ এলাকায় গিয়ে দেখা যায় তিস্তার তীব্র ভাঙ্গনে চর বিনবিনা গ্রামের বন্যা নিয়ন্ত্রণ একটি বাঁধের অর্ধেকাংশসহ আশপাশের ৩-৪টি গ্রামের হাজার হাজার একর ফসলী জমি বিলীন হওয়ার দৃশ্য। বিনবিনা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা হাফিজুর রহমান, মনোয়ার হোসেন, গাজিউর রহমান সবুজ জানান, গত সপ্তাহের বন্যার পানি কমে যাওয়ার সাথে সাথে তিস্তায় তীব্র ভাঙ্গন দেখা দেয়। গত ৫ দিনের ভাঙ্গনে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অর্ধেকাংশসহ চর বিনবিনা, চর ইচলী, চর শংকরদহ গ্রামের হাজার হাজার একর ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। তারা দ্রুত ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

এদিকে শনিবার ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ, রংপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সৈয়দ এনামুল কবীর, গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলীমা বেগম, লক্ষ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ্ আল হাদী। এসময় ভাঙ্গন কবলিত লক্ষ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ্ আল হাদী সাংবাদিকদের বলেন, নদী শাসনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অপরিকল্পিত কাজ করার কারণে প্রতিবছরই নদী ভাঙ্গে। তিনি পরিকল্পনা মাফিক নদীর ডান তীরের মতো বাম তীরেও নদী রক্ষা বাঁধ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান জানান, ভাঙ্গন রোধে কাজ চলমান রয়েছে। ঊর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে তিস্তার ডান তীরের মত বাম তীরেও নদী শাসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020  E-Kantha24
Technical Helped by Nazmul Hasan