বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন

ঢাকায় ১২৮ কিলোমিটার মেট্রোরেল রুট হবে: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক::

আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ঢাকা মহানগরী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার যানজট নিরসন এবং গণপরিবহনের সক্ষমতা বাড়াতে ২০৩০ সালের মধ্যে সরকার ছয়টি মেট্রোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এর আওতায় ১২৮ কিলোমিটার রুট নির্মাণ করা হবে। যার ৬৭ কিলোমিটার হবে উড়াল পথে এবং ৬১ কিলোমিটার হবে পাতাল পথে।’

আজ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মেট্রোরেল প্রকল্পের উদ্যোগে নির্মিত ফিল্ড হাসপাতাল উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘করোনা মানুষের জীবনের মতো মেট্রোরেলেরও সবকিছু ওলটপালট করে দিয়েছে। নতুন নতুন সংকট শুরু হয় এ প্রকল্পে, সমাধানের জন্যও খোঁজা হয় পথ। এই মহামারিতে মেট্রোরেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হাসপাতাল নির্মাণসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে জাপান ও থাইল্যান্ডের প্রকৌশলী পরামর্শকরাই কাজ করছেন বেশি। সংশ্লিষ্টদের করোনা শনাক্ত হলে কিংবা উপসর্গ থাকলে প্রকল্প এলাকায় কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি করোনাকালে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের প্রকল্প এলাকায় আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

ওবায়দুল কাদের জানান, ‘করোনা দীর্ঘায়িত হতে পারে এমন বিবেচনায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ কর্মীদের জন্য দুটি ফিল্ড হাসপাতাল নির্মাণ করেছে। এর একটি উত্তরার পঞ্চবটী কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে ১৪ শয্যাবিশিষ্ট এবং অপরটি গাবতলীর কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে ১০ শয্যার। এ দুটি হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধাসহ সব সুবিধাই রাখা হয়েছে। দেশে কোনও উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য হাসপাতাল নির্মাণের নজির এই প্রথম। এটি মেট্রোরেল প্রকল্পে কর্মীদের জন্য ফিল্ড হাসপাতাল।’

এ প্রকল্পের জনশক্তিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত হলে নিজেদের জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলার অংশ হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে এ দুটি ফিল্ড হাসপাতাল। এতে প্রকল্পে যারা কাজ করছেন এতে তাদের মনোবল বৃদ্ধি পাবে এবং কাজের গতিও বাড়বে।’

অনুষ্ঠানে উত্তরা ও গাবতলী ইয়ার্ডে নির্মিত হাসপাতাল দুটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ডাক্তার ও তত্ত্বাবধায়করা বলেন, করোনাকালে চলমান কাজে কিছুটা ধীরগতি থাকলেও এখন আর সেই সমস্যা হবে না। তারা বলেন, এই হাসপাতালে আধুনিক মানসম্মত চিকিৎসা সেবা দিতে সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এসময় ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক ও প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020  E-Kantha24
Technical Helped by Nazmul Hasan